Similar Posts
ঘিরে থাকা শব্দেরা – সুদীপ ভট্টাচার্য্য
লিখতে গিয়ে দু-চার খানা কলম যদি না ভাঙে আর লিখতে গিয়ে ছ-চার পাতা ছিঁড়তে পারি শব্দ ঘসে তবেই তোমার শরীর কোষের আনাচ-কানাচ সাঁওতালি নাচ তা তেরে কেটে অভাবের পেটে রুচির যোগান মেহনতি গান গাইতে পারো আর আমারও যাবতীয় যত অসুখ-বিসুখ ঢেকে রাখা মুখ বোরখা আড়াল সরিয়ে তুমি প্রদীপ ধরো হাতের মুঠোয় এক সরোবর হৃদয় ধরো…
সীতা হেমব্রমের পাঁচটি কবিতা
আখা জ্বলছে, কয়লার বিরাম নেই লেখা আসার আগে, সন্তানজন্ম ফিরে আসে। স্বপ্ন তখন স্বরবর্ণে আসত, ফিরে যেত ভ্রূণ বিষাক্তকরে। মনে হত, মরা বাচ্চা বিয়োব আমি; নীল হয়ে যাওয়া, রক্তনাড়ী জড়ানো গলায় সে মাকেনা বলেই হয়ত ফিরে যাবে সম্পূর্ণ জীর্ণ । দলা পাকানো জরায়ু তছনছ করে গোটা বাড়িটাই ভেঙে পড়ল, সলতে পাকানোএক ফোঁটা জলও নিল না…
অবাক লিমেরিক – শুভ্র দত্ত
দুই প্রতিবেশী দেশে দ্বেষাদ্বেষি, রেষারেষি চলে খোলাখুলি ভূমিসীমান্তে পাহাড়প্রান্তে অবিরত চলে গোলাগুলি; দুই দেশবাসী, সুদূর বিদেশে অবাক কান্ড, তারা হেসে হেসে ভুলে দ্বেষাদ্বেষি করে মেশামেশি, রেষারেষি ছেড়ে কোলাকুলি।
সম্পর্ক – বিশ্বজিৎ
এত কাছাকাছি তবুও দূরত্ব… প্রতিবার বিরাম ডেকে আনে। এতদিন ধরে যে বিশ্বাস তৈরী করেছ ভ্রমণের একটা ক্ষেত্র… মুহূর্ত শাসন করছে,দুমড়ে যাচ্ছ ক্রমশ নিরাপদ…পেতে গিয়ে আরও ধাক্কা অনুভূতিজুড়ে
ডেরেক ওয়ালকট-এর তিনটি কবিতা অনুবাদ: অভিনন্দন মুখোপাধ্যায়
[লেখক পরিচিতি: স্যার ডেরেক এলটন ওয়ালকট ১৯৩০ সালের ২৩শে জানুয়ারিতে সেন্ট লুসিয়ার ক্যাস্ট্রিজ-এ জন্মগ্রহণ করেন। মূলত কবি এবং নাট্যকার হিসেবে পরিচিত ডেরেক ওয়ালকট ১৯৯২ সালে নোবেল পুরস্কার পান। তাঁর কবিতায় ঔপনিবেশিক শাসনের ভারে ভারাক্রান্ত মানুষের জীবন, ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের মানুষজনের খণ্ড-বিখণ্ড আত্মপরিচিতি বার বার উঠে আসে। ২০১৭ সালের ১৭ই মার্চ তাঁর মৃত্যু হয়।] মুষ্টি একটি মুষ্টি…
মঙ্গলেশ ডবরাল-এর কবিতা – ভাষান্তর: রূপায়ণ ঘোষ
[কবি পরিচিতি: মঙ্গলেশ ডবরালের জন্ম হয় ১৯৪৮ সালে উত্তরাখণ্ডে। পরবর্তীতে কর্মসূত্রে দিল্লি নিবাসী। প্রখ্যাত ‘জনসত্তা’ পত্রিকার সাহিত্য বিভাগের পদে ছিলেন দীর্ঘদিন। শেষ দিকে ‘ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট’-এর পরামর্শদাতা হিসেবেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। হিন্দি সাহিত্যের প্রগতিশীল ভাবধারার এই কবির কবিতা মূলত সামাজিক অবক্ষয়, গণচেতনা তথা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে। ‘পাহাড় পর্ লাল্টেন’, ‘ঘর কা রাস্তা’…

