|

নবীর আগমনবার্তা – কাজী জহিরুল ইসলাম

শেয়ার করুন

দূরত্বের চিৎকার শুনেছিলো ক্রাচের কিশোর
তখনি অন্ধকারের সাহস দুপায়ে বেঁধে নেয়
সূর্য লাল হয়
চন্দ্র গোল হয়
বালুর নিচ থেকে উঠে আসে উটপাখিদের ডিম,
ডানা ঝাপটায় নিস্ফলা পৃথিবীতে
আলো-প্রান্তরের রেখার ওপর দাঁড়িয়ে শেখায়
মরুদৌড় হতাশ উটপাখিদের।
গাধার কাফেলাকে বলে, মশক খুলে চুমুক দাও
মনিবের রক্তে, কেননা এই অরণ্য শুধু স্টালিওনের নয়।
সন্ধ্যাকে থামিয়ে দেয় সমুদ্রের তটরেখায়
ঢেউদের বলে ভাসিয়ে দাও ঈশ্বরের ভাস্কর্য।
বাতাসের ডানা লাগিয়ে বিদীর্ণ করে মেঘ
মরুভূমিকে উর্বরা করবে বলে।
তুষারের জামা ছিঁড়ে বানায় সবুজ পতাকা
মেরুপ্রান্তরে ফোটে অসময়ের রডেডেন্ড্রনরোদ।

ওর চোখের দিকে তাকিয়ে মিথ্যেবাদীরা মোমের ভাস্কর্য হয়
গলে গলে পড়ে নর্দমার জলে
হরিজনপাড়া থেকে উঠে আসে শুশ্রূষাকারী
নগরের বুকে হাত রেখে সুস্থ করে তোলে আরবানসংস্কৃতি।

শাসকেরা রাজপথ ঝাড়ু দিতে দিতে গায় রবীন্দ্রনাথের গান।

একজন নবীর আগমন বার্তা ছাপা হয়েছে আজকের আকাশে।

শেয়ার করুন

Similar Posts

  • ঘোলাটে মায়া – আকাশ সাহা

    ঘষা কাচে গুমোট অন্ধকারের মাঝে, মুখ রাখি পড়ন্ত বেলায় আমার নির্ভেজাল হৃদয়ের শার্সিতে কখনও বা হাত রাখি জানালার শিকলে , কখন আবার ঘোলাটে জীবনের প্রেমহীন অনুকম্পায় হেটে চলি একমুঠো ঝড়ের আশায় জানি আমি, জানালার ওপারে, ঘোলাটে ঘষা কাচের ওপ্রান্তে পৃথিবীর আর একটা রূপ ওপর হাতে আমার জন্য, সন্ত্রাস,হানাহানি,বিস্বাসঘাতকতা.অরাজনৈতিকতা প্রেমহীন মানবত্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে. তার আলোকরাশিতে,…

  • ঘিরে থাকা শব্দেরা – সুদীপ ভট্টাচার্য্য

    লিখতে গিয়ে দু-চার খানা কলম যদি না ভাঙে আর লিখতে গিয়ে ছ-চার পাতা ছিঁড়তে পারি শব্দ ঘসে তবেই তোমার শরীর কোষের আনাচ-কানাচ সাঁওতালি নাচ তা তেরে কেটে অভাবের পেটে রুচির যোগান মেহনতি গান গাইতে পারো আর আমারও যাবতীয় যত অসুখ-বিসুখ ঢেকে রাখা মুখ বোরখা আড়াল সরিয়ে তুমি প্রদীপ ধরো হাতের মুঠোয় এক সরোবর হৃদয় ধরো…

  • গোপন – ফারজানা মণি

    ১. ঘন সরবরের নীল স্ক্যান্ডাল রাত ফড়িং এর গল্প… টের পাচ্ছি সন্ধ্যায় ডুবে যাওয়া পাতাটা গর্ভবতী ছিলো… সন্তানের মুখ দেখার আগেই চোখ বন্ধ হয়ে গেছে। ২. মৌচাক ভাঙছে।বসতহীন হাজার খানেক পাখা।দিন শেষে আকাশ অন্ধকারে এগুলে কিছু গোপনীয়তার মুখোশ খুলে যায়।

  • দুটি কবিতা – সৌগত দত্ত

    কর্দমাক্ত বর্ষাকে বৈশাখের চিঠি চিঠিগুলো ছড়িয়ে আছে দক্ষিণের চিলেকোঠায়, তাতে ঠিকানা লেখা হয়নি এখনও। কি নামে ইতিহাস উৎসর্গ হয়? বন্ধু, নাকি প্রিয়তম! তোমার প্রতিবেশী জানালাটায় আজও আমার কবিতা লেগে আছে; তুমি ছেড়ে গেছো না পাওয়ার অভিমান আর লাঞ্চনার বিজয়ে। তবু, কাঁটাতার আর কাটাকুটি খেলায় সিঁদুর মুছে যায়, প্রেম নেমে আসে, কোনো এক নাম না জানা…

  • অয়ন ঘোষের পাঁচটি কবিতা

    যুদ্ধ পুকুরে ডুব দিয়ে তুলে আনেশামুক-গুগলি, চুনো-পুঁটিজলের সংসার টালমাটালমাছরাঙার শ্যেন দৃষ্টিতে আগামী যুদ্ধের নিশান উড়ছে। কিস্তিমাত দুঃখকে পোষ মানিয়েআড়াই চালে মাতচৌষট্টি খোপ সাজানো আছেঈশ্বর আমি মুখোমুখি। শীত দু’হাতে তাড়াচ্ছি শীতআগুন কৌশলেঅরণি শেখাল, ভিতরের কাঁপন থামলেশীত আপনা থেকেই বসন্তকে পথ করে দেয়। নিস্তার একটা কৌণিক বিন্দু থেকেমেপে নিয়ে যাত্রাপথতির্যক আলোর সাথে সুরবুকের বাঁ’দিকে এসে সংসার পাতলঘুম…

  • আহত বাস্তব – তনুজা চক্রবর্তী

    যতবার পুরুষ কে মানুষ ভাবতে চেয়েছি ততবার গোল খেয়েছি! প্রতিপক্ষ বড়ো কমজোরি , শব্দের খেলায়ও নারীর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে, অতর্কিতে আক্রমণ জারি রাখার চেষ্টা চলতে থাকে ! জন্মদাতা ও পরাজয়ে আনন্দ পায়, নারী দিবসের শুভেচ্ছা জানায় ! জন্মদাত্রী আনন্দ পায় শুধুমাত্র , সইতে জানে বলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *