Similar Posts
অপরিচিত – চন্দ্র
চিনতে পারছ আমায়? রোমকূপ মোর উল্লাসিত, জয়ের রক্ত জামায় উদ্দ্যত ওই তলোয়ার আজ কার সাধ্যি থামায়, চিনতে পারছ আমায়? আমাকে তোমরা লেলিয়ে দিয়েছ অস্ত্রকে করে বন্ধু আমি বয়ে গেছি নিলনদ থেকে নেভা নদী হয়ে সিন্ধু। আমার মৃত্যুতে বলিয়ান হয়ে সভ্যতা কর চাষ, আমিই কেড়েছি আমার আপন সিজারের নিশ্বাস। আমিই যদিও স্বাধীনতা আনি ধ্বংসের ফেরি করে…
এক পৃথিবী সুখ! – সুজাতা মিশ্র
হ্যাঁ রে মরদ, বাসবি ভালো চটকে খাবি সুখ? এক বর্ষা কদম গন্ধে ভরিয়ে দিবি বুক? রাতবিরিতে জানলা খুলে উড়িয়ে দিবি ডানা? কাকের বাসায় আসবি রেখে কোকিল সুরের ছানা? হ্যাঁ রে মরদ নিজেই আবার হবি আকাশ বুক? চাঁদের আলো হতে দিবি এক পৃথিবী সুখ?
ছাপ।বৈধতা – কৃষ্ণেন্দু দাসঠাকুর
সময়ে, সময়ে গলাগলি হয় চেঞ্জ হয়ে যায় লাল আলো জ্বলা গলি যন্ত্রণা দুগালে জড়িয়ে মেয়েটির বিপরীত মুখে বয়ে যাওয়া স্রোতে লেপ্টে যায় কালো রঙ নিজের সামনে আয়না, কোনদিন দাঁড়ায়নি তবু অবৈধ শিশির গুড়ো মিশে যায়– মেয়েটির অবুঝ সবুজ শিরায় পলাশ নামক শব্দ তালুর রেখায় পুরেনি মাখতে চাইনি আবির।বসন্ত এসেছে লোমকূপে তার ঝুরো ঝুরো নিসপিসে হাত…
অয়ন ঘোষের পাঁচটি কবিতা
যুদ্ধ পুকুরে ডুব দিয়ে তুলে আনেশামুক-গুগলি, চুনো-পুঁটিজলের সংসার টালমাটালমাছরাঙার শ্যেন দৃষ্টিতে আগামী যুদ্ধের নিশান উড়ছে। কিস্তিমাত দুঃখকে পোষ মানিয়েআড়াই চালে মাতচৌষট্টি খোপ সাজানো আছেঈশ্বর আমি মুখোমুখি। শীত দু’হাতে তাড়াচ্ছি শীতআগুন কৌশলেঅরণি শেখাল, ভিতরের কাঁপন থামলেশীত আপনা থেকেই বসন্তকে পথ করে দেয়। নিস্তার একটা কৌণিক বিন্দু থেকেমেপে নিয়ে যাত্রাপথতির্যক আলোর সাথে সুরবুকের বাঁ’দিকে এসে সংসার পাতলঘুম…
অতিকথা – গৌতম চৌধুরী
মনস্থির করিয়া একই দিকে যাঁহারা উড়াল দেন, তাঁহারাই সাধক মনেপ্রাণে এই কথা বিশ্বাস করিয়া শূন্যে ডানা মেলিয়া দিয়াছিল মানস দীঘির হাঁস মাইলের পর মাইল উড়িয়া চলিয়া যে-পাহাড়ের ঝরনাজলে তাহাদের দিনকয়েক বিশ্রাম লইবার কথা সেইখানে পঁহুছিয়া প্রথম হোঁচট খাইল সে পাহাড় কই, ঝরনা কই পাদদেশ হইতে গলগল করিয়া পীতাভ ধোঁয়া বাহির হতেছে আর বুম বুম শব্দে…
অয়ন ঘোষের পাঁচটি কবিতা
মহাকাব্য স্বরবর্ণের ভোর পেরিয়ে মুখ রেখেছে আগুনে পাঁজরের পাশে চোখ উল্টে পড়েবিশ্রাম। ক্ষতের ওপর বিশল্যকরণী প্রলেপমৃত্যুবাণ রাখা আছে গোপন দেরাজে।রোজ ডিঙিয়ে যাও এঁটো শরীরপোড়া আঙরার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়েবাসি মরা। এক তৃণভূমি তছনছ করে অন্য ঘাটে সোহাগ খোঁজেবেদের চুবড়ি। অস্থি বিসর্জন। মাংসের বল্মীকে মন রাখলেএকটা শ্লোকও দেবতার চরণ পায় না, রসিক। মানুষ সুতোর ভিতর বুনন ছিল…

