সীমান্ত – সৌরভ দাস
সীমান্তের দিকে..
(১) সদ্য ফিরেছে ঘরে ,কপালেতে ক্ষত রাস্তা নিষিদ্ধ ছিল ,রাতও সৌভাগ্য এনেছ বয়ে ? জর্জরিত পা শঙ্খধ্বনি হোক লক্ষ্মী আগমনে (২) এখনো ত্রিশূল হাতে ঢালের আড়ালে রাখা খড়ের পোশাক দুর্গতিনাশিনীর তার পাশে ভাঙা শিশি । তার পাশে সভ্যতার রড না ,এ রক্ত নয় দেবীর যোনির
সময়টা ১৯৫৭ আমি তখন সদ্য ইংল্যান্ড থেকে গ্রামে ফিরেছি৷পেশায় ডাক্তার৷ ডাক্তারি ডিগ্রি আনতে পারি দেওয়া ইংল্যান্ড৷দাদুর আদেশ মতন অনিচ্ছা সত্বেও ফিরে আসতে হলোদেশের বাড়ি কাটোয়া…… কাটোয়ার জমিদার বংশ আমাদের৷দাদুর বলাই ছিল পাশ করেই গ্রামের লোকের সেবার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে দিতে হবে৷দাদুর বানানো দাতব্যচিকিৎসালয় তে গিয়ে নিজেকে উৎসর্গ করে দিলাম৷৷ সেই সঙ্গে শুরু হলো…
দিনের আলোয় ওই চারি দিকে মানুষের অস্পষ্ট ব্যস্ততা: পথে-ঘাটে ট্রাক ট্রামলাইনে ফুটপাতে; কোথাও পরের বাড়ি এখুনি নিলেম হবে—মনে হয়, জলের মতন দামে। সকলকে ফাঁকি দিয়ে স্বর্গে পৌঁছুবে সকলের আগে সকলেই তাই। অনেকেরই ঊর্ধ্বশ্বাসে যেতে হয়, তবু নিলেমের ঘরবাড়ি আসবাব—অথবা যা নিলেমের নয় সে সব জিনিস বহুকে বঞ্চিত ক’রে দুজন কি একজন কিনে নিতে পারে। পৃথিবীতে…
নারীর রূপে আমার আকৃষ্টতা প্রাচীন৷ বিশেষ করে তাদের মুখমণ্ডল৷ ৷ নারীর মুখের চেয়ে অনবদ্য শিল্প কিছু নেই ৷ মাঝে মাঝে অদ্ভুত অনুভূতি মনে দানা বাঁধে… যা কেবল স্বপ্ন সীমাবদ্ধতায় সমাপ্তি হয় না৷৷ নিতান্ত হ্যাংলার মতো তার স্পর্শ পেতে চায়৷ তার গভীর ভর্ৎসনা-পোড়া চোখের ক্রোধ সহ্য হয়ে ওঠে৷ যা অনিচ্ছা সত্ত্বেও দেখি কোনো পার্শ্ববর্তী নদী, লেক…
একটি কাব্য ও তাহার খোসা ১. হে আলোচ্য জীবন! সঠিক শব্দটি আমি খুঁজিতেছি শূন্য পূরণের নিমিত্তে। এত নগণ্য শস্যের সূচি। এত আলোর অভাব। দূরত্ব হেতু আমি পৌঁছাইতে অপারগ তোমার ঔষধি অবধি। অথচ একটি দুটি গান পাইলে মাঠের ঘুম ভাঙিত। সহজ হইত মাটি। দেখো কী আবেগ করিয়া আসিতেছে দিগ্বলয় জুড়িয়া। কত করুণ ওই সজল। হে অপঠিত…
মা তোমাকে আঁকার জন্য ভাষা পাইনা আমি হাতড়ে বেড়াই, শব্দ খুঁজি কিন্তু পাইনা তোমার হৃদয়ের অনন্ত ঝারলন্ঠনকে নাম দেওয়ার শব্দ পুড়তে দাওনি কখনও দাওনি আমায় গলতে তোমার ওই দুহাত দিয়ে আমার ক্ষত যত ছিল সব নিয়েছো টেনে নিজের বুকে ঘুম পাড়িয়ে আমায় নিজে থেকেছো নিদ্রাহীন দিনের পর দিন তোমার চোখ, নাক, চুল বেয়ে নেমে আসা…