Similar Posts
নবীর আগমনবার্তা – কাজী জহিরুল ইসলাম
দূরত্বের চিৎকার শুনেছিলো ক্রাচের কিশোর তখনি অন্ধকারের সাহস দুপায়ে বেঁধে নেয় সূর্য লাল হয় চন্দ্র গোল হয় বালুর নিচ থেকে উঠে আসে উটপাখিদের ডিম, ডানা ঝাপটায় নিস্ফলা পৃথিবীতে আলো-প্রান্তরের রেখার ওপর দাঁড়িয়ে শেখায় মরুদৌড় হতাশ উটপাখিদের। গাধার কাফেলাকে বলে, মশক খুলে চুমুক দাও মনিবের রক্তে, কেননা এই অরণ্য শুধু স্টালিওনের নয়। সন্ধ্যাকে থামিয়ে দেয় সমুদ্রের…
ইউনিক মেনিয়া – ফারজানা মণি
সান্ত্বনা ছিলো রিবনের গোড়ায় ব্যাঙের ছাতা ছুঁয়ে এক ফোঁটা বরফগলা চোখ।ত্রিভুজ মেনিয়ায় কারো আত্মসমর্পণ সেতুর কাছে এক সারি নৌকা।আলোক পিদিমে পুড়ে যায় লাইফবোট গন্তব্য।কারো কম্বলের কোণায় বিবর্ণ ঘটনা – যেন কেউ ঘুমিয়ে আছে দোতলা সিঁড়িপথে জোড়াপুকুরের চাঁদ কেটে দেওয়া মধ্যরাত।রেখাবিন্দু আচ্ছন্নতার অবসর।গর্ভে বেড়ে উঠছে অণুজীব শূন্যতা।
ক্ষত ঝরা স্বপ্ন – দেবনাথ সুকান্তের গুচ্ছ কবিতা
১। আর কারো প্রয়োজন নেই শুধু এই নীরবতা এবং বিচ্ছেদবিপন্ন প্রদীপ হয়ে বসে আছে আত্মার সাক্ষী দেবে শব্দ থেকে ঝরে পড়ছে ব্রহ্ম শিরা উপশিরায় তার পুনর্বিন্যাসছেঁড়া খাম থেকে বেরিয়ে বলবে সেপ্রতিটি সিঁড়ির নীচে একটি অন্ধকার কোন বসে থাকেতুমি এক অনাদি বয়স ২। এখানে স্রোত ছিল অন্তরমুখিআমি পাশাপাশি হেঁটে যাওয়া চর থেকে হারানো কিছু অঙ্গীকার পেয়েছিযে…
অনিবার্য অক্ষমতার দূরাস্ত চোখ – উদয় শংকর দুর্জয়
অকারণে চূর্ণতা জমায় শরৎমেঘ। কলতান মুখর সেইসব প্রিয় অবসর কখন যেন ফাঁকি দিয়ে এক অনিবার্যকে মেনে নিয়েছে। নিয়তি বলে কিছু নেই যে এতদিন মেনেছিল, সে এখন বেলান্তে বসে ভাবে এই গ্রীলের ওপারে মাথাটা বের করতে পারলেই আকাশজল ছোঁয়া যেত—মেঘলা—অঢেল। বুকের কপাটগুলো অতিশয় উদ্বিগ্ন, পেরুবার অক্ষমতাকে কিছুতেই পেরুনো যায় না। এর বাইরে এক বিশালতা তবু দৃষ্টি…
শ্রেয়সী গঙ্গোপাধ্যায়ের পাঁচটি কবিতা
বসন্ত পূর্ণিমা রোজ সকালকে বলছি আকাশের নামান্তরআমার তোমার মাঝের এই এক তীব্র প্রত্যয়এভাবে আমি ও তুমির সাংসারিক মিঠাতানবলি মাতৃত্ব বুঝিয়ে দাওবলে যাই দাম্পত্য কেন-নাবলা যায় না নীরবতাহাক্লান্ত বসন্ত!পূর্ণিমা খাচ্ছি এখন মাঝরাতক্ষুধা, অশ্রুর অস্তরাগএ বিচলন সময়ের হতদ্যমমাংস রান্নার রংটা তিতকুটেমাংস রান্নার স্বাদটা এমারল্ডবদ্ধ উঠানে মঞ্চ আবির, দোলের যাত্রাএত সোচ্চার! যেন নাভির উচ্চারণহাঁটু ভাঁজ করে ক্ষমা চাইছি…
বটপাকুড়ের বিবাহবার্ষিকী – সোহেল ইসলাম
১.সানাই বাজার চার বছর পূর্ণ করেওরাও মানুষের মতো আচরণ শুরু করলসর্প দেবতার থানে ফুল চড়িয়েঘাটে ধুয়ে এল গাছ অবতারের জীবনবারান্দার দড়িতে ঝগড়া মেলে দিলবিছানায় পাতল ফুলআঁকা চাদরকাঁথার চেনা সেলাই না করল না ২.একটা কোটর দরজা হলে কেমন লাগেদেখার জন্যধানের আঁটি বাড়ি ফিরছেতাল কুড়ানোর আনন্দ রওনা দিল বলেরাস্তার ধুলোয় পিছলে পড়ছে দুপুরকচু পাতায় টলটল করছে জলের…

