শুধু এক মুঠো ভাতের আশায় – কৌশিক দাস

শেয়ার করুন
আমি এক মুঠো ভাতের আশায়
আজ আমি এই পথে………….
খিদের জ্বালায়
বিধবার থানে লাগিয়েছি রঙ,
সতীপনার জাল ছিঁড়ে
দারিদ্রটাকে মাড়িয়ে
এসে গেছি এই মোহল্লাদের জগতে।
এখানে ভাত আছে কাপড় আছে
আছে ভুঁড়ি ভুঁড়ি টাকা,
নেই শুধু মনসত্ব
আর নেই নারীর ইজ্জত,
আছে যৌনের রেশ
নেই প্রেমের আবেশ।
শুধু এক মুঠো ভাতের আশায়
আজ আমি এই পথে
সতীপনার ইজ্জত ছেড়ে
হয়েছি চোখের জলে নগ্নবেশ।
শেয়ার করুন

Similar Posts

  • গুচ্ছ কবিতা : অনূদিত আমি – বেবী সাউ

    এক। আমাকে সামান্য জেনে, বের করে এনেছ তুমিওবিভক্ত ধাতুর মতো। বারবার অবকাশ দেখেএই বরফের দেশ, এই নুড়ি পাথরের দেশঅচেনা যেমন ছিল, পরিচিতহীন বোধে তাওকৌতুক বিশ্বাসী আর লেনদেন ছেড়ে ভাঙা পথ…সামান্য চকলেট লোভ প্রত্যাশী আমিও, পিপিলিকামুখে করে নিয়ে আসি মিথ্যে পরিচয়, হাতছানি অথচ, যেতেই হবে; এই পরিযায়ী বেশ ছেড়েদেশ ছেড়ে; সহজেই; নিপুণ খুনির মতো ভয়নেই, আশা…

  • অপরিচিত – চন্দ্র

    চিনতে পারছ আমায়? রোমকূপ মোর উল্লাসিত, জয়ের রক্ত জামায় উদ্দ্যত ওই তলোয়ার আজ কার সাধ্যি থামায়, চিনতে পারছ আমায়? আমাকে তোমরা লেলিয়ে দিয়েছ অস্ত্রকে করে বন্ধু আমি বয়ে গেছি নিলনদ থেকে নেভা নদী হয়ে সিন্ধু। আমার মৃত্যুতে বলিয়ান হয়ে সভ্যতা কর চাষ, আমিই কেড়েছি আমার আপন সিজারের নিশ্বাস। আমিই যদিও স্বাধীনতা আনি ধ্বংসের ফেরি করে…

  • পবিত্রতার মৃত্যু – দেবারতি বি

    (এটা মেক্সিকোর পুরাণ থেকে নেওয়া গল্প,আমি নিজের মত করে লিখেছি।) কোটজালকোয়া – আমার নিজের হাতে গড়া এই মেক্সিকোয়,এই টোলানে আজ আমার শেষ দিন। শেষবারের মত একবার দুচোখভরে দেখে নিচ্ছি সবকিছু। আমার দুপাশে ভাই তেজকলিপোকা আর বোন কোরেন। আমি জানি কোরেন আমার দিকেই তাকিয়ে আছে,চোখ ফেরাচ্ছে না। আমারও খুব দেখতে ইচ্ছে করছে ওকে। না, কোরেনের দিকে…

  • অয়ন মুখোপাধ্যায়ের পাঁচটি কবিতা

    আত্ম উপলব্ধি প্রস্থছেদের কোনো জানালা- আরো কিছু নির্বাসনের নদী। শব ছুঁয়ে আছে ঢেউ। চিতার আগুন থেকে স্ফুলিঙ্গ; অস্থি কলস ভেসে যায় । রাতের অন্ধকার -নিস্তব্ধ নক্ষত্র -কেউ নেই…….. নির্বাসন। আর কেউ জেগে উঠবে না। অপলকের কাছাকাছি …. মনুষ্যত্বের নাম প্রেম। স্মৃতি তর্পনে রাত্রি নামে অন্ধ হওয়ার পর। আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি আমার চারপাশের বেঁটে মানুষের…

  • নারীর প্রতি – শাহিন চাষী

    তুমি চাইলেই পায়ের শিকল ছিঁড়তে পারো নির্দ্বিধায় যেমন ছেঁড়-সেলাই সুতার। তুমি চাইলেই প্রদীপ জ্বেলে মুছে নিতে পার অবলীলায় তোমার যাবতীয় অন্ধকার। কে দেয় তোমাকে বাঁধা? কে রোখে তোমার পথ? তুমি তো আমার জীবন সত্ত্বার জ্যোতির্ময় অহংকার। সাহসিনী হও, কেটে যাবে মেঘ, বাতাসে মিলাবে অনাহুত দীর্ঘশ্বাস, দিগন্তে আসবে আলোর বাণ। তুমি জাগলেই তোমার সীমান্ত জুড়ে বসন্ত…

  • অরূপরতন হালদারের পাঁচটি কবিতা

    ১ অবদমন বেড়ালের থাবার নীচে উদ্ভূত গানেরপ্রতিটা নিঃশব্দ এঁকেছে আমার দেওয়ালে,আয়নাটি স্বপ্নের শ্বাস মুছে নেয় প্রহরে প্রহরে,তার মকররেখায় ক্লান্ত সূর্য, তবু ভেঙে যাওয়াথেমে আছে লক্ষ্মণরেখায়। পর্দার বিভঙ্গ দেখেতুমি উন্মত্ত হয়েছিলে, ক্ষিপ্ত পতঙ্গের মতো শিসউড়ে গিয়েছিল তোমার গলাবন্ধ থেকে—সেসবদিন আজ ক্লিশিত পানপাত্রে পড়ে আছে, তুমিওনখের রং পাল্টে ফেলেছ কবেই। কমলা ঝরিয়ারসন্ধ্যা ফিরে গেল, এবার শনির থানে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *