শান্তি চাই – মিঠু নাথ কর্মকার

শেয়ার করুন

খেললে তো অনেক রক্তের খেলা,
ইতিউতি ছড়ানো শবের মেলা,
এনেছো ডেকে অকাল বসন্ত,
হিংসার আগুন জ্বলছে অনন্ত,
নিয়েছ কেড়ে কতো নিরীহ প্রাণ,
অনাথ হয়েছে অগণিত সন্তান,
বিবর্ণ করেছ সিঁথি, তোমার দীর্ঘশ্বাসে,
মায়ের শূন্য কোল চোখের জলে ভাসে,
ভাইকে পাঠিয়েছ অচিন পরপারে,
বোনের নিস্ফল আকুতি তোমার দরবারে,
মৃত্যুপুরীর শোকের বেদনার্ত হাহাকার,
তোমায় কি করে না একটুও জেরবার?
ধ্বংসস্তূপের নীচে ভয়াবহ নির্মমতায়,
তোমার কদর্যতা লেখা রবে ইতিহাসের পাতায়,
শোনো ঐ মন্দির মসজিদ চার্চের ধ্বনি,
অনুরণিত হচ্ছে শান্তির বাণী ||

শেয়ার করুন

Similar Posts

  • কাজী জহিরুল ইসলামের কবিতা

      খোঁজাখুঁজি অন্ধকারে পা বাড়ালাম, শব্দ হলো আস্তে লুকিয়ে রাখা ড্রয়ারখানি খুলে হাত রেখেছি রাতের নাভিমূলে আলোর নিচে অমন করে গোপন খুলে হাসতে? কর্ণের উত্থান দাঁতায়ন ঘটেছিল ভিন্ন দুটি ধর্মসভা-জন উদ্বেগের কোনো এক দূর মোগল-বিকেলে কবির মানবতা-প্রবণ কলম মিলনরাত্রি গেয়েছিল নির্জন সন্ধ্যায়। উচ্চাকাঙ্ক্ষী নেটিভ মহাভারতের অন্ধকার চাদরে আদর বুলিয়ে ফোটায় কিছু শিক্ষাতারা সাহেবের বিলেতি বাগানে…

  • |

    গৌরব চক্রবর্তীর কবিতা

    গৌরব চক্রবর্তী ১৭-০২-২০১৯ আমার নিজস্ব ভাষা আসলে বেদনা এ ভাষায় আমি বেশ কেঁদে নিতে পারি এই ভাষাতেই রোজ গুলি খাই, মরি মৃত্যুর পবিত্র ভাগ কাউকে দেব না প্রকাশ্য শব্দে তো নয় পরোক্ষ অক্ষরে নিতান্ত অপ্রেমে নয় নিয়তি তাড়িত তবুও কাঙাল– এই ভাষাতেই প্রীত ভাষাকে চুম্বন করি ওষ্ঠে ও অধরে রাজপথ দিয়ে হেঁটে যেই ভাষা যায়…

  • যুদ্ধ এবং আজকাল – শুভশ্রী পাল

    যুদ্ধ হলে ঠিক কি হয় তা নিয়ে আমার ধারণা পরিস্কার নয়। রাজনীতি এবং সমকালীন উচ্চমার্গীয় বিষয়েও ওয়াকিবহাল না হওয়ায় যুদ্ধের কারন টাও বেশ আবছা। ছোটবেলায় আঁকার স্কুলে যেতাম তখন কারগিলের যুদ্ধ হচ্ছে। সবাই যুদ্ধের ছবি আঁকত তখন। জলপাই রঙ টা বানাতে পারতাম না তাই হলুদ পোষাকে স্যাপ গ্রীন দিয়ে আঁকা হত আমাদের সৈনিকের ছবি। তখন…

  • |

    বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় -এর দশটি কবিতা

    নিরাপদ মাননীয় মানব সমাজ ‘I smell dark police in the trees’. দীর্ঘ দেবদারু বীথি আজ কোনো আকাশ দেখে নাএখন আকাশ জুড়ে নষ্ট চাঁদ, শুরু হবে পিশাচের নাচ; এখন বাতাস দগ্ধ দুধকলা দিয়ে পোষা সাপের নিঃশ্বাসে… ভাল আছে—নিরাপদ—আমাদের মাননীয় মানব সমাজ॥ [রাস্তায় যে হেঁটে যায় / প্রথম প্রকাশ: ১৩৭৯] কবিতা পরিষদের ‘বইমেলায়’ আমরা সবাই চাঁদের আলোয়…

  • জিয়া হকের পাঁচটি কবিতা

    ক. বোধগম্য নও, তবু হেসে ওঠা ধর্ম আমারমেরুদাঁড়া ভেঙে যায় রোজ রাত্রিবেলামানুষের ভাষা যেন বুঝতে পারি নাকাউকে পাই না বলে ঈশ্বরাদি ডাকিঈশ্বরকে ডাকি বলে কাউকে পাই নাক্ষমাশীল তিনি—এমনই শুনেছিমায়েদের চেয়ে মাতৃময়মাতৃময়ী না লিখে তাকে আমি পুরুষে রাখলাম‘করুণা করুণা’ বলে ডাকি সেই উঁচু নীরবতাআমার কথারা ঘোরে মনের জঙ্গলে আমারপশুমাংস চাই না আর চাই একটা গাভীর শাবকবিশ্বাস…

  • অরিত্র শীলের পাঁচটি কবিতা

     শিথিল পেশির মেধাস্বত্ব এইমাত্র মৃত শ্রমিকের পিঠে, নামুক বৃষ্টি মাঠ নিঃশ্বাসে নেই অনুতপ্ত ক্রেন নিঃশ্বাসে নেই তলপেটের ঘ্রাণ বৃষ্টির জল ছুঁয়েছে কীর্তিহাট পেশিতে পেশিতে ইঁটের তাগাড় নুনমাখা ক্যাম্পখাট ডানাছিঁড়ে মরা মাসে একা একা পাখিদের চেয়েও উঁচু দিয়ে উড়ে বাতাসে দিয়েছে ছ্যাঁকা শূন্যের সব দুঃখকীর্তি ভরে বটের শিকড় এলেবেলে গেছে মরে চাতকের ঠোঁট, ঠোঁটের খিঁচুনি, উনুনের গায়ে স্যাঁকা নরম ঘাসের যেতে বসেছিল স্তম্ভবিন্দু…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *