Similar Posts
চুপ কথা – অনিন্দিতা সেন
চুপ কথা যত গল্প হয়ে ছড়াক কথার মেঘ, মেঘালয়া কথারা চলে দিনের পিছে পিছে, মোহ জড়ানো আবেশ দ্যাখে নির্ভার সে আবেগ আমার আমিকে হারাই যখন ধূপছায়ারই বাঁকে! মনে রাখা সেই রূপকথারই সম্মোহনের ডাক, সব ফেলে দিয়ে ছূট্টে আসা…… বাঁশিওয়ালার হাঁক, উপেক্ষিত আদর তখন জানালার ফাঁকে ফাঁকে হৃদয় যেভাবে বুক পেতে দেয়….. নিরলস ছবি আঁকে।
একুশে ফেব্রুয়ারি – অমিতাভ গুপ্ত
অন্তহারা সৌভাগ্যেবাংলা ভাষা বেঁচে উঠল প্রেমে ও প্রতিবাদে জীবনেরউচ্ছ্বসিত এই উৎস আবার শিলচরে জাগবেহয়তো তার আগে ফাল্গুন ঈষৎ ঝরে যাবে তবুওকৃষ্ণচূড়া জেগে রইবে
তমোঘ্ন মুখোপাধ্যায়ের গুচ্ছ কবিতা – জাদুচৈতন্য
১জাদুচৈতন্যের তলায় জিভ জৈবশলাকার মতো কাঁপে—এই তির্যক বিদ্যা আয়ত্ত হল। স্থাণু পথ এমন কঙ্কাল হয়েশুয়ে আছে সহজ ভঙ্গিমায়, আমাদের গমন আজওসহজ মনে হয়। মনে হয় দুই ন্যুব্জ ছুরি পরস্পর কাটাকাটিপেরিয়ে আমাদের প্রসব করে থেমে গেছে, এবার আমরাপরবর্তী ছেদক হিসাবে পথ কাটতে কাটতে এগোব।জাদুচৈতন্যের তলায় কিছুই রৈখিক নয়, যেন বৃত্তের কন্দরেভক্তিযোগ জিভ জৈবশলাকার মতো দিক থেকে…
সর্বেশ্বরদয়াল সাক্সেনা-এর কবিতা – ভাষান্তর: রূপায়ণ ঘোষ
কবি পরিচিতি: সর্বেশ্বরদয়াল সাক্সেনার জন্ম ১৯২৭ সালে উত্তরপ্রদেশের এক সামান্য বস্তিতে। এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে, জীবিকা অর্জনের জন্য তিনি ফেরিওয়ালা থেকে শিক্ষকতা, ক্লার্ক তথা পত্রিকার সম্পাদক রূপেও কাজ করেছেন। তাঁর কবিতা এক আশ্চর্য মানবচৈতন্যের কথা বলে যেখানে ‘অহং’ (আমি) ও ‘সোহহং’ (তুমি) একই সঙ্গে যুক্ত হয়, বিমুক্ত হয়, প্রবাহিত হয়। সর্বেশ্বরদয়াল সাক্সেনার কবিতা…
সোনালী ঘোষের গুচ্ছ কবিতা : এসো চরণ ধুয়ে দিই
এসো চরণ ধুয়ে দিই ১.অনিবার্য। আড়মোড় ভাঙছে প্রিয় শব্দগুচ্ছ… এখন উত্তরায়ণ। হরিতকীর বন থেকে উঠে আসা হাওয়া ফুঁ দিয়ে নিভিয়েছে বোধ। উপচে পড়া ঘুম খুঁটে খাচ্ছে চোখহীন একটি ঝুঁটিওয়ালা মোরগ… দ্বিতীয়বার তথাগত, জ্যোৎস্নার প্রপাতের কাছে নিয়ে চলো। যেখানের দুরন্ত স্রোতে পাঠ করেছি বহু অধীত বিদ্যা আর তোমার পায়ের কাছে ফোটা সেই সেই পদ্মখানির আকর্ণ হাসি……
জাদু – শুভজিৎ দাস
দুধের মলমে যত মেরামত পুষে রাখি বুকে,কুম্ভ শিথিল করি, নুন-রঙা রাগ, উৎসুকে।পাহাড়ি ফুলের পায়ে দেবতার হাত খুলে রাখি,ডানা বন্ধক রেখে মানুষ হয়েছে প্রিয় পাখিআজকে উড়াল দিক ফ্যান্টাসি ফ্যান্টাসি খেলানিয়মেরা ভেঙে গেলে উবে যাবে সব অবহেলা। অপার ইথার থেকে মানুষের মুখ ভেসে আসে,নগ্ন নৃত্যে তারা শিশুদের সরগম-এ হাসে।।

