Similar Posts
শান্তি চাই – মিঠু নাথ কর্মকার
খেললে তো অনেক রক্তের খেলা, ইতিউতি ছড়ানো শবের মেলা, এনেছো ডেকে অকাল বসন্ত, হিংসার আগুন জ্বলছে অনন্ত, নিয়েছ কেড়ে কতো নিরীহ প্রাণ, অনাথ হয়েছে অগণিত সন্তান, বিবর্ণ করেছ সিঁথি, তোমার দীর্ঘশ্বাসে, মায়ের শূন্য কোল চোখের জলে ভাসে, ভাইকে পাঠিয়েছ অচিন পরপারে, বোনের নিস্ফল আকুতি তোমার দরবারে, মৃত্যুপুরীর শোকের বেদনার্ত হাহাকার, তোমায় কি করে না একটুও…
শুভঙ্কর দাসের কবিতা
সুড়ঙ্গস্থাপন ১আগুনের ভেতর থেকে ছাইমাখা গাছগুলোবেরিয়ে আসছে, নগ্ন সন্ন্যাসেরর মতোযা উড়ছে বেলুন, শিকড়ের দিন হয়েছে গত!২অথচ একদিন শিকড়ের শ্বাসে জেগে উঠত মাটিমাটিই তো দিত নারীর স্তনের আকার অথবাপুরুষের শরীরের ভেতর শরীরজন্মর জল্পনা অলৌকিক, বাসি খই-গুড়-ক্ষীর!৩ক্ষীরের পুতুল কবে আবার রক্তমাংসের হবেবদলে দেবে নিসর্গচিত্র, নদী-চাঁদ-পারিজাত বাগানপেটে তার রঙের পেনসিল বাঁধাচাই না প্রেমপ্রস্তাব যাকে দিই, সে হোক রাধা!৪দরজার…
পার্থপ্রতিম মজুমদারের পাঁচটি কবিতা
লাহিড়িপুর উৎসর্গঃ ৺প্রশান্ত রায়চৌধুরী কতখানি দূর? সে লাহিড়িপুর? আজও কি সেখানে ভয় এসে নামে? জোছনার আলো পড়ে নদীতীরে? লঞ্চ ছুটে যায় আঁধারকে চিরে? এইসব কথা আগে অন্তত কেউ একজন সঠিক জানত আজ সে-ও নেই পড়ে আছে হাওয়া ফুরিয়েছে আজ সব চাওয়া-পাওয়া তবু আজও আছে সে লাহিড়িপুর কত কাছাকাছি তবু কত দূর ! পরিপার্শ্ব যা তোমার…
মহুয়া বৈদ্য-র পাঁচটি কবিতা
ফোকাস বৃষ্টি পড়ছে। রামধনুর সাতরং ছড়িয়ে পড়ছে ক্যামেরার কারিকুরিতে। মা, তুমি ভিজছ, আমি দেখতে পাচ্ছি। ক্যামেরার ডিটেলে ফুটে উঠছে তোমার স্বচ্ছ চোখ, নিটোল চিবুক। এক ঢাল চুল থেকে সাতরঙা জল টুপিয়ে পড়ছে, দেখতে পাচ্ছি তাও। তোমার পাশে অস্বচ্ছ ছায়ার মতো ও কি আমি?! আরেকটু শার্প করলাম ক্যামেরাকে। এবার তোমার মাথার কাছে গোলাপি রঙের উদ্ভাস বেশি,…
মহুয়া সেনগুপ্তর দশটি কবিতা
১শত জলকণায় নামগান বাজে।জন্ম-জন্মান্তর ঘুরে ঘুরে আসেসীমান্ত লঙ্ঘিত পায়ে। অতি দূরদেশে তাঁর পথিকসাজ,মালিনীর দীন কণ্ঠহার বুকে জাগে—লতা থেকে চ্যুত অশ্রুফুল,মেঘ থেকে চূর্ণ জলধারা। দুলে ওঠে অনন্ত পথ, ছুটন্ত অশ্বখুরধার, তোমার জন্যসখা, একটি তণ্ডুল আছেক্ষুধিতের শাকান্নে ধরা। ২একটি আলোকিত নদীর পাশে শুয়ে আছি, একবস্ত্রে।আমার প্রকৃতিজন্ম মাদুর করেবিছিয়ে দিয়েছি ধুলোয়। আকাশপথে সুরের পালকি বেয়েউৎসব ঘন হয়ে ওঠে।বুকের…
ছটি কবিতা – গৌতম চৌধুরী ও দেবদাস আচার্য
দেবদাস আচার্যর কবিতা প্রাণ-গঙ্গা এত প্রাণচারিদিকে বিন্দু বিন্দু সহস্র প্রাণচিনি বা না চিনিদেখিঝরে পড়ছে যুগ যুগ ধরে ক্রমাগতযেন বৃষ্টি ঝরে অবিরত প্রাণের ভিতরে আমি আত্মহারাপ্রাণ প্রবাহে ডুবেস্নান করি অনন্ত অসংখ্য বিদ্যুৎ কণিকারছুটন্ত ভাসমান ঢেউপ্রণম্য প্রভুমৃত্যুমৃত্যু পরম শক্তিমান ও অমরতোমার পুচ্ছের গতিময় তারকাগুলিরঢেউজীবনকে ধারণ ও বহন করে করেনিত্য ধাবমান। গৌতম চৌধুরীর কবিতা নিঃসঙ্গ কাফেলা ১. অমোঘ…

