|

জীবাশ্ম – কল্পরুপ পাল

শেয়ার করুন

পৃথিবী চাটছে একটা ধূষর রোদ
সকালের কৃষ্ণচূড়া ঝলসে
মৃতপ্রায়
কফিন জিরিয়ে নেয় ঘাসের
ছায়ায়;
ঘাসেরা বড়ই নির্বোধ!
ধারাল মাঞ্জা,উড়ন্ত ঘুড়ি
ছাদ নয়,আকাশ হবে ছিনতাই,
হিটলারেরা নাড়াচ্ছে
লাটাই
তাই ধফ্ করে থেমে গেল
তোমার তুবড়ি।
ঝকঝকে প্রাসাদ,বিজয় উল্লাস
ম্যাহেফিলে জীবন ষোলোআনা,
শুধু প্রাসাদই জানে তার
ইতিহাস
পায়রাগুলো যে আর বসে না!

শেয়ার করুন

Similar Posts

  • এসো রাহুল (ইরাকী আবদার) – শাল্যদানী

    # ভালোবাসা এতদিনে দুতরফায় নীল হলো। কার্পেটে ক্যানভাসে না পাঠানো চিঠি, আসলে কবিতা। অতঃপর কবি নোবেল পেলেন। # খুব আনন্দের অন্দরমহল আজ, প্রুফশিটের ভীতি উধাও। জমিয়ে প্রেম মজলিশি মেজাজ। কবির অন্তঃপটে রাহুল… # কবিতা আজ কথাকলি এক্সরে করা মহাতপা পেন, সুষুম্না ধরে নেমে আসা লাইন। কবির পর্নোগ্রাফি কবিতা হলো। # ইতি নর্মাল প্রেমিক… পেনের মতো…

  • অরূপরতন হালদারের পাঁচটি কবিতা

    ১ অবদমন বেড়ালের থাবার নীচে উদ্ভূত গানেরপ্রতিটা নিঃশব্দ এঁকেছে আমার দেওয়ালে,আয়নাটি স্বপ্নের শ্বাস মুছে নেয় প্রহরে প্রহরে,তার মকররেখায় ক্লান্ত সূর্য, তবু ভেঙে যাওয়াথেমে আছে লক্ষ্মণরেখায়। পর্দার বিভঙ্গ দেখেতুমি উন্মত্ত হয়েছিলে, ক্ষিপ্ত পতঙ্গের মতো শিসউড়ে গিয়েছিল তোমার গলাবন্ধ থেকে—সেসবদিন আজ ক্লিশিত পানপাত্রে পড়ে আছে, তুমিওনখের রং পাল্টে ফেলেছ কবেই। কমলা ঝরিয়ারসন্ধ্যা ফিরে গেল, এবার শনির থানে…

  • মৃগশিরা আর কালপুরুষ – গৌতম চৌধুরী

    ১.যে-সর্বনামকে বিদায় দেওয়া হইয়াছিল ঘোর কোনও তমসাতীরে, ঘুড়িটি ভাসিতেছে, এতই উঁচুতে, যে কাটিয়া যাওয়া টের পাওয়া যায় না। মেঘ জমিলে চিলেরাও সেইখানে। তাহাদের চোখে নদী সামান্যই দূরে। জলই সম্পর্করেখা। বন্দর বলিলেই কেন বৃষ্টির কথা মনে হয়। তাহার কত লিপ্ততা, ঘাম ও মুদ্রা বিনিময়, তবু পথে পথে ভিজিবার আমন্ত্রণ। রংবেরঙের কাপড় কাচিয়া মেলিয়া দেওয়া হইয়াছে প্রান্তরে।…

  • জাদু – শুভজিৎ দাস

    দুধের মলমে যত মেরামত পুষে রাখি বুকে,কুম্ভ শিথিল করি, নুন-রঙা রাগ, উৎসুকে।পাহাড়ি ফুলের পায়ে দেবতার হাত খুলে রাখি,ডানা বন্ধক রেখে মানুষ হয়েছে প্রিয় পাখিআজকে উড়াল দিক ফ্যান্টাসি ফ্যান্টাসি খেলানিয়মেরা ভেঙে গেলে উবে যাবে সব অবহেলা। অপার ইথার থেকে মানুষের মুখ ভেসে আসে,নগ্ন নৃত্যে তারা শিশুদের সরগম-এ হাসে।।

  • জয়ীতা ব্যানার্জির পাঁচটি কবিতা

    সমস্ত সূর্যাস্ত গেল প্রার্থনাবিহীন ১ তুমি সে অভাববোধ। আত্মরতি অথবা সঙ্গমকালেচোখের অবাক দৃষ্টি–সজলতার বিবিধ কারণঅধিক সচেতনতা, ততোধিক নিরুদ্বেগে ফিরে যাওয়াপোশাকের কাছে। অনুশোচনার মতো দ্বিধাগ্রস্ত এইপ্রায়ান্ধ আলোর নীচে স্বচ্ছ পর্দা টানা আনন্দ মুকুরমেয়াদোত্তীর্ণ ফুলের কাছে আমরা তবু স্মৃতিচারণশিখি। অনাবিষ্কৃতের মোহে শিখি ব্যয়, ভ্রম ও ভণিতাতোমার করুণা আজও সমান অসহনীয় মনে হয়তবু যে কোনো ক্ষতেই আমাদের প্রথাসিদ্ধ…

  • |

    স্থাবর ও জঙ্গম – সারা বসু

    শুধু পিছলে যাওয়াটাই স্থির। শব্দ তুমি শব্দ তুমি চক্রবৎ। নোঙরমাত্রই যোজনা। বিপদে মোরে রক্ষা করো এ প্রার্থনা ছিলওনা দুর্বলের। কারণ বিপদের ঘাস জন্মায় না হাতের তালুতে। হাতে জব্দ, বাকিরা ভবিতব্য। দীপ্তিমান লুব্ধক দেখে পথ চলে। আমাকে তুমি নিয়ে চলো সখা,আমি পিচ্ছিল চিনিনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *