শান্তি চাই – মিঠু নাথ কর্মকার

শেয়ার করুন

খেললে তো অনেক রক্তের খেলা,
ইতিউতি ছড়ানো শবের মেলা,
এনেছো ডেকে অকাল বসন্ত,
হিংসার আগুন জ্বলছে অনন্ত,
নিয়েছ কেড়ে কতো নিরীহ প্রাণ,
অনাথ হয়েছে অগণিত সন্তান,
বিবর্ণ করেছ সিঁথি, তোমার দীর্ঘশ্বাসে,
মায়ের শূন্য কোল চোখের জলে ভাসে,
ভাইকে পাঠিয়েছ অচিন পরপারে,
বোনের নিস্ফল আকুতি তোমার দরবারে,
মৃত্যুপুরীর শোকের বেদনার্ত হাহাকার,
তোমায় কি করে না একটুও জেরবার?
ধ্বংসস্তূপের নীচে ভয়াবহ নির্মমতায়,
তোমার কদর্যতা লেখা রবে ইতিহাসের পাতায়,
শোনো ঐ মন্দির মসজিদ চার্চের ধ্বনি,
অনুরণিত হচ্ছে শান্তির বাণী ||

শেয়ার করুন

Similar Posts

  • ঘোলাটে মায়া – আকাশ সাহা

    ঘষা কাচে গুমোট অন্ধকারের মাঝে, মুখ রাখি পড়ন্ত বেলায় আমার নির্ভেজাল হৃদয়ের শার্সিতে কখনও বা হাত রাখি জানালার শিকলে , কখন আবার ঘোলাটে জীবনের প্রেমহীন অনুকম্পায় হেটে চলি একমুঠো ঝড়ের আশায় জানি আমি, জানালার ওপারে, ঘোলাটে ঘষা কাচের ওপ্রান্তে পৃথিবীর আর একটা রূপ ওপর হাতে আমার জন্য, সন্ত্রাস,হানাহানি,বিস্বাসঘাতকতা.অরাজনৈতিকতা প্রেমহীন মানবত্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে. তার আলোকরাশিতে,…

  • কেবল আজ দোল নয় – অঙ্কন

    কেবল আজ দোল নয়, দোল তো শুরু হয়েছে সেদিনই যেদিন হিংসার আবির উড়েছিলো দেশ জুড়ে , একে-অপরের গালে লগিয়েছিলো যুদ্ধপ্রেম ৷ শন্তিকামী হৃদয়ে নেমে এসেছিলো গিলোটিন রক্তে বিস্কুট চুবিয়ে সন্ধে দেখেছিলো মেম৷ আজ শুধু রং খুঁজেছি… আমি রঙ খুঁজেছি শ্রমিকের ঘামে, আমি রঙ খুঁজেছি ২১দিনে পরা অনশনে ৷ আমি রঙ খুঁজেছি বেকার যুবক-যুবতীর  নিরন্তর চেষ্টায়,…

  • পক্ষপাঠ – শান্তা কর রায়

    আয়না যেন অনন্ত এক শব্দ আকর মুখ দেখে নেয় নীলবিবরে মৌসুমিরাত দৌড়ে তুমি ছুঁয়ে দেখো কবির বাড়ি দৃপ্ত মুখে পাটাতনে চলছে মিছিল । স্বপ্ন নিয়ে কবি জানি একাই মিছিল একাই তিনি জাগিয়ে রাখেন নদীর টানে রমণীয় শিশির যেন জমা হীরে ভিতর থেকে বাইরে ওড়ে পানসি ঘুড়ি । জেগে ওঠা রক্ত তখন কোঁচকানো মেঘ খরার সময়…

  • শতানীক রায়ের পাঁচটি কবিতা

    প্রবাহ ১সাধু-চলিত বর্জিত করুণা এখানে কবে কোন্ পাপ গাথা হয়ে আছে ঘূর্ণন তার গতির অঙ্গ হিসেবে আমার এই সবকিছু আগের মতো মুখটা মহার্ঘ্য কোনো মুখকে গোপন করে অক্ষরে অনেক বোধ রেশমের মতো কোমল নরম তারপর এইসব একই শব্দ একই করুণ হঠাৎ কোনো মানুষ তবে অহল্যা হয়ে গেছে ২যেখান থেকে উঠে আসে প্রাণগুলো উপড়ে বেরিয়ে আসে…

  • অঘ্রাণে – জিললুর রহমান

    ঘ্রাণ নেবো – নাসিকা উঁচিয়ে টানি; পৃথিবী কি চিরকাল অঘ্রাণেই থাকে? আমাকে তো অঘ্রাণের ধান ডেকে ফিরে শীতের আলস্য কিছুতে ছাড়ো না তুমি আমার সে শস্যদানা উঠে না দেউড়ি ঘরে সোমলতা জোছনায় গড়াগড়ি যায়, এভাবেই বুঝি পৌষমাসে সর্বনাশ আসে… দ্বিখন্ড পঞ্চমী চাঁদে ভেজা চুমু লেগে থাকে গায়ে সর্বনাশা অশ্রু জলে ভাসিয়ে দেয় ছাতার শরীর

  • দাবানলের আগে – পার্থপ্রতিম চৌধুরী

    বয়ঃবৃদ্ধ বৃক্ষের শুষ্ক শাখা, আকাশে আকাশ খোঁজে, শুধুই শূন্যতা । বসন্তের বাতাসেও, নেই ডালে সেই সজীবতা । ছায়া চায় — নীড়হীন নিরাশা, ছিন্ন ডানার প্রজাপতি , হায়! বটবৃক্ষ, তুমি বলো, সময় রয়েছে বাকি । সময় থমকে, মহীরুহর ঝুরির আড়ালে পাখিরা বাঁধেনা বাসা, ভাষা নেই কোকিলের চন্ডিমন্ডপের পাঠশালে । স্হবির পায়ের নীচে,জীর্ণ নকশিকাঁথা, লক্ষ্যহীন সময়ের —…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *