ফুলের কাছে – বদরুদ্দোজা শেখু

শেয়ার করুন

 

 

ফুলের কাছে যাও

নিঃশব্দে দাঁড়াও

দ্যাখো, অবলোকন করো

অনুভব করো ওর সৌন্দর্যের প্রাচুর্য

অনুধাবন করো ওর মুখরিত মধুরিমা

অনুসরণ করো ওর অনুচ্চার প্রেমের মাহাত্ম্য

ওকে স্পর্শ ক’রে দ্যাখো, কিন্তু তুলিও না

তাহলে ও ঝ’রে যাবে, ম’রে যাবে

সৌন্দর্য ম’রে যাবে

সুগন্ধ ঝ’রে যাবে

আনন্দ  ঝ’রে যাবে

বাতাস বিবর্ণ হবে

পরিবেশ নির্বান্ধব হবে ।

 

ফুলের কাছে যাও

ফুলগাছের পরিচর্যা করো

অন্তরকে ফুল ক’রে ফোটাও

একমাত্র ফুল-ই দিতে পারে

পৃথিবীকে সুন্দরের পথ, শান্তির পথ

ফুলের কাছে যাও

হিংসা নয়, অন্তরে অহিংসার ফুল ফোটাও

ফুলের কাছেই যাও, ফুলের কাছেই

 

শেয়ার করুন

Similar Posts

  • নিমাই জানার পাঁচটি কবিতা

    ভূমধ্যসাগর ও আইজাক নিউটনের পঞ্চম গতিসূত্র একটি বিষধর ভাইপার সুবর্ণ বালির ভেতরে ক্রমশ ডুবে যাচ্ছে, অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির গাঁদা ফুলের পাতায় একেকটা ভূমধ্যসাগর আর বাবার সাদা চুলের মতো নির্জন দরজা শুয়ে আছেআমি শুধু বৃষ্টিকে অপেক্ষা করি যার কোনো আলাদা লম্ব উপাংশ থাকে না, নীল প্লাইয়ের দোকানে আইজ্যাক নিউটন পঞ্চম গতিসূত্র আবিষ্কার করবেনহরপ্পাকে ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখেছি প্রতিটি…

  • চরিত্র – তাপসকিরণ রায়

    আমার ছিঁড়ে যাওয়া পকেটে একদিন তোমার প্রেমপত্র ছিল প্রেমিকা বদলাবার আগে আগুনে জ্বালিয়েছি সব— আমি কথা।  রাত্রি জেগে ছিলাম মনের দ্বন্দ্ব চলছিল জানি বিস্তৃত বলে গেল তার তর্জমা সাধারণ নামের মাঝে ব্যর্থতা তুমি তাকাও নি অথচ সাজানো ছিল পবিত্রতা তোমার নাক নথির কারুকাজে ধরা ছিল আমার চরিত্র।

  • আঁধার-প্রবাসী – সাগর সূত্রধর

    হেথা হতে যাও, পুরাতন। হেথায় নূতন খেলা আরম্ভ হয়েছে। আবার বাজিছে বাঁশি, আবার উঠিছে হাসি, বসন্তের বাতাস বয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চলে গেছি আমি, দূরে, বহুদূরে, শত-অভিমান ভরে ফিরবো না জেনো কোনোদিন, বিদায় চিরোতরে। শুভ্র মেঘ য্যামন অস্পৃর্ষনীয় সুন্দর সুদূর আকাশে তারা-ফুল শুধুই দেখা যায় নক্ষত্র প্রকাশে। শ্রান্ত দিঘিতে ফোটে যেমন ক্ষণিকের আলো-ছায়ার খেলা তোমার জীবনে…

  • ছায়ার বিস্তৃতি – সৈয়দ কওসর জামাল

    মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রয়েছে ঘৃণা, নেত্ররোষ অপলক, স্থির আর্ত দিন, ক্লিষ্ট রাত, আমাকে দণ্ডিত ভেবে করেছিল ভিড় টলোমলো এই ভূমে, আসলে তো সাক্ষী আমি – উন্মত্ত দম্ভের এই হত্যা-হত্যা খেলা, কষ্ট পাই, যেন গান – ব্যাহত সুরের, গুমরে গুমরে ঘোরে বিক্ষুব্ধ বাতাসে, তবুও যুদ্ধের কথা কান পেতে শোনে কেউ, রোমাঞ্চ খুঁজেছে কেউ, জানেনা – ব্যর্থতা প্রতিটি…

  • পৌষালী চক্রবর্তীর পাঁচটি কবিতা

    চৌষট্টি যোগিনীর একজনকে পুরোনো জমিদার বাড়ির পরিত্যক্ত আঘাটায়জমে থাকা শ্যাওলার মতোতোমাকে আহ্বান করি,একবার এ সংসারে এসোদু-এক দিন কাটিয়ে যাও আমাদের রোজনামচায়দেখে যাও জলে ভেজা সলতে কতটা অগ্নিশলা ধারণ করতে পারে, আদৌ পারে কিনা?এই মন্দ্র মেঘে বেজে ওঠা সহজিয়া বীণে,রন্ধ্রপথে ঢুকে আসা নৈরামণি আলোতার অজস্র পতঙ্গ-প্রলাপ নিয়েআমাদের পতন উত্থানপ্রতিদিন জ্বলে ওঠেপ্রতিদিন নিভে যায় অনন্ত ব্যোমে ওহে…

  • অতনু চট্টোপাধ্যায়ের পাঁচটি কবিতা

    অবলোকন বিজ্ঞানমেলায় প্লাস্টিকের ছাউনিতে বসে পূর্ণাঙ্গ আকাশ, তারকাখচিত মণ্ডল, টরাস, ক্যাসিওপিয়া… সমুদ্র প্রাচীন এক ভয়ে খুব সন্তর্পনে হাঁটু অব্দি সবেমাত্র নেমেছি, কে যেন বলে উঠলো – “দেখো, দেখছে তোমাকে।” অস্পষ্ট সঞ্চালিকার গলা -কিশোরীর, অন্ধকারে একটা শিশু কেঁদে উঠলো , ‘ বিলয় ‘ শব্দটা তখনই হটাৎ মাথায় আসে। যে অশ্রুপুঞ্জ মেঘ হয়ে এতদিন থমথমে করে রেখেছিল…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *