Similar Posts
ভারতীয় মে দিবস – অমিতাভ গুপ্ত
হে মার্কেটে মিলিত প্রাণ জ্বালিয়ে ধরেছে দীপ্ত গান। জাগো শ্রমিক জাগো কিষাণ এই ভারতের সব শ্মশান। পূর্ণ হোক ফসলে আর ধন্য হোক শেষ অশোক। আজ কৃষকের প্রতিবাদ আর প্রতিজ্ঞা নিয়ে মে দিবসের রুদ্র দীপকে জাগো ঝংকার, জাগো ঝংকার।
চাঁদের চোখের জল – অপর্ণা গাঙ্গুলী
চাঁদের চোখের জল দেখলে আমি কষ্টে থাকি | কতবার দিদিমাকে বলতাম – ওই চাঁদের মধ্যে কালো কালো কী সব গো ? দিম্মা বলতেন ও সব নিয়ে ভেবো না | ওসব চাঁদের এলোমেলো মনখারাপি | ইস্কুলে বকুনি ঝকুনি খেলে তোমার যেমন মুখ কালো হয়ে থাকে আর কী ! আহা গো চাঁদ বকা খায়? কার কাছে, আকাশে…
আলিউজ্জামানের পাঁচটি কবিতা
একটি প্রতিবিম্ব ও তার সহজ সমীকরণ (১) আকাশকে ভেতরে ধারণ করে কাঁপানোর ছলসেইমতো জেনেছি ব্যবহারিক জল, আরজলাকর্ষী প্রতিবিম্বে মূর্ধন্যর মতোসম্মতিহীন ঈশ্বরবিশ্বাস কীভাবেকিলবিল করে মাছরাঙার চোখে। যদিও তেমন কোনো উপার্জন নেই আগুনের,তবু, বিস্তৃত এই বাহুদ্বয় তোমাকে বিঁধতে গিয়েভূমিষ্ঠ ফুলের মতো তাকিয়ে থাকে আততায়ীর দিকে। (২) এই বাতাসে এখন তোমার চুলের প্রভাব কাটিয়েখুব গভীর সম্পর্কে হাঁসগুলো জলে…
আমার এ লেখা – মন্দাক্রান্তা সেন
সীমান্ত সেজে ওঠে অস্ত্রে ও শস্ত্রেযখন পড়েছে টান খাদ্যে ও বস্ত্রেসেসব সমস্যা কি? আমি-মানি-জানিনাশ্রমিক কৃষক মরে? অতসব মানি না আমি এক ভারতীয়, চাই শুধু যুদ্ধবাকি সব ভুলে গেছি আগামুড়োসুদ্ধদু’টো বোম ফেলে এলে ওপাশের দেশটায়দু’মুঠো জুটবে কিছু? খিদেতে ও তেষ্টায়? গোলি মারো প্রশ্নতে গোল্লায় যাও রেদুশমন মেরে ফুসমন্তর গাও রেএদেশের কোণে কোণে সীমাহীন দৈন্যসীমান্তে মরে যায়…
কৌরব বংশ – অভি গুপ্ত
পৃথিবীর চারদিকে আজও তারা আছে যাদের আঙ্গুলী হেলনে বাকী সব বাঁচে। রাজনীতি নয় শুধু তাদের সৈকতাবাস ধর্ম ও দেয় তাদের কাঙ্খিত বিশ্বাস। রুক্ষতার ধ্বজা ওড়ে প্রান্তিক কামনায়। জীবনের মদিরা আকন্ঠ পান করে অসাম্যতার হার পরে উঠে আসে যারা। বৈধ অসুখী হয়ে যারা অাজন্মকাল ধংসের মাতোয়ারায় মগ্ন হয়ে রয়। সকলেই বাঁচতে চায় আপন মহিমায়। কিছু জন…
দ্যা লেডি উইথ এ হিডেন ল্যাম্প – ব্রতশুদ্ধ
বুলেটবিদ্ধ নিঃসঙ্গ জীবন… ছবি হয়ে বেঁচে থাকা সুইসাইডাল উপাখ্যান । একটা এপ্রিল ২১ আরো আসবে দাবানল হয়ে , আরো শাড়ীর আঁচল জ্বলে উঠবে করোনার শ্বাসরুদ্ধ কোর্টের মিথে । কাদম্বরী নামে কোন ফুল নেই । আফিম বাগান খুঁড়েও পাওয়া যায়নি কোন নিঃসঙ্গ স্পেসিমেন । বুনিয়াদ ভিটার ভিড়ে আজো কাদম্বরী কাঁদে। শত বছর ডিঙিয়ে সে রোদ হয়ে…


Besh Bhalo laglo pore