|

কামান – মানস চক্রবর্ত্তী

শেয়ার করুন
ওটা কি ?
ওটা ? ওটা কামান , সোনা ।
কামান ! ওটা এখানে কেন মা ?
স্মৃতি বোলতে পারো ।
কিসের স্মৃতি মা ?
যুদ্ধের ।
ওও । যে যুদ্ধে বাবা মরে গেছে ?
শেয়ার করুন

Similar Posts

  • |

    অযাচিত – নাগরিক

    আজ বড় মেঘলা আকাশ, বোধহয় সূর্যের মন খারাপ, তাই অ্যালার্ম বাজল না। সকাল এখানে মাটির অনেক ওপরে, এই কার্নিশে হাতছানি দেয় আলো, তবু রাত্রির মরচে লেগে থাকে বাহারি আস্তিনে কপাটে।  সোহিনী এই জনালায় সকাল দেখেছে চিরকাল, সেই সকালে টিকটিকি মুখে করে আনত মাছরাঙ্গা পাখী, তারপর বৃষ্টিতে ধুয়ে তার ডানায় গজাত ঘুমভাঙ্গা ঘাস। ঘাসের ডগায় পরাগরেনু…

  • পেট – সেলিম মন্ডল

    এমনভাবে নখ খুঁটে খাচ্ছ মনে হচ্ছে, নেলকাটারের দোকানগুলো ধর্মঘট ডেকেছে তোমার ধর্মঘটে আপত্তি ছিল অথচ, আজ নখ চিবানো থামাচ্ছ না ডাক্তারবাবু বলেন, পেটের রোগের সঙ্গে নখের বিরাট সম্পর্ক তোমার কোনো ধরা ডাক্তার নেই কিন্তু পেটের জন্য চেরিনখ খোঁটো সরুগলির মাথায় গলিতে নীচুস্বরের মিছিল মিছিলে নখহীন নখমালিকদের অসামঞ্জস্য ভিড়

  • দাগ – পার্থ রায়

    টুবলুর অ্যাপেয়ন্টমেন্ট লেটারটা একটা মুক্তির পরোয়ানা হয়ে এল মানসীর কাছে। মনের আনাচে কানাচে আজ পালক ধোয়া ঝরণা ধারা। এক ঝাঁক পায়রা যেন ডানা মেলে বকবকম করে বলে চলেছে “মুক্তি, মুক্তি, মুক্তি”। এক মুহূর্ত দেরী করেনি মানসী। ফোনে কাজ ছেড়ে দেবার কথা জানিয়ে দিয়েছে। সেই সাথে কয়েক বছর আগে ছেলেকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করল। দেবোত্তম অকালে…

  • অপরিচিত – চন্দ্র

    চিনতে পারছ আমায়? রোমকূপ মোর উল্লাসিত, জয়ের রক্ত জামায় উদ্দ্যত ওই তলোয়ার আজ কার সাধ্যি থামায়, চিনতে পারছ আমায়? আমাকে তোমরা লেলিয়ে দিয়েছ অস্ত্রকে করে বন্ধু আমি বয়ে গেছি নিলনদ থেকে নেভা নদী হয়ে সিন্ধু। আমার মৃত্যুতে বলিয়ান হয়ে সভ্যতা কর চাষ, আমিই কেড়েছি আমার আপন সিজারের নিশ্বাস। আমিই যদিও স্বাধীনতা আনি ধ্বংসের ফেরি করে…

  • যুদ্ধ এবং আজকাল – শুভশ্রী পাল

    যুদ্ধ হলে ঠিক কি হয় তা নিয়ে আমার ধারণা পরিস্কার নয়। রাজনীতি এবং সমকালীন উচ্চমার্গীয় বিষয়েও ওয়াকিবহাল না হওয়ায় যুদ্ধের কারন টাও বেশ আবছা। ছোটবেলায় আঁকার স্কুলে যেতাম তখন কারগিলের যুদ্ধ হচ্ছে। সবাই যুদ্ধের ছবি আঁকত তখন। জলপাই রঙ টা বানাতে পারতাম না তাই হলুদ পোষাকে স্যাপ গ্রীন দিয়ে আঁকা হত আমাদের সৈনিকের ছবি। তখন…

  • | |

    উন্মত্ততা – ঐন্দ্রিলা মহিন্তা

    পৃথিবী যখন উন্মাদ-কেন্দ্রীয় উল্কা বলয় , সমস্ত তার গুটিয়ে স্পর্শক-বরাবর তুমি মহাশূণ্যে আছড়ে পড়েছো ! হাত-পা চিরে লালচে স্রোতের মাথায় বন্দুকধারী জওয়ান — ধর্ম না জানায় একগুচ্ছ হেমলক মুখে গুঁজে দেয় । নীলচে বৃত্ত সারা শরীরে আলতা ঢেলে স্নান সেরেছে ; পতাকারা গলা অবধি ডুবে পায়ে ধরে শ্বাস-ভিক্ষে করে । ক্লিশেড শরীরেও ধর্ম , জাতি…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *