বন্ধনী – মোহর ব‍্যানার্জী

শেয়ার করুন
         মাতৃস্তন‍্য  পান করা
         শিশুর ছবি দেখে
      যুগল  ভ্রু হয় কি কুন্চিত?
      অথচ জামা পিছলে গিয়ে
      অন্তর্বাস দিলে  উঁকি
         সমাজ  শঙ্কিত ।
     “সুডৌল বুকের অধিকারী
       হবার”বিজ্ঞাপনের ছবি
       কাগজে    রঞ্জিত।
     অথচ সেই বক্ষ মাঝেই
    গভীর   ভাঁজ  দেখা গেলেই
     পোশাক টি  গর্হিত।
    লোলুপ দৃষ্টি কেন কেবল
     ভারী  বুকের  ওপরেই
           হবে  বর্ষিত?
   অথচ ক্ষীণকায়,সরু কটি
               তন্বীটিই
            বিশ্বে   বন্দিত।
    পতিতালয়ে  লম্ফ হাতে
     বুকের কাপড় সরিয়ে দিলে
        । তবেই   সমাদৃত।
    অথচ যখন কাঠামো শুধুই
   কেউ কি জানে প্রথম মাটি
      কোথায়  প্রলেপিত ?
শেয়ার করুন

Similar Posts

  • নষ্টা আয়নার পাপড়িগুলোতে – রাহুল গাঙ্গুলী

    গভীরতা ও সিঁদুর।(কে?) বেশী চমকায় অশ্লীল তাজমহল।চুষলে (লাল) বালি-ছাদ কেঁপে ওঠে নগ্নতা।আদর স্পর্শে ঝুরো বর্ষা রাস্তা ও পথ।মুখোমুখি প্রমুখ স্লেট-পেন্সিল মেঘ : মেথি-কপাল জুড়ে মেরুন   মেরুন জুড়ে কপাল-মেথি : মেঘ-পেন্সিল স্লেট প্রমুখ মুখোমুখি।পথ ও রাস্তা বর্ষা ঝুরো স্পর্শে আদর।নগ্নতা ওঠে কেঁপে ছাদ-বালির (লাল) চুষলে : তাজমহল অশ্লীল চমকায় বেশী (কোথায়?)।সিঁদুর ও গভীরতা পাপড়িগুলোতে আয়না…

  • সৌমেন শেখরের পাঁচটি কবিতা

    বেনামী–১ দৃশ্যত তাকে মনে পড়ে অংশত আরোগ্য আর অসুখের মাঝে যেটুকু নির্জন, সেটুকুই নরম স্বাধীনতা হিমের টুপটাপ আমাদের এই ঝরে যাওয়া গল্পের মায়ায় শিউলি ফোটে মৃদু ওমের রাতে রাতচরা পাখি’রা ডেকে ডেকে যায় দীর্ঘ দ্রাঘিমার দিকে আমাদের তেমন ডাল, পাতা নেই তবে শেকড় আছে ভালোবাসায়। বেনামী–২ শীত প্রশাখাবতী হলে শূন্য ফসলের মাঠে কুয়াশার পেখম নেমে…

  • শুভঙ্কর দাসের কবিতা

    সুড়ঙ্গস্থাপন ১আগুনের ভেতর থেকে ছাইমাখা গাছগুলোবেরিয়ে আসছে, নগ্ন সন্ন্যাসেরর মতোযা উড়ছে বেলুন, শিকড়ের দিন হয়েছে গত!২অথচ একদিন শিকড়ের শ্বাসে জেগে উঠত মাটিমাটিই তো দিত নারীর স্তনের আকার অথবাপুরুষের শরীরের ভেতর শরীরজন্মর জল্পনা অলৌকিক, বাসি খই-গুড়-ক্ষীর!৩ক্ষীরের পুতুল কবে আবার রক্তমাংসের হবেবদলে দেবে নিসর্গচিত্র, নদী-চাঁদ-পারিজাত বাগানপেটে তার রঙের পেনসিল বাঁধাচাই না প্রেমপ্রস্তাব যাকে দিই, সে হোক রাধা!৪দরজার…

  • অন্তজা – শুভদীপ রায়

    শেষ পর্যন্ত তোমার কাছেই ফিরে আসি- বারবার, ক্ষতবিক্ষত অন্তঃকরনের কোনো নিরাময় তুমি জাননা- আমি জানি, তবু অহংকারের সামনে বারবার হেরে যাওয়া অসহায়, ঠিক তোমার মতোই, খেয়াল করি – তোমার পায়ের নুপুর , শিকল হয়ে কামড়ে ধরেছে, রক্ত ঝরছে , তবু তুমি নেচে চলেছ যমরাজের বুকের উপর, তোমার লখিন্দরকে বাঁচাতে,……. কিন্তু আমি পারি নি , ভরা…

  • অভিন্ন – অরিন্দম ভাদুড়ী

    মেয়েদের শরীরে আলাদা আলাদা গন্ধ থাকে, মুখের আর বুকের গন্ধ একরকম না। প্রতিটা মেয়ের ঘামের গন্ধ আলাদা, ভিন্ন তাদের আবেদন, ইশারা। প্রতিটা মেয়ের স্বপ্নের একটাই গন্ধ- “মাটির হোক, আমাকে একটা ছাদ দিও”

  • চরিত্র – তাপসকিরণ রায়

    আমার ছিঁড়ে যাওয়া পকেটে একদিন তোমার প্রেমপত্র ছিল প্রেমিকা বদলাবার আগে আগুনে জ্বালিয়েছি সব— আমি কথা।  রাত্রি জেগে ছিলাম মনের দ্বন্দ্ব চলছিল জানি বিস্তৃত বলে গেল তার তর্জমা সাধারণ নামের মাঝে ব্যর্থতা তুমি তাকাও নি অথচ সাজানো ছিল পবিত্রতা তোমার নাক নথির কারুকাজে ধরা ছিল আমার চরিত্র।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *