নাস্তিক ভারত – সৌম্য মালিক

শেয়ার করুন
হারিয়েছি কেবল আমি বাহিরের দৃষ্টি,
চোখের দৃষ্টিতে কেবল দেখেছি কিছুদূর
অন্তরের দৃষ্টিতে সমাজটা হয়েছে চুর চুর।
ধরেছে মিথ্যা সত্যের টুঁটি চেপে
অদৃশ্য ধ্বংসলীলায় সমাজ উঠেছে কেঁপ।
দাঙ্গা,হিংসা,রক্ত নিত্য পরিচয়
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী মিথ্যে গদ্যময়।
কুকুরের মতো সুখ আমাদের উচ্ছিষ্ট হাড়ে
যুবসমাজ ব্যস্ত আজি বিকৃত জীবন সমাচারে।
ভাবাদর্শ হয়েছে নিস্তেজ,ঝরেছে শুধুই রক্ত
মৌলবাদের ধর্ম প্রচার আছে কিবা অর্থ?
 বিপ্লববাদের বদলেছে লক্ষ,বদলেছে অভিসন্ধি
মন্ত্রগুলো আমি লিখেছি
উচ্চারণ করতে পারি না।
চিনিহীন কোকোয়ার অভিশাপে;
তোমরা পার অন্তত।
-অফুরান অধীশ্বরও জানাচ্ছে বিদায় সম্ভাষণ
যুদ্ধ নয় শান্তি চাই,বন্ধ হোক রণ।।
ধর্মের ধ্বজাধারীরা  নিয়েছে ছদ্মবেশে
প্রেতাত্মার শান্ত পদচিহ্ন,
অদৃশ্য অমরত্বের পাশে কাঙালের আবেশ।
অনেক খুঁজেছি রক্ষাকর্তা অন্ধকার দেবদারু বন
দু বেলা অন্নের আশায়,আজও আমরা ভিক্ষুক শ্রমণ।
ধর্মের নামে ঘুচে যাক বিভেদ,মারামারি
মৃত্যুকেই স্বাগত জানাক শয়তান মুখোশ’ধারী।
দেব প্রাণ দেব;মুক্তির কোলাহলে
পরমেশ্বর,যীশু,সক্রেটিসের দলে।
রক্তের নেই ধর্ম বিভেদ,কর্ম ক্ষেত্রেও মোরা এক
মুখোশধারী সমাজবাদী;
এই মিলন তীর্থ দেখ।
দেখতে চাই নতুন পৃথিবী,পেতে চাই সাম্যের সংবাদ
বিপর্যস্ত গণতন্ত্র,কন্ঠরুদ্ধ,বুকে আর্তনাদ।
মিলন গ্রন্থে অজেয় এই শতাব্দী গ্রথিত হিন্দুস্থান
এরই মধ্যে Digital India স্বপ্নের সন্ধান।
জনস্রোতে ভাঙবো মোরা অন্যায়ের বাঁধ
বাংলাকে ভালোবেসে জানাবো প্রতিবাদ।।
শেয়ার করুন

Similar Posts

  • নষ্টা আয়নার পাপড়িগুলোতে – রাহুল গাঙ্গুলী

    গভীরতা ও সিঁদুর।(কে?) বেশী চমকায় অশ্লীল তাজমহল।চুষলে (লাল) বালি-ছাদ কেঁপে ওঠে নগ্নতা।আদর স্পর্শে ঝুরো বর্ষা রাস্তা ও পথ।মুখোমুখি প্রমুখ স্লেট-পেন্সিল মেঘ : মেথি-কপাল জুড়ে মেরুন   মেরুন জুড়ে কপাল-মেথি : মেঘ-পেন্সিল স্লেট প্রমুখ মুখোমুখি।পথ ও রাস্তা বর্ষা ঝুরো স্পর্শে আদর।নগ্নতা ওঠে কেঁপে ছাদ-বালির (লাল) চুষলে : তাজমহল অশ্লীল চমকায় বেশী (কোথায়?)।সিঁদুর ও গভীরতা পাপড়িগুলোতে আয়না…

