|

দ্যা লেডি উইথ এ হিডেন ল্যাম্প – ব্রতশুদ্ধ

শেয়ার করুন

বুলেটবিদ্ধ নিঃসঙ্গ জীবন…
ছবি হয়ে বেঁচে থাকা সুইসাইডাল উপাখ্যান ।
একটা এপ্রিল ২১
আরো আসবে দাবানল হয়ে , আরো শাড়ীর আঁচল জ্বলে উঠবে
করোনার শ্বাসরুদ্ধ কোর্টের মিথে ।

কাদম্বরী নামে কোন ফুল নেই ।
আফিম বাগান খুঁড়েও
পাওয়া যায়নি কোন নিঃসঙ্গ স্পেসিমেন ।
বুনিয়াদ ভিটার ভিড়ে আজো কাদম্বরী কাঁদে।
শত বছর ডিঙিয়ে সে রোদ হয়ে ভেসে বেড়ায়-
আরো সহস্র ঠাকুরবাড়ির আঙিনায় ।

শেয়ার করুন

Similar Posts

  • |

    পশ্চিমবঙ্গ এবং – অনিমেষ সিংহ

    পারস্পরিক পর্দাটা সরে গেলে দেখি, সুগম মরুপথে সারিবদ্ধ পতঙ্গ মিছিল কোথায় যায় তারা রোজ, নত মস্তক! আমাকে ডুবিয়ে রাখে টাইগার হিল।  বহুপরে, সূর্যটা ওঠে ছায়াদের ছাদের উপরে। রাঙা হয় খোঁয়াড়ের ভগ্ন-পাঁচিল ভাঙণের রাস্তা দেখে খটাশের চোখ আর দেখে, বিধূমতী আকাশের চিল। আমাকে খাওয়ার লোভ আমারই ভিতর। তুমিও লোভোনীয় মৎসগন্ধা ঝিল; তোমাকে গোগ্রাসে খায় দখিনা বাতাসে,…

  • কাগজ সভ্যতা – সৌম্যজিৎ রজক

    ১ কাগজের মানচিত্রের ভেতর আমার কাগজের ঘর কাগজের শিশুগণ কাগজের স্কুলে যায় বড়োরাও কাগজের              কাগজেরই বসতি গড়েছে হাটে ও বাজারে পথে গিজগিজে ভিড় কেনাবেচা করে তারা, কাগজেরই বিনিময়ে করে জমিতে জমিতে কাগজের বেড়াও উঠেছে এমনকি কাগজের কাঁটাতারও সীমানা বরাবর উদ্বাস্তু কাগজেরা উদ্বাস্তু কলোনীতে থাকে মাতাল কাগজেরা মাতলামিই করে কাগজেরা…

  • ব্যাকুল খুশবু – জামাল হোসেন

    জন্মের সাংঘাতিক এই অনাগ্রহের কালে , আমাদের পবিত্র ভূমিতে মৃত্যু ভীষণ চর্চিত এখন। আমার চোয়ালে লোহিত বিস্ফোরণ দেখেই তুমি জানবে দরদী, এই মৃত্যু চর্চা আমার ভীষণ পবিত্র লাগে । বিশুদ্ধ পুরাণের মত। মাংসের গন্ধে আমার সমস্ত চেতনা নমিত হয়ে আসে। সারা শহর কামে সুবাসে ভরে দিবে, এমন একজন সুহৃদ খুজেছি অনেকদিন। আমরা শহরের লোকেরা। আজ…

  • যদি – সন্দীপ ভট্টাচার্য

        প্রথম ফোঁটার সিঁদুরে মেঘ ঘর পোড়া অন্তগহীনে বাদুলে ময়ূরাক্ষী নীরব ঝর্নার গান পাহাড় কি মনে রাখে? যদি রাখে তবে বুঁদের মূল্য অন্তহীন প্রেমজ সফরে জলজ সাদা ফুলের গন্ধ কবিতা কবরে নিকোটিন গন্ধে হরিবোল যদি ঠোঁটের প্রথম ঘাম মিশে যায় ফুলশয্যায় তবে সে বিপ্লব দীর্ঘজীবি হোক আপাত নিরীহ রাত্রে নীল বেদনা চিনচিনে ব্যাথা শিরদাঁড়া শর্তহীন…

  • অয়ন ঘোষের পাঁচটি কবিতা

    মহাকাব্য স্বরবর্ণের ভোর পেরিয়ে মুখ রেখেছে আগুনে পাঁজরের পাশে চোখ উল্টে পড়েবিশ্রাম। ক্ষতের ওপর বিশল্যকরণী প্রলেপমৃত্যুবাণ রাখা আছে গোপন দেরাজে।রোজ ডিঙিয়ে যাও এঁটো শরীরপোড়া আঙরার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়েবাসি মরা। এক তৃণভূমি তছনছ করে অন্য ঘাটে সোহাগ খোঁজেবেদের চুবড়ি। অস্থি বিসর্জন। মাংসের বল্মীকে মন রাখলেএকটা শ্লোকও দেবতার চরণ পায় না, রসিক। মানুষ সুতোর ভিতর বুনন ছিল…

  • চরিত্র – তাপসকিরণ রায়

    আমার ছিঁড়ে যাওয়া পকেটে একদিন তোমার প্রেমপত্র ছিল প্রেমিকা বদলাবার আগে আগুনে জ্বালিয়েছি সব— আমি কথা।  রাত্রি জেগে ছিলাম মনের দ্বন্দ্ব চলছিল জানি বিস্তৃত বলে গেল তার তর্জমা সাধারণ নামের মাঝে ব্যর্থতা তুমি তাকাও নি অথচ সাজানো ছিল পবিত্রতা তোমার নাক নথির কারুকাজে ধরা ছিল আমার চরিত্র।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *