সীমান্ত – সৌরভ দাস
সীমান্তের দিকে..
গ্রামের নাম গৌরীপুর। গৌরী কন্যার মতই তার রূপ। প্রকৃতি তার রূপের সমস্ত উপচার দিয়ে রূপসী করে তুলেছে গৌরীপুরকে। দিগন্ত বিস্তৃত মাঠ,ছুটে চলা নদী,সবুজের ছায়াবীথি তার রূপে যোগ করেছে অনন্য মাত্রা। জেলা শহরের অদূরের মেঠোপথ ধরে নদী পেরুলেই দু চার গাঁ পরে গৌরীপুর। গৌরীপুরে একসময় হিন্দু মুসলমান সুখে শান্তিতে বাস করত। কিন্তু দেশ বিভাগের সময়এগাঁয়ের অনেকেই…
নিষ্ক্রমণ ইচ্ছের উপর রাখে ভোরের বাঁশি এই যে বাজনা বাজে আলো আঁধারের মিলিতরেখায় আর দূরে সরে যায় সমস্ত উপেক্ষা, আমার ভিতর ছড়িয়ে পড়ে নীল ধ্রুবতারা—ভাঙা ভাঙা বাদামি ত্বকের শ্যাওলা পরিত্রাণ চায়—সমস্ত নোটিফিকেশন ছাড়াই জ্যামিতিক বিন্দুরা নিষ্ক্রমণ ইচ্ছের উপর রাখে ভোরের বাঁশি সে এক অনন্ত পথের গ্রিনলাইট, ফ্লাইওভার ছিঁড়ে সাগরকোনণ থেকে উঠে আসে গুচ্ছ গুচ্ছ ফার্ন—…
চতুর্দিকে চাপ চাপ রক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে মিত্রপক্ষ নাম দিয়েছে “বিপ্লবের রক্ত”! আর শত্রুপক্ষরা নানা নামে অলংকৃত করে চলেছে। বুদ্ধিজীবীরা স্ক্রিপ্ট হাতে তৈরী ক্যামেরার সামনে বসতে। প্রশ্ন করলাম তাকে “আমাকে একটু বুঝিয়ে দেবেন, একটি দুবছরের কোমল শরীরের রক্ত বিপ্লবকে ঠিক কতখানি সাফল্য মন্ডিত করবে??” অথবা ওই রাস্তার মোড়ের চা এর দোকানের দিদিমার রক্ত কতটা এগিয়ে দেবে…
আলো থেকে অসুখের দিকে যেতে আস্ত এক সরাইখানা, আঁশটে, স্যাঁতস্যাঁতে পাকানো তেলছোপ। লেগে যেতে যেতে সম্পর্কের তলায় আরো মোচড়, ওপর থেকে নিচ। ধিমে আঁচে স্মৃতি রেঁধে যাই রোজ পাত পেড়ে বসে থাকে অভুক্ত সংসার।
ছাদের একচিলতে রৌদ্র ছুঁতে চাওয়া রবির কিরন উদ্ভাসিত অনুরনণে সেই প্রথমবার… শুকনো পাতার মর্মরধ্বনি আজো শুনি ঐ বুঝি তুমি এলে? চেনা চৌকাঠ দোলনা আমার না বলা লুকোনো দুপুর পরশে নাজানি কি হরষে আঁখিতলে কাজললতা জ্বলে খাঁচার পাখীর ডানার ঝাপট কুটে মরে দেয়াল থেকে দেয়াল
ভোর হোলো যে, ও মেয়েটি জাগো, লক্ষী হয়ে অনেক বছর ঘুমিয়েছিলে, এবার অবাধ্য হও, কিংবা একটু অলক্ষীও, জোর গলাতে নিজের প্রাপ্য মাগো। অসম্মানে একাই রুখে দাঁড়াও, আঘাতে দাও প্রতিঘাতের শেল, মেয়েলি জীবনের খোলস খুলে এখন থেকে নারী হয়ে ওঠো।