Similar Posts
এক পৃথিবী সুখ! – সুজাতা মিশ্র
হ্যাঁ রে মরদ, বাসবি ভালো চটকে খাবি সুখ? এক বর্ষা কদম গন্ধে ভরিয়ে দিবি বুক? রাতবিরিতে জানলা খুলে উড়িয়ে দিবি ডানা? কাকের বাসায় আসবি রেখে কোকিল সুরের ছানা? হ্যাঁ রে মরদ নিজেই আবার হবি আকাশ বুক? চাঁদের আলো হতে দিবি এক পৃথিবী সুখ?
আবার বৃষ্টি এসেছে নেমে – দেবব্রত মাইতি
আবার বৃষ্টি এসেছে নেমে আমার ব্যস্ত শহরের বুকে আমি জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছি হাত বাড়িয়ে মেখে নিচ্ছি জলক্ণার ভিজে ভাব কেমন আছো কি করছো সবাই…
অনুরোধ – চিরঞ্জিৎ তা
যাও সুখ উড়ে, প্রাসাদটা ছেড়ে, যাও তুমি ওদের কাছে ; যারা দীন হীন, অনাহারে ক্ষীণ, প্রতিদিন ব্যথা নিয়ে বাঁচে । শোন তুমি বলি ওগো সুখডালি, যে প্রাসাদে আছ তুমি আজ ; তার গায়ে কত আছে শত শত শ্রমিকের শোণিতের কাজ ! এ সমাজ তবু দেয় না তো কভু, গণিতে শোণিতের মান ; অনাহার…
জরাবর্গ – গৌতম বসুর অপ্রকাশিত কবিতা
১১ খেলাঘরের ছায়া গভীরতর অরণ্যে প্রবেশ তো করলাম,এইবার,ভার নামানোর পর, বার করলাম সেই মানচিত্র।এতদিন ধ’রে ভাঁজে ভাঁজে এত ছিদ্র বহন করেছি? ……. পাখি বলল,আমার শরীর আছে, মাটিতে যতক্ষণ,ততক্ষণ ছায়াও আছে বটে; আকাশে আমি ছায়াহীন।আমি বললাম, বেশ, দেখাও দেখি, খেলাঘরের ছায়া॥
শুধু এক মুঠো ভাতের আশায় – কৌশিক দাস
আমি এক মুঠো ভাতের আশায় আজ আমি এই পথে…………. খিদের জ্বালায় বিধবার থানে লাগিয়েছি রঙ, সতীপনার জাল ছিঁড়ে দারিদ্রটাকে মাড়িয়ে এসে গেছি এই মোহল্লাদের জগতে। এখানে ভাত আছে কাপড় আছে আছে ভুঁড়ি ভুঁড়ি টাকা, নেই শুধু মনসত্ব আর নেই নারীর ইজ্জত, আছে যৌনের রেশ নেই প্রেমের আবেশ। শুধু এক মুঠো ভাতের আশায় আজ আমি এই…
মৃগশিরা আর কালপুরুষ – গৌতম চৌধুরী
১.যে-সর্বনামকে বিদায় দেওয়া হইয়াছিল ঘোর কোনও তমসাতীরে, ঘুড়িটি ভাসিতেছে, এতই উঁচুতে, যে কাটিয়া যাওয়া টের পাওয়া যায় না। মেঘ জমিলে চিলেরাও সেইখানে। তাহাদের চোখে নদী সামান্যই দূরে। জলই সম্পর্করেখা। বন্দর বলিলেই কেন বৃষ্টির কথা মনে হয়। তাহার কত লিপ্ততা, ঘাম ও মুদ্রা বিনিময়, তবু পথে পথে ভিজিবার আমন্ত্রণ। রংবেরঙের কাপড় কাচিয়া মেলিয়া দেওয়া হইয়াছে প্রান্তরে।…


Besh Bhalo laglo pore