Similar Posts
ক্ষত ঝরা স্বপ্ন – দেবনাথ সুকান্তের গুচ্ছ কবিতা
১। আর কারো প্রয়োজন নেই শুধু এই নীরবতা এবং বিচ্ছেদবিপন্ন প্রদীপ হয়ে বসে আছে আত্মার সাক্ষী দেবে শব্দ থেকে ঝরে পড়ছে ব্রহ্ম শিরা উপশিরায় তার পুনর্বিন্যাসছেঁড়া খাম থেকে বেরিয়ে বলবে সেপ্রতিটি সিঁড়ির নীচে একটি অন্ধকার কোন বসে থাকেতুমি এক অনাদি বয়স ২। এখানে স্রোত ছিল অন্তরমুখিআমি পাশাপাশি হেঁটে যাওয়া চর থেকে হারানো কিছু অঙ্গীকার পেয়েছিযে…
ঈশ্বর ও মিডিল ক্লাস – সুদীপ ভট্টাচার্য্য
আমার পাশে ঘুমিয়ে পড়ো আমার পাশে স্বস্তি আরাম তুলোর মতো তুলির মতো একটা আঁচড় অস্বাভাবিক শান্ত কিছু ছবি আঁকে মন-প্যালেটের রং ঢেলে দাও বং ফেলে দাও হারহাভাতে ইঙ্গ যত আপন বানাও তোমার ইচ্ছা আমার ইচ্ছা সংসারেতে ঠেক পায় না ভেক ধরেছি অল্প কিছু যোগান নিয়ে খুচরো মতো ময়লা নুড়ি এবং আছে চড়কা বুড়ি কুঁচকে যাওয়া…
পাঁচটি কবিতা – শাশ্বতী সরকার ও সৌম্যজিৎ রজক
শাশ্বতী সরকারের তিনটি কবিতা যেন গান মনে থাকে ১)আর দুঃখ নয়, মা ছেলেকে খাইয়ে দিচ্ছে ভাতঅন্নজল অভাবের দেশে ধানখেতে ফুটে উঠছে খুঁটি, বিদ্যুতের তার জুড়ে বসে আছে শালিকের জোড়তুমি যেন গজে নয়, পাহাড় থেকে সোজা নদীর উপরে চেপে এলেপ্রকৃতই পর্বতদুহিতা এই শাদা জলধারা ২)বিরাট রাজার বাড়ি। সৈরিন্ধ্রী এলোচুলে ঘোরে। কী আশা করেছিলে? শীতকাল — পাথরের…
একটি মেরাজের রাত্রে ঘুমিয়েছি – জিললুর রহমান ( পর্ব ৫, অন্তিম পর্ব )
সব কটি পর্ব পড়তে উপরের একটি মেরাজের রাত্রে ঘুমিয়েছি ট্যাগে ক্লিক করুন। প্রত্যাবর্তন পর্ব ১১০.কারখানা শ্রমিক পাভেল রাশিয়ায়ওদিকে চে গেভারা ফিদেল কিউবায় লেনিন গোর্কি বা মায়াকোভস্কিরকোথাও দেখা নেই স্বর্গ নরকের কোথায় রাখা যাবে বুঝে না দেবদূততাই তো কবরেই পড়ছে মেঘদূত লোকের বুকে বুকে বিপ্লবীর ঠাঁই ১১১.ভোরের আলো খুব হালকা ফুটেছিলপাখায় বোররাক অনেক গতি দিল গতি…
সাহির লুধিয়ানভির কবিতার অনুবাদ – সুমিত গঙ্গোপাধ্যায়
‘শায়র এ ইনকিলাব’ সাহির লুধিয়ানভি। বিশ শতকের উর্দু সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি। প্রগতিশীল সাহিত্য সমিতির সদস্য থাকার সময়ে কমিউনিস্ট আদর্শ প্রচার করার জন্য তিনি পাকিস্তান সরকারের গ্রেপ্তারি এড়িয়ে ভারতে আসেন। তখন তাঁর প্রতিবেশী হন গুলজার ও কিষেনচন্দ (প্রথমজন খ্যাতনামা উর্দু কবি ও দ্বিতীয়জন উর্দু ঔপন্যাসিক)। ১৯৪৯ সাল থেকেই তিনি ফিল্মের জন্য গান লিখতে থাকেন। ১৯৬৩ সালে…
রাখী দে’র গুচ্ছ কবিতা : পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
১.প্রতিক্রিয়াহীন কথাগুলিকেসাজিয়ে রাখি পার্শ্বরেখা বরাবর,ঘোলা জল এসে ঝাপটা দেয়,দুলকি চালে পাশ কাটিয়ে যাই,জন্ম শেষে না-নেভা দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি। ২.বুকে খই উথলে উঠলেআঁচটুকু কমিয়ে দিই,ফেনার শরীর ঘেঁটে জড়ো করিপাখিটি নীরব জলে সাঁতার কাটে! ৩.ক্ষতটি জেগে আছে,পাড়ময় ফুটে আছে সন্ধির ফুল,একেকটি ফুল তুলে নৈবেদ্য সাজাইচিকণ রোমের মুখ তুলে ধরি,তুমি কথা বলে ওঠো। ৪.যেদিকে বিকেল হাঁটে,সেদিকে পড়ে আছে…

