Similar Posts
একটুখানি মেয়েবেলা – মধুশ্রী ভট্টাচার্য্য
মেয়েবেলা মানে বেঁচে থাকা আর সবাইকে নিয়ে বাঁচা মেয়েবেলা মানে ঘুম থেকে উঠে সকালে কাপড় কাচা। মেয়েবেলা মানে কাউক্কে না বলে লুকিয়ে লুকিয়ে প্রেম মেয়েবেলা মানে হঠাৎ প্ল্যানিং দীঘা ঘুরে আসে ট্রেন। মেয়েবেলা মানে কলেজে আড্ডা টেবিল বাজিয়ে গান মেয়েবেলা মানে মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকা দিনমান। মেয়েবেলা মানে ছেলেটা আমার শুধুই বন্ধু আজীবন মেয়েবেলা…
একলা নারী – সোহিনী সামন্ত
ধ্রুবতারার জ্বলজ্বলে অনুভূতিতে লক্ষ্যভেদের ব্যাপক আশা, পথের মোড়ে একলা হেঁটে চলার বিশেষ অভিধান , উন্মুক্ত করে পাখির মতন স্বাধীন অভিব্যক্তির অক্লান্ত নেশা…… স্যাঁতস্যাঁতে চৌরাস্তায় , কাঁকড় বিস্মৃত লালমাটি………… শত্রুর দামামা বাজে বকুলের অসহায়তায় …… দুর্বহ পথে একলা নারীর গৌরবের জয়গান, মুগ্ধ পলাশ ছুঁয়ে যায় একান্ত স্বাধীনতায়……।।
আঁধার-প্রবাসী – সাগর সূত্রধর
হেথা হতে যাও, পুরাতন। হেথায় নূতন খেলা আরম্ভ হয়েছে। আবার বাজিছে বাঁশি, আবার উঠিছে হাসি, বসন্তের বাতাস বয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চলে গেছি আমি, দূরে, বহুদূরে, শত-অভিমান ভরে ফিরবো না জেনো কোনোদিন, বিদায় চিরোতরে। শুভ্র মেঘ য্যামন অস্পৃর্ষনীয় সুন্দর সুদূর আকাশে তারা-ফুল শুধুই দেখা যায় নক্ষত্র প্রকাশে। শ্রান্ত দিঘিতে ফোটে যেমন ক্ষণিকের আলো-ছায়ার খেলা তোমার জীবনে…
মধুচন্দ্রিমার বিছানা – সাইফুল ভূঁইয়া
মধুচন্দ্রিমার বিছানায় ঝরছে বৃষ্টি ঘুমন্ত মুখে উড়ছে তোমার চুল ঝরনার জল শরীর বেয়ে নামছে সুতাং নদী ঘা-ক্ষত গায়ে নিয়ে ভাবছি- আমি কোন্ মাছ মেঘালয় থেকে এসেছি শ্যাওলার ঘ্রাণে ভাটির দেশে আমি যাবো ফিরে। মধুচন্দ্রিমার বিছানায় একটা টিয়া পাখি ঠোঁটে এক মৃত চিঠি অশ্রুতে ধুয়ে গ্যাছে সব নীল অক্ষর জানালায় কাঁদছে লাল-ফ্রক একটা অন্যের-চাঁদ আমি…
তৌফিক জায়েদ ও সামি আল-কাসেমের কবিতা তর্জমা: সোহেল ইসলাম
[তৌফিক জায়েদ: প্যালেস্তানীয় নেতা, কবি, সক্রিয় বামপন্থী কর্মী, নাজারেথের মেয়র এবং সমাজ আন্দোলের সঙ্গে যুক্ত তৌফিক জায়েদের জন্ম ১৯২৯ সালের ৭ মে প্যালেস্তাইনের নাজারেথে। চার ভাইবোনের সঙ্গে বেড়ে ওঠা জায়েদের পড়াশোনা শুরু হয় নাজারেথ সরকারি বিদ্যালয় থেকে। মাধ্যমিকে পড়ার সময়ই জায়েদ রাজনীতিতে আগ্রহী হয়ে পড়েন। ব্রিটিশদের ইহুদিপ্রেম এবং প্যালেস্তাইন দখল জায়েদের শৈশবকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করে।…
সোনালী ঘোষের গুচ্ছ কবিতা : এসো চরণ ধুয়ে দিই
এসো চরণ ধুয়ে দিই ১.অনিবার্য। আড়মোড় ভাঙছে প্রিয় শব্দগুচ্ছ… এখন উত্তরায়ণ। হরিতকীর বন থেকে উঠে আসা হাওয়া ফুঁ দিয়ে নিভিয়েছে বোধ। উপচে পড়া ঘুম খুঁটে খাচ্ছে চোখহীন একটি ঝুঁটিওয়ালা মোরগ… দ্বিতীয়বার তথাগত, জ্যোৎস্নার প্রপাতের কাছে নিয়ে চলো। যেখানের দুরন্ত স্রোতে পাঠ করেছি বহু অধীত বিদ্যা আর তোমার পায়ের কাছে ফোটা সেই সেই পদ্মখানির আকর্ণ হাসি……


Besh Bhalo laglo pore