নদী, শ্রাবণী ও মফস্বল বৃত্তান্ত – পাপড়ি রহমান
ফুটে-ওঠা-ভোর দেখতে দেখতে আমি রুনিদের বাড়িতে পৌঁছে যাই। অনেকদিন বাদে কোনো মফস্বলি-সকাল আমাকে রীতিমতো ঘোরগ্রস্ত করে ফেলেছিল। শান্ত-নীরব-সমাহিত ওই সকালের ভিতর দিয়ে আমাদের অটোরিক্সা ধীরে-সুস্থে, প্রায় নিঃশব্দে চলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সেটা ছিল একেবারেই অসম্ভব। থ্রি-হুইলের ওই যান থেকে ঝিঁঝি পোকার ডাকের মতো একটানা শব্দ সরিয়ে ফেলা যায়নি। আমি সে চেষ্টাও করিনি। বরং ধোঁয়াটে-আলোর ভিতর…

