Similar Posts
শ্রেয়সী গঙ্গোপাধ্যায়ের পাঁচটি কবিতা
বসন্ত পূর্ণিমা রোজ সকালকে বলছি আকাশের নামান্তরআমার তোমার মাঝের এই এক তীব্র প্রত্যয়এভাবে আমি ও তুমির সাংসারিক মিঠাতানবলি মাতৃত্ব বুঝিয়ে দাওবলে যাই দাম্পত্য কেন-নাবলা যায় না নীরবতাহাক্লান্ত বসন্ত!পূর্ণিমা খাচ্ছি এখন মাঝরাতক্ষুধা, অশ্রুর অস্তরাগএ বিচলন সময়ের হতদ্যমমাংস রান্নার রংটা তিতকুটেমাংস রান্নার স্বাদটা এমারল্ডবদ্ধ উঠানে মঞ্চ আবির, দোলের যাত্রাএত সোচ্চার! যেন নাভির উচ্চারণহাঁটু ভাঁজ করে ক্ষমা চাইছি…
গুচ্ছ কবিতা : অনূদিত আমি – বেবী সাউ
এক। আমাকে সামান্য জেনে, বের করে এনেছ তুমিওবিভক্ত ধাতুর মতো। বারবার অবকাশ দেখেএই বরফের দেশ, এই নুড়ি পাথরের দেশঅচেনা যেমন ছিল, পরিচিতহীন বোধে তাওকৌতুক বিশ্বাসী আর লেনদেন ছেড়ে ভাঙা পথ…সামান্য চকলেট লোভ প্রত্যাশী আমিও, পিপিলিকামুখে করে নিয়ে আসি মিথ্যে পরিচয়, হাতছানি অথচ, যেতেই হবে; এই পরিযায়ী বেশ ছেড়েদেশ ছেড়ে; সহজেই; নিপুণ খুনির মতো ভয়নেই, আশা…
মুসাফির – স্বপ্ননীল রুদ্র
গুলাম আলির গজলের মুসাফিরের মতন একটি আত্মহনন অভীষ্ট শুঁকে শুঁকে আমাদের শহরমুখী হয়েছিল। পকেটে আংশিক উঁকি দেওয়া রুমালের মতো এক বৃক্ষবয়ন-প্রাণিত গলি নিরবচ্ছিন্ন ছায়ানির্ভর অবিবাহিত বাড়ির নামফলক রেখেছিল তার উপোষ-ভারের ঠোঁটে… নেমপ্লেট খেতে খেতে উপাদেয় ঢেকুর তুলেই তাক থেকে পেড়ে নিয়েছিল ঘুম-উপন্যাস সমগ্র — বরফলজ্জিত বিছানায় পাঠ-প্রতিক্রিয়া শুয়ে… কার্ণিশে ছাদে উত্থিত আনন্দঘন…
গুচ্ছকবিতা – সুদর্শন প্রতিহার
(১) সূর্য ওঠা থেকে ডোবা অবধি তুমি উজ্জ্বলা হৃদমাঝারে … কালির দোয়াতের সেই হামাগুড়ি আজও পঁচিশ বছরের ছবি আঁকে । (২) যে প্রশ্ন গুলো উত্তর খুঁজতে খুঁজতে আজও প্রশ্ন হয়েই বেঁচে রয়েছে সেখানেই তোমার অফিম মৃত্যু হয়েছিল । (৩) যাকিছু থেকে গিয়েছিল … অসম্পূর্ন সবই উড়িয়ে দিয়েছিলে নস্টালজিক হওয়াতে…নেশার ঘরে । (৪) যে মদিরা একটু…
ছাপ।বৈধতা – কৃষ্ণেন্দু দাসঠাকুর
সময়ে, সময়ে গলাগলি হয় চেঞ্জ হয়ে যায় লাল আলো জ্বলা গলি যন্ত্রণা দুগালে জড়িয়ে মেয়েটির বিপরীত মুখে বয়ে যাওয়া স্রোতে লেপ্টে যায় কালো রঙ নিজের সামনে আয়না, কোনদিন দাঁড়ায়নি তবু অবৈধ শিশির গুড়ো মিশে যায়– মেয়েটির অবুঝ সবুজ শিরায় পলাশ নামক শব্দ তালুর রেখায় পুরেনি মাখতে চাইনি আবির।বসন্ত এসেছে লোমকূপে তার ঝুরো ঝুরো নিসপিসে হাত…
রাজেশ্বরী ষড়ংগী-র পাঁচটি কবিতা
শব্দপ্রিয় পাখি পারানি এমন হোক, মধুকণ্ঠ গানশান্ত টেবিল জুড়ে পড়ে থাকে কিছু অভিমান তোমার নক্ষত্র খুলে পুড়ে যাচ্ছে আগুনের দেশবিষন্ন ছাই,প্রতি রাতে জেগে উঠি ম্লান-চক্ষু ভেঙে একা,শোকহীন বিদীর্ণ গভীরে ধীরে! তার অহংটুকু পোড়াতে দিও তুমি। তবু আলোর আত্মহত্যা কখনও লিখিনি।মুখের ভেতর জেগে ওঠেপাখিদের প্রিয় কোনো দ্বীপ।প্রতিটি শান্ত ভোর ঘুম ভাঙা মুগ্ধ সকাল। ভেসে থাকা জলভার,…

