Similar Posts
খুনি প্রেমিকের জার্নাল – সেলিম মণ্ডল
১ তোমাকে হত্যা করতে করতে কবি হয়ে গেলাম পাণ্ডুলিপি জুড়ে ছটফট করে তোমার লাশ অন্ধ পাঠক হাততালি দেয়, গলায় মালা পরায় আমিও আনন্দ দিয়ে দুঃখ মুছি দুই নুলো হাত ঢুকিয়ে রাখি পকেটে, জ্বলজ্বল করে চোখ তৃতীয় হাতে ব্যাগভর্তি মিথ্যে বেদনা হায়, আমি! হায়, প্রেমিক! কীভাবে কবিতার বাগানে চাষ করি? ২ ঘুম না-হওয়া চোখে স্বপ্ন হত্যা করি এখানে একদিন…
ছায়ারা তোমার কাছে – দ্বিজেন্দ্র ভৌমিক
১ সময় কি মৃত? বিষণ্ণ প্রহর থেকে জেগে ওঠে স্তব। সময় রেখেছে শূন্য প্রহরের যাপনসম্ভব · নেমে আসে ঘুম। নেমে স্মৃতিরা স্থবির জড়াল পাখিটি— ডানা— ভাসমান জলে— উথলে পড়েছে মদ : ভিতরে বাহির · বিশুষ্ক প্রান্তর আর ধূ ধূ বালিয়াড়ি জনশূন্য; শুষে নেয় আলোকে স্থূল কৃষ্ণগহ্বর। পিছনে ধাবিত পুচ্ছ : নিজেকে হারায় ২ মৃতেরা আড়াল…
শিশির আজমের পাঁচটি কবিতা
ভাসমান সুপার মার্কেটের যন্ত্রণা নরম লাল জুতোর ওপর মেয়েটা ভেসে রয়েছে সুপার মার্কেটে যখন আমরা কথা বলছি আমাদের কথাগুলো মহাশূন্যে ভেসে রয়েছে বাগানের ধাবমান বাতাসে পাথরে গড়া মুখ আর কিছু ব্যথা পৃথিবীতে শান্তি আসুক আমার যদি বিশ্রাম থাকত নিশ্চিন্তে সেখানে বসিয়ে দিতাম …
৪ঠা আষাঢ়, ১৪২৮:- একটি শোকগাথা – শোভন ভট্টাচার্য
(কবি গৌতম বসু স্মরণে) অগ্নিকে ছুঁয়ে-থাকুক প্রকৃত শ্মশানবন্ধু… জল…একদিন বন্ধুর সাথে গিয়ে ‘রাজেশ্বরীদের বাড়ি’পেয়েছি প্রথম দেখা। সবে লেখা হচ্ছে ‘রসাতল’।‘অতিশয় তৃণাঙ্কুর পথে’ ছিল কি আভাষ তারই! দূরভাষে যোগাযোগ মোটেই ছিল না বলা ভালো;মাঝেমধ্যে দেখা হলে হয়ে যেত, না-হলে হত না;কিন্তু দেখা হলে সেই হাসিমুখ-উপচে-ওঠা আলোমনে পড়ছে খুব। আপনি, বিশ্বাসে-সংশয়ে আনাগোনা করতে করতে ইদানীং ডুব দিচ্ছিলেন…
মঙ্গলেশ ডবরাল-এর কবিতা – ভাষান্তর: রূপায়ণ ঘোষ
[কবি পরিচিতি: মঙ্গলেশ ডবরালের জন্ম হয় ১৯৪৮ সালে উত্তরাখণ্ডে। পরবর্তীতে কর্মসূত্রে দিল্লি নিবাসী। প্রখ্যাত ‘জনসত্তা’ পত্রিকার সাহিত্য বিভাগের পদে ছিলেন দীর্ঘদিন। শেষ দিকে ‘ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট’-এর পরামর্শদাতা হিসেবেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। হিন্দি সাহিত্যের প্রগতিশীল ভাবধারার এই কবির কবিতা মূলত সামাজিক অবক্ষয়, গণচেতনা তথা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে। ‘পাহাড় পর্ লাল্টেন’, ‘ঘর কা রাস্তা’…
অলক্ষীগাথা – তনিমা হাজরা
ভোর হোলো যে, ও মেয়েটি জাগো, লক্ষী হয়ে অনেক বছর ঘুমিয়েছিলে, এবার অবাধ্য হও, কিংবা একটু অলক্ষীও, জোর গলাতে নিজের প্রাপ্য মাগো। অসম্মানে একাই রুখে দাঁড়াও, আঘাতে দাও প্রতিঘাতের শেল, মেয়েলি জীবনের খোলস খুলে এখন থেকে নারী হয়ে ওঠো।

