আহত বাস্তব – তনুজা চক্রবর্তী

শেয়ার করুন
যতবার পুরুষ কে মানুষ ভাবতে চেয়েছি
ততবার গোল খেয়েছি!
প্রতিপক্ষ বড়ো কমজোরি , শব্দের খেলায়ও
নারীর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে, অতর্কিতে আক্রমণ
জারি রাখার চেষ্টা চলতে থাকে !
জন্মদাতা ও পরাজয়ে আনন্দ পায়,
নারী দিবসের শুভেচ্ছা জানায় !
জন্মদাত্রী আনন্দ পায় শুধুমাত্র ,
সইতে জানে বলে।
শেয়ার করুন

Similar Posts

  • বিস্ময় – মৌমিতা পাল

     আজন্মকাল থেকে তুমিতো জানতে  -‘এ বাড়ি তোমার নয়!’ প্রকৃতির নিয়মে তারপর ক্রমাগত বেড়ে ওঠা, শখের বাগানের অযাচিত -অনাহুত  আগাছার মতো। পুতুল খেলার ছলে শেখোনি কি! এ ধরনীর সামান্য ধুলিকনাতেও তোমার নেই কোনো দাবী, নেই অধিকার। সমস্ত জীবনব্যপী তুমি শুধু বাঁধা ক্রীতদাসী। এ সমাজ,এ সভ্যতা,এ বিশ্বায়ন, এই বিশাল মহাবিশ্বের এক বিন্দুও  তোমার নয়! জেনেছো তো সব…

  • বঙ্কিমকুমার বর্মন-এর পাঁচটি কবিতা

    আত্মীয় রক্তের হাড় তেড়ে আসে যুবতীর ঘুমেগলানো পিচের মতো রাত, এলোমেলো পায়েবিঁধে ফেলে আমাকে শস্যদানায়এত তীক্ষ্ণ খিদের নখ, এই বুঝি ছিঁড়ে ফেলে সম্ভ্রান্ত দাঁতের ফাঁকে আটকে পড়ে ভূখণ্ড পড়শিকেউ নেই যে—হৃদয় বিকোবে স্বপ্নসাজেমেঘলা মন তবু মেঘ হাঁকে জলদরেঅখণ্ড হৃদয় দুলে ওঠে আমলকীর বনে ভস্মতাপে মুখ লুকিয়ে রশ্মির ভেতর—ঢুকে পড়ে বুনে রাখা শুনশান কবিতাঘরনেচে ফেরে ঘরে…

  • মঙ্গল হাজরার পাঁচটি কবিতা

    মৃত জ্যোৎস্নায় ১। ঘুমের ভিতরে কোনো এক যুগের ঘোড়া-হরিণের ঘাস ভরে ওঠে কোনো এক ঘুমের ভিতরে; জ্বলন্ত আগুনে  আমরা হাঁটতে এসেছি আঁকতে শিখেছি নক্ষত্রের ঘর; যেখানে বাঘ আর বুনো মহিষের পরিভাষা আলাদা হয় তবুও ঘুম ভেঙে গেলে—উঠে দেখি,  মৃত নক্ষত্রের মাটিতে আমাদের বিছানা ভরে গেছে। ২। শব্দ শব্দের পাশে বসে রৌদ্র পোহায় অক্ষরে লেগে থাকে…

  • বিকাশ – কৃষাণু নস্কর

    ধপধপে সাদা একটা বক বসে আছেছোটো ছোটো কচুরিপানার উপর,জলের মধ্যে ডুব দিচ্ছে ডাকপাখি,খেলা করছে ঝিঁঝিঁপোকা, ফড়িং।ঘাটের সিঁড়িতে সুরকি আর ভাঙা ইট বেরিয়েআসছে, পড়ে আছে বিসর্জনের কাঠামোভেসে আসছে ফুরফুরে বাতাস,হালকা আঁচড় কেটে, জলের গা বরাবর। এখানে আর কিছুদিনের ভিতরে,একটা আর্টিফিশিয়াল লেক হবেআর তার চারিদিকে থাকবে একটাজগিং ট্রাংযাক আর ঝলমলে বাতির সারি।খালের ধার বরাবর গজিয়ে উঠবে একাধিকহাইরাইজ,…

  • কাদম্বরী… তোমাকে… – সুদীপ ব্যানার্জী

    সেভাবে দেখলে দীর্ঘশ্বাস ফেলে আগাছাও.. আত্মহত্যার আগের রাত… স্বপ্নের মাঝে মসগুল আমরা শব্দের ধ্বণি আবেগে খামচে ধরেছে বুক… সুখের বাতি সাবেকি চামড়ায় একা। এতো এতো আবেগের ভ্রূণ, খুন হয়েছে অভিজাত দোলনায়! তবু চুপ… মৃত্যুর বোবা প্রতিবাদ… বৌঠান… সেই গান ঠোঁটে লেগে…আর সুঘ্রাণ… ছায়াঘেরা জানলায় প্রশ্রয়ী মুখ… একান্ত… সব অভিমুখ ঘুরিয়ে ফেলেছি সঞ্জানে.. অভিমানে তুমি সরে…

  • একটি লম্বা লাইন – জিললুর রহমান

    একটি লম্বা লাইনে প্রভাতফেরিতে দাঁড়িয়ে রয়েছি মধ্যরাতে একুশের অপেক্ষায়— হাতে ফুল — নগ্ন পদ — শাদা পাঞ্জাবির সাথে ঢলঢলে পাজামা একটি দীর্ঘ লাইন এক সুরে গুঞ্জন করছে শীতল বাতাসে রোমকূপে শীতকাঁটা উঠে আছে আমরা অপেক্ষমান সেই বায়ান্নোর ফেব্রুয়ারি থেকে ওরা বলেছিল যাহা বাহান্ন তাহা তেপ্পান্ন আমরা প্রতিবাদ করি আমাদের মাতৃভূমে বায়ান্ন জুড়েই আছে মাথা নত না করার দৃপ্ত স্বরআছে শহিদের রক্তাক্ত শার্টের ’পরে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *