Similar Posts
গন্ধ – পল্লব গোস্বামী
হ্লাদিনীদের বুকে একটা তীব্র গন্ধ থাকে … মায়ের বুকেও থাকতো | স্বকীয়া-পরকীয়া …সবার বুকেই থাকে | কিংবা,আমার বোনের বুকেও ছিল | তোমার বুকেও একটা গন্ধ আছে ; এক আকাশগঙ্গা – ইউটোপিয়ার মতো |
ছাপ।বৈধতা – কৃষ্ণেন্দু দাসঠাকুর
সময়ে, সময়ে গলাগলি হয় চেঞ্জ হয়ে যায় লাল আলো জ্বলা গলি যন্ত্রণা দুগালে জড়িয়ে মেয়েটির বিপরীত মুখে বয়ে যাওয়া স্রোতে লেপ্টে যায় কালো রঙ নিজের সামনে আয়না, কোনদিন দাঁড়ায়নি তবু অবৈধ শিশির গুড়ো মিশে যায়– মেয়েটির অবুঝ সবুজ শিরায় পলাশ নামক শব্দ তালুর রেখায় পুরেনি মাখতে চাইনি আবির।বসন্ত এসেছে লোমকূপে তার ঝুরো ঝুরো নিসপিসে হাত…
রঘু জাগুলীয়ার গুচ্ছ কবিতা
দিগন্ত প্রার্থনালয় ১ বাতাস এসেছে কাছে কাঁপা কাঁপা গলায়কি অভিযোগ তার, বলে না কিছুই।তবু হৃদয়ে তলিয়ে যাচ্ছে সূর্যাস্তে লেগে থাকানদীর তটভূমি, সংলগ্ন কোমল রোদমেঘে মেঘে বেগুনিরঙা আচ্ছাদন— আমি তো ত্রিভুবনে প্রার্থনালয় চেয়েছি এমনি— ফুলের মালা হয়ে জোনাকিরাছুঁয়ে যাবে দেবীর চরণতল;আর রাত্রির কুঞ্জবন হতে পৃথিবীর দিকেশিশুর মতো নিরালা মুখে হাতছানি দেবে চাঁদ, অথচ যেদিকে করজোড়ে দাঁড়াইবাতাসে-ধুলোয়…
অয়ন মুখোপাধ্যায়ের পাঁচটি কবিতা
আত্ম উপলব্ধি প্রস্থছেদের কোনো জানালা- আরো কিছু নির্বাসনের নদী। শব ছুঁয়ে আছে ঢেউ। চিতার আগুন থেকে স্ফুলিঙ্গ; অস্থি কলস ভেসে যায় । রাতের অন্ধকার -নিস্তব্ধ নক্ষত্র -কেউ নেই…….. নির্বাসন। আর কেউ জেগে উঠবে না। অপলকের কাছাকাছি …. মনুষ্যত্বের নাম প্রেম। স্মৃতি তর্পনে রাত্রি নামে অন্ধ হওয়ার পর। আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি আমার চারপাশের বেঁটে মানুষের…
আবার বৃষ্টি এসেছে নেমে – দেবব্রত মাইতি
আবার বৃষ্টি এসেছে নেমে আমার ব্যস্ত শহরের বুকে আমি জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছি হাত বাড়িয়ে মেখে নিচ্ছি জলক্ণার ভিজে ভাব কেমন আছো কি করছো সবাই…
সৌমাল্য গরাই-এর পাঁচটি কবিতা
চক্রব্যূহ ১. বিসর্গ ফুটেছে যেন পাশাপাশি রাখা দুটি চোখসীমান্ত পেরিয়ে এসেছে যে আলোদূততাকে তুমি কোন্ মৃত্যু দেবে? শিয়রে নদীর শ্বাস, বটবৃক্ষ মূলেশুনেছি শুঁয়োর গায়ে কাঁটা ফুলের নিশ্বাসেপ্রজাপতি হয়, তেমনই দেখেছিবীজপত্র ফেটে বের হয় অতল শিকড়এইসব ক্ষুদ্র তুচ্ছ প্রাণ তোমাকে প্রণামকরি করজোড়ে। জেনে রেখোআদতে মানুষ মাছ, গর্ভজলে সাঁতার পেরিয়েএসেছে ডাঙার কাছে কালচক্রপাকে ২. বিস্ময়ের পাশে বসি,…

