Similar Posts
নিম্ফোমেনিয়াক , খোঁজাখুঁজি – জহিরুল ইসলাম
নিম্ফোমেনিয়াক আলো নোখ কেটেছে দাগ গাছেরা নিম্ফোমেনিয়াক সূর্যের কাছে খুলে দেয় রোজ গহনগোপন। দেখো, দেখো কী অশ্লীল! যুবতী পাতাগুলো চুমুক দিয়ে খায় আলোর ক্লোরোফিল। হলিসউড, নিউইয়র্ক।২৭জানুয়ারী২০১৮। খোঁজাখুঁজি অন্ধকারে পা বাড়ালাম, শব্দ হলো আস্তে লুকিয়ে রাখা ড্রয়ারখানি খুলে হাত রেখেছি রাতের নাভিমূলে আলোর নীচে অমন করে গোপন খুলে হাসতে? …
কলম কেন লিক করে – মলয় রায়চৌধুরী
যুদ্ধ চলতেই থাকে, ছোটো হোক বা বড়ো আমরা ভাবি কবিতা লিখে যুদ্ধ থামিয়ে দেবো কবিদের কেউই পাত্তা দেয় না পাত্তা দেয় বিজ্ঞানীদের, যাঁরা নতুন নতুন অস্ত্র আবিষ্কার করে চলেছেন তা প্রয়োগ হয়ে চলেছে ছোটো যুদ্ধগুলোয় বাড়ি ঘর শহর মনে হয় পাঁপড়ের তৈরি যুদ্ধ কখনও ফুরোবে না, আমরা ফুরোবো দেশে-দেশে সৈন্যদল থাকবে, আমরা হাত কামড়াবো একদল…
অনিবার্য অক্ষমতার দূরাস্ত চোখ – উদয় শংকর দুর্জয়
অকারণে চূর্ণতা জমায় শরৎমেঘ। কলতান মুখর সেইসব প্রিয় অবসর কখন যেন ফাঁকি দিয়ে এক অনিবার্যকে মেনে নিয়েছে। নিয়তি বলে কিছু নেই যে এতদিন মেনেছিল, সে এখন বেলান্তে বসে ভাবে এই গ্রীলের ওপারে মাথাটা বের করতে পারলেই আকাশজল ছোঁয়া যেত—মেঘলা—অঢেল। বুকের কপাটগুলো অতিশয় উদ্বিগ্ন, পেরুবার অক্ষমতাকে কিছুতেই পেরুনো যায় না। এর বাইরে এক বিশালতা তবু দৃষ্টি…
শ্রেয়সী গঙ্গোপাধ্যায়-এর দশটি কবিতা
সন্তান প্রতিটি লেখার পর প্রজন্ম জন্মায়প্রতিটা সন্তানপ্রবণ ভোরের তৃষ্ণা জলতৃষ্ণার্ত হত্যার পারিপার্শ্বিকগ্রন্থি পথ পায়ে হেঁটে জন্মান্তররোদের কুঁজ হতে লাফিয়ে নামা ঘুঘুশোক গাথা শুনিয়ে শুনিয়ে হৃদয় বেশেহাসির ঢেউ লুকিয়ে রাখে বালিশেবিষণ্ণ আলোড়ন রহস্যের ওই পিঠেএকটা শহর দাওএকটা শহরের মুখে পাখির ওঠানামাতামাটে কবিতা হয়ে যাক বাড়িঘরনিঃশব্দ গমের বীজ হয়ে থাক সন্তান। মিশ্ররাগ চা ফুলের আঘ্রাণ ভেজা প্রতি…
আহত বাস্তব – তনুজা চক্রবর্তী
যতবার পুরুষ কে মানুষ ভাবতে চেয়েছি ততবার গোল খেয়েছি! প্রতিপক্ষ বড়ো কমজোরি , শব্দের খেলায়ও নারীর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে, অতর্কিতে আক্রমণ জারি রাখার চেষ্টা চলতে থাকে ! জন্মদাতা ও পরাজয়ে আনন্দ পায়, নারী দিবসের শুভেচ্ছা জানায় ! জন্মদাত্রী আনন্দ পায় শুধুমাত্র , সইতে জানে বলে।
একুশে – অনিন্দিতা মিত্র
মাতৃজঠরের মধ্যে গুনগুনিয়ে ওঠে বাউলের একতারার সুর,হাজার হাজার নক্ষত্রের নীল সোহাগ এসে মিশে যায় স্বপ্নভেজা শহিদ মিনারে । পরিযায়ী পাখিরা মেখে নেয় পৌষের ধুপছায়া বিকেলের রোদের নির্যাস,কোপাই নদীর অসমাপ্ত বাঁকে ঘুরে মরে প্রেম ।শিশির হাওয়ার চুম্বনে লেপ্টে থাকা আলোর নুপূরে শুনি মহাকালের পদধ্বনি । মনের জটাজাল ভেদ করে বয়ে চলে অভিমানের চোরাস্রোত, ভাবনার চিরকুটে লিখতে…


দারুন দারুন
ধন্যবাদ দাদা