  • সৌমাল্য গরাই-এর পাঁচটি কবিতা

    চক্রব্যূহ ১. বিসর্গ ফুটেছে যেন পাশাপাশি রাখা দুটি চোখসীমান্ত পেরিয়ে এসেছে যে আলোদূততাকে তুমি কোন্ মৃত্যু দেবে? শিয়রে নদীর শ্বাস, বটবৃক্ষ মূলেশুনেছি শুঁয়োর গায়ে কাঁটা ফুলের নিশ্বাসেপ্রজাপতি হয়, তেমনই দেখেছিবীজপত্র ফেটে বের হয় অতল শিকড়এইসব ক্ষুদ্র তুচ্ছ প্রাণ তোমাকে প্রণামকরি করজোড়ে। জেনে রেখোআদতে মানুষ মাছ, গর্ভজলে সাঁতার পেরিয়েএসেছে ডাঙার কাছে কালচক্রপাকে ২. বিস্ময়ের পাশে বসি,…

  • |

    মঙ্গলেশ ডবরাল-এর কবিতা – ভাষান্তর: রূপায়ণ ঘোষ

    [কবি পরিচিতি: মঙ্গলেশ ডবরালের জন্ম হয় ১৯৪৮ সালে উত্তরাখণ্ডে। পরবর্তীতে কর্মসূত্রে দিল্লি নিবাসী। প্রখ্যাত ‘জনসত্তা’ পত্রিকার সাহিত্য বিভাগের পদে ছিলেন দীর্ঘদিন। শেষ দিকে ‘ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট’-এর পরামর্শদাতা হিসেবেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। হিন্দি সাহিত্যের প্রগতিশীল ভাবধারার এই কবির কবিতা মূলত সামাজিক অবক্ষয়, গণচেতনা তথা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে। ‘পাহাড় পর্ লাল্টেন’, ‘ঘর কা রাস্তা’…

  • |

    সীমান্ত – সৌরভ দাস

    শতক পেরিয়ে ধেয়ে আসছে উদ্বেলিত জনস্রোত সীমান্তের দিকে.. ইতিহাস! ধোঁয়ার আড়ালে কী খুঁজছো তার হাতে? ধ্বজা? পদাতিক নগ্নতা? শতক পেরিয়ে সীমান্তের দিকে ধেয়ে আসছে উত্তাল জনস্রোত, মানুষ! কাঁটাতার, তোমার শরীরেই ওর পায়ের রক্ত লেগে থাকবে, শেষ অবধি.. অভিযাত্রির শবের অনামিকায় আটকানো প্রশ্নচীহ্ন তোমারই চোখে পড়বে প্রথম। তবু যদি এই আজ সীমান্ত পেরিয়ে তার নগ্নতার আভরণ…

  • বালুচর – অনিন্দিতা মিত্র

    ধূ ধূ বালুচর জুড়ে শুধুই স্বপ্নীল কাব্যময়তার আবেশ। পিছুটানহীন সম্পর্কেরা নিঃশব্দে কথা কয় গভীর রাতে। জোছনার জলে স্নাত স্বপ্নগুলো আঁকড়ে ধরতে চায় যন্ত্রণাকে। ছাতিমের রেণু মেখে অভিমানগুলো খুঁজে চলে নিশ্চিত উষ্ণ বুক, রূপকাথারা নীল মেঘের সিঁড়ি বেয়ে মিশে গেছে অচেনা দিকশূন্যপুরে।মেঠোপথের করুণ সুর পাখির ডানায় ভর করে উড়ে যায় সাগরের পথে, মিলতে চায় ভায়োলিনের হৃদয়তন্ত্রীতে।…

  • ও একান্ত, ও বসন্ত – শুভ চক্রবর্তী

    পুরোনো প্রেম, এর মানে কিছু হয়? হয় রে হয়, রক্তাক্তহয়, তারপর যদি মনে হয় তাতে আকাশ মেশাব তা-ওহয়, তবে আমার সম্বন্ধকে ওইরকম করে মিশিয়ে দিয়ে?তাতে আমার শেষ চিহ্ন রেখে দিয়ে যেতে পারবো গো! আমার তো আঁচল শতচ্ছিন্ন, ধরবে ওই আকাশ ভরাপ্রাণপ্রপাত, জন্মান্তর কি নিশ্চিতরূপে মৃত্যুর নিকটেআসে, নাকি আমারই অতিবাহিত সময়ের উলটোদিকতার প্রত্যয়, একাকীত্ব, মরুশব্দ বাহকের…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *