Similar Posts
নাস্তিক ভারত – সৌম্য মালিক
হারিয়েছি কেবল আমি বাহিরের দৃষ্টি, চোখের দৃষ্টিতে কেবল দেখেছি কিছুদূর অন্তরের দৃষ্টিতে সমাজটা হয়েছে চুর চুর। ধরেছে মিথ্যা সত্যের টুঁটি চেপে অদৃশ্য ধ্বংসলীলায় সমাজ উঠেছে কেঁপ। দাঙ্গা,হিংসা,রক্ত নিত্য পরিচয় ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী মিথ্যে গদ্যময়। কুকুরের মতো সুখ আমাদের উচ্ছিষ্ট হাড়ে যুবসমাজ ব্যস্ত আজি বিকৃত জীবন সমাচারে। ভাবাদর্শ হয়েছে নিস্তেজ,ঝরেছে শুধুই রক্ত মৌলবাদের ধর্ম প্রচার আছে…
পরিণাম – গৌরী সেনগুপ্ত
দাও বেয়নেট ওকে হাঁটার সাথে ছুঁতে দাও ইস্পাত রক্ত মাখার দাও ওকে বুলেটই কিশলয় প্রাতে বিদ্বেষ শিখে যাক্ প্রথম শেখার। শিখে যাক্ সুখটুকু বয়েস চল্তে শিখুক না ভীতু শিরা হিম হতে পারে করণা পেতে পেতে ভাঁড়ামোর সাথে শয়তান হতে হবে সুতোর মোচড়ে। এইভাবে আত্মাকে বাতাসই শুষবে নিমেষেই জ্বালাবে সে সারাটা আকাশ অগ্নি বিস্ফোরণে যতো নরক…
সম্পর্ক – বিশ্বজিৎ
এত কাছাকাছি তবুও দূরত্ব… প্রতিবার বিরাম ডেকে আনে। এতদিন ধরে যে বিশ্বাস তৈরী করেছ ভ্রমণের একটা ক্ষেত্র… মুহূর্ত শাসন করছে,দুমড়ে যাচ্ছ ক্রমশ নিরাপদ…পেতে গিয়ে আরও ধাক্কা অনুভূতিজুড়ে
তৌফিক জায়েদ ও সামি আল-কাসেমের কবিতা তর্জমা: সোহেল ইসলাম
[তৌফিক জায়েদ: প্যালেস্তানীয় নেতা, কবি, সক্রিয় বামপন্থী কর্মী, নাজারেথের মেয়র এবং সমাজ আন্দোলের সঙ্গে যুক্ত তৌফিক জায়েদের জন্ম ১৯২৯ সালের ৭ মে প্যালেস্তাইনের নাজারেথে। চার ভাইবোনের সঙ্গে বেড়ে ওঠা জায়েদের পড়াশোনা শুরু হয় নাজারেথ সরকারি বিদ্যালয় থেকে। মাধ্যমিকে পড়ার সময়ই জায়েদ রাজনীতিতে আগ্রহী হয়ে পড়েন। ব্রিটিশদের ইহুদিপ্রেম এবং প্যালেস্তাইন দখল জায়েদের শৈশবকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করে।…
গুচ্ছ কবিতা : অনূদিত আমি – বেবী সাউ
এক। আমাকে সামান্য জেনে, বের করে এনেছ তুমিওবিভক্ত ধাতুর মতো। বারবার অবকাশ দেখেএই বরফের দেশ, এই নুড়ি পাথরের দেশঅচেনা যেমন ছিল, পরিচিতহীন বোধে তাওকৌতুক বিশ্বাসী আর লেনদেন ছেড়ে ভাঙা পথ…সামান্য চকলেট লোভ প্রত্যাশী আমিও, পিপিলিকামুখে করে নিয়ে আসি মিথ্যে পরিচয়, হাতছানি অথচ, যেতেই হবে; এই পরিযায়ী বেশ ছেড়েদেশ ছেড়ে; সহজেই; নিপুণ খুনির মতো ভয়নেই, আশা…
কাদম্বরী – আর্যতীর্থ
সব আগুনের একটা চকমকি লাগে। সে তুষের ধিকিধিকিই হোক, বা দাবানলের দাউ দাউ। কে জ্বলে ছাই হবে, আর কে হবে চিরদীপ্যমান, সেই দহনের বিস্তারের বহু আগে, অন্ধকারে লুকিয়ে থাকে চকমকিদের গল্প। ইতিহাস সাক্ষী, চিরভাস্বর রবিরও একজন কাদম্বরীর প্রয়োজন হয়েছিলো। সব সোনার একটা কষ্টিপাথর লাগে। যাতে ঘষে দেখতে হয়, আর কত পুড়ে গেলে নিখাদ সোনা পাওয়া…

