Similar Posts
দরীন তাতুর -এর কবিতা – অনুবাদ : গাজী সাইফুল ইসলাম
ফিলিস্তিনি কবি দরীন তাতুর -এর কবিতা,কবিতার আটকাদেশ অনুবাদক: গাজী সাইফুল ইসলাম একদিন,তারা আমাকে থামালহাতকড়া পরাল,শক্ত করে বাঁধল আমার শরীর, আমার আত্মা,আমার সবকিছু…এরপর তারা বলল: একে তল্লাশি করো,তার ভেতরে আমরা একজন সন্ত্রাসীকে পাবো!তারা আমার হৃৎপিন্ড টেনে বের করলসঙ্গে আমার দুটো চোখওএরপর তারা আমার অনুভূতি জুড়ে তন্ন তন্ন করে খুঁজল।আমার চোখ থেকে পেল নাড়ির এক স্পন্দন সমান অনুপ্রেরণা হৃৎপিন্ড…
ডেসটিনেশন ফ্রিডম – ব্রতশুদ্ধ
অটোরিক্সার গোলাপি প্রাণ এরপর আর ফিরে তাকায়নি । আমি হাঁটছিলাম পিছু পিছু আমার মলিন কাঁধে -একটা আফসোসের বোঁচকা নিয়ে । দমবন্ধ হয়ে পড়ে থাকা অক্সিজেন সেবিদের নার্কটিক ডিপার্টমেন্ট খুঁজছে আজ বেশ কিছুদিন । আটক হবার আগে আমিও হাঁটবো । কাঁধে উত্তাপ অথবা ধারালো কোন ছুরি গেঁথে । আমি হাঁটবো সে অব্দি যেখানে পায়রা হয়ে ধরা…
স্বর্ণচাঁপা-আরিয়ান প্রিয়স
নারীর রূপে আমার আকৃষ্টতা প্রাচীন৷ বিশেষ করে তাদের মুখমণ্ডল৷ ৷ নারীর মুখের চেয়ে অনবদ্য শিল্প কিছু নেই ৷ মাঝে মাঝে অদ্ভুত অনুভূতি মনে দানা বাঁধে… যা কেবল স্বপ্ন সীমাবদ্ধতায় সমাপ্তি হয় না৷৷ নিতান্ত হ্যাংলার মতো তার স্পর্শ পেতে চায়৷ তার গভীর ভর্ৎসনা-পোড়া চোখের ক্রোধ সহ্য হয়ে ওঠে৷ যা অনিচ্ছা সত্ত্বেও দেখি কোনো পার্শ্ববর্তী নদী, লেক…
ক্ষত ঝরা স্বপ্ন – দেবনাথ সুকান্তের গুচ্ছ কবিতা
১। আর কারো প্রয়োজন নেই শুধু এই নীরবতা এবং বিচ্ছেদবিপন্ন প্রদীপ হয়ে বসে আছে আত্মার সাক্ষী দেবে শব্দ থেকে ঝরে পড়ছে ব্রহ্ম শিরা উপশিরায় তার পুনর্বিন্যাসছেঁড়া খাম থেকে বেরিয়ে বলবে সেপ্রতিটি সিঁড়ির নীচে একটি অন্ধকার কোন বসে থাকেতুমি এক অনাদি বয়স ২। এখানে স্রোত ছিল অন্তরমুখিআমি পাশাপাশি হেঁটে যাওয়া চর থেকে হারানো কিছু অঙ্গীকার পেয়েছিযে…
ও একান্ত, ও বসন্ত – শুভ চক্রবর্তী
পুরোনো প্রেম, এর মানে কিছু হয়? হয় রে হয়, রক্তাক্তহয়, তারপর যদি মনে হয় তাতে আকাশ মেশাব তা-ওহয়, তবে আমার সম্বন্ধকে ওইরকম করে মিশিয়ে দিয়ে?তাতে আমার শেষ চিহ্ন রেখে দিয়ে যেতে পারবো গো! আমার তো আঁচল শতচ্ছিন্ন, ধরবে ওই আকাশ ভরাপ্রাণপ্রপাত, জন্মান্তর কি নিশ্চিতরূপে মৃত্যুর নিকটেআসে, নাকি আমারই অতিবাহিত সময়ের উলটোদিকতার প্রত্যয়, একাকীত্ব, মরুশব্দ বাহকের…
মন কেমনের দিনে – পাগলা গুঁফো
কত কি মনে পড়ে এমন মন কেমনের দিনে। কত কি ?টাপুর টুপুর বৃষ্টি পরে কাঁঠাল পাতায়। জানলার ফাঁক দিয়ে বাড়িয়ে দেওয়া হাতে জলের ছাট। মোবাইলে তোলা সেই বৃষ্টি ভেজা পাতা। এই তো সেই সেদিনের কথা। জানলায় বসে একমনে দেখতাম কাঁঠাল গাছের ভিজে পাতাগুলো। আজ সেই গাছটা নেই জানো। কাটা পড়ে গেছে। আজ বৃষ্টি র ছাটে…

