সীমান্ত – সৌরভ দাস
সীমান্তের দিকে..
মেয়েদের শরীরে আলাদা আলাদা গন্ধ থাকে, মুখের আর বুকের গন্ধ একরকম না। প্রতিটা মেয়ের ঘামের গন্ধ আলাদা, ভিন্ন তাদের আবেদন, ইশারা। প্রতিটা মেয়ের স্বপ্নের একটাই গন্ধ- “মাটির হোক, আমাকে একটা ছাদ দিও”
১. ঘন সরবরের নীল স্ক্যান্ডাল রাত ফড়িং এর গল্প… টের পাচ্ছি সন্ধ্যায় ডুবে যাওয়া পাতাটা গর্ভবতী ছিলো… সন্তানের মুখ দেখার আগেই চোখ বন্ধ হয়ে গেছে। ২. মৌচাক ভাঙছে।বসতহীন হাজার খানেক পাখা।দিন শেষে আকাশ অন্ধকারে এগুলে কিছু গোপনীয়তার মুখোশ খুলে যায়।
ওরা খ্যাতির সাগরে কুটো নিয়ে এসেছিল পৌষালি মেয়ে, যার কি বা দাম ! ঠাকুরবাড়ি, তবু তোমাকে প্রণাম | এখন ক্রমশ যাবার সময় আসছে শরীরে মিশেছে অসম্ভবের বিষ মনে পড়ছে রবির বন্দিশ এখন আর কোনো রাগ নেই জ্যোতিবাবু তোমায় গোপন চিঠি লেখেন যিনি, তার কাছে যাও, চলে যাও সরোজিনী | রবি, কেবল তোমার কাছে আর্জি তোমার…
(১) শোকের ওপর রোদ এসে পড়ে, ঝিকমিকিয়ে ওঠে অশ্রু-ঘাম… ধাঁধা লাগা চোখ তখন অলঙ্কারভ্রমে ঈর্ষিত হতে দেখি… দেখি, তপ্ত গ্রীষ্মদুপুর কীভাবে খরতাপে নীরবে পুড়িয়ে চলেছে অ-সুখ, সম্পর্ক… (২) ক্লান্ত দুপুর বেয়ে ভাঙাচোরা সংসারের টুকরো ভরা গাড়ি টেনে নিয়ে চলেছে কপাল থেকে ঘামের ফোঁটা ঝরে পড়ছে খই-এর মতো আর ওর সাথে পিচগলা পথের পিছুটান কাটিয়ে ধ্বংস…
মধুচন্দ্রিমার বিছানায় ঝরছে বৃষ্টি ঘুমন্ত মুখে উড়ছে তোমার চুল ঝরনার জল শরীর বেয়ে নামছে সুতাং নদী ঘা-ক্ষত গায়ে নিয়ে ভাবছি- আমি কোন্ মাছ মেঘালয় থেকে এসেছি শ্যাওলার ঘ্রাণে ভাটির দেশে আমি যাবো ফিরে। মধুচন্দ্রিমার বিছানায় একটা টিয়া পাখি ঠোঁটে এক মৃত চিঠি অশ্রুতে ধুয়ে গ্যাছে সব নীল অক্ষর জানালায় কাঁদছে লাল-ফ্রক একটা অন্যের-চাঁদ আমি…
যজ্ঞপথের প্রবাসী নাবিক চড়ে বসলেন বটমূলের প্রাচীন ঘূর্ণিতে । মধ্যরাতে আঙুল কেটে নতুনের আভাস — এশুধু অগরু নয় যেন আস্ত ব্রহ্মপুত্র… একে একে পেরোতে থাকলো বৃদ্ধ স্ফটিক । যুবকের দ্রোণাচার্য আকাশের বুকে এঁকে দিল হাহাকারের বাণিজ্য । এলো কিশোর পাতার মাতাল আঁচল , যে আঁচলে শঙ্কা নয় ‘ মায়ার খেলা ‘ য় স্নেহ বোনা ”…