Similar Posts
এক পৃথিবী সুখ! – সুজাতা মিশ্র
হ্যাঁ রে মরদ, বাসবি ভালো চটকে খাবি সুখ? এক বর্ষা কদম গন্ধে ভরিয়ে দিবি বুক? রাতবিরিতে জানলা খুলে উড়িয়ে দিবি ডানা? কাকের বাসায় আসবি রেখে কোকিল সুরের ছানা? হ্যাঁ রে মরদ নিজেই আবার হবি আকাশ বুক? চাঁদের আলো হতে দিবি এক পৃথিবী সুখ?
রাজেশ্বরী ষড়ংগী-র পাঁচটি কবিতা
শব্দপ্রিয় পাখি পারানি এমন হোক, মধুকণ্ঠ গানশান্ত টেবিল জুড়ে পড়ে থাকে কিছু অভিমান তোমার নক্ষত্র খুলে পুড়ে যাচ্ছে আগুনের দেশবিষন্ন ছাই,প্রতি রাতে জেগে উঠি ম্লান-চক্ষু ভেঙে একা,শোকহীন বিদীর্ণ গভীরে ধীরে! তার অহংটুকু পোড়াতে দিও তুমি। তবু আলোর আত্মহত্যা কখনও লিখিনি।মুখের ভেতর জেগে ওঠেপাখিদের প্রিয় কোনো দ্বীপ।প্রতিটি শান্ত ভোর ঘুম ভাঙা মুগ্ধ সকাল। ভেসে থাকা জলভার,…
গল্পকথা – আত্রেয়ী দাস
এটা একসময়ের গল্পকথা। আমাদের চলমান জীবন থেকে সরে যাওয়া অনেক ঘটনাই আজ গল্পকথা হয়েই থেকে যাবে। তবে পক্ষে বিপক্ষের নানান তর্ক মূলত বাঙালির আড্ডায় থাকাটা এক পরম্পরা। গল্পগুলো শুধুই গল্প নয়। এই গল্পকথার হাত ধরেই সময়ের স্রোতে আধুনিকতার চাপে উবে যায় নানা জীবন-সংস্কৃতির গল্পকথা। আমরা যে মফস্বলের জীবনের ছোঁয়ায় নিজেদের বড় করে টিকিয়ে রেখেছি, সেখানে…
ডেরেক ওয়ালকট-এর তিনটি কবিতা অনুবাদ: অভিনন্দন মুখোপাধ্যায়
[লেখক পরিচিতি: স্যার ডেরেক এলটন ওয়ালকট ১৯৩০ সালের ২৩শে জানুয়ারিতে সেন্ট লুসিয়ার ক্যাস্ট্রিজ-এ জন্মগ্রহণ করেন। মূলত কবি এবং নাট্যকার হিসেবে পরিচিত ডেরেক ওয়ালকট ১৯৯২ সালে নোবেল পুরস্কার পান। তাঁর কবিতায় ঔপনিবেশিক শাসনের ভারে ভারাক্রান্ত মানুষের জীবন, ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের মানুষজনের খণ্ড-বিখণ্ড আত্মপরিচিতি বার বার উঠে আসে। ২০১৭ সালের ১৭ই মার্চ তাঁর মৃত্যু হয়।] মুষ্টি একটি মুষ্টি…
ফলসা রঙের বউ – অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী
আমাদের বন্ধু জহরলাল ধাড়া খুব যাত্রা ভালোবাসে। কলেজে পড়ার সময় আমরা বইমেলাতে গিটার নিয়ে গান করেছি। কিন্তু জহর সে সবে কোন মজা খুঁজে পায় না। সে বইমেলাতেই যাত্রাপালা করতে চায়। কলেজ শেষ করে জহর প্রাইমারি ইস্কুলে মাস্টারি পেল। ইস্কুলের গ্রামে সে কিছু যাত্রা অনুগত মানুষ খুঁজে পেয়েছে। তাদের মধ্যে অন্যতম ইস্কুলের হেডমাস্টার নলিনীবাবু। জহরকে পেয়ে…
একুশ প্রাণহরা এক আকাশ – রিজোয়ান মাহমুদ
বায়ান্নর ঘুড়িটি আমার ছিল।রক্তঝরা মাটির চিৎকারে জন্মের ফাগুন — সে-ওআমাদেরই ছিল। ভাষা সে আমার মা বেঁধেছে বর্ণের অনুরাগ। ভাষাকে দেখেছি অর্থাৎ আমার মা’কে হেঁটে যেতে দেখেছি গহীন অরণ্যের দিকে। ভাষা আকাশের বুকে কবুতরের পালক হলে উড়িয়ে দিয়েছি মেঘ ও রৌদ্রে।জব্বার ও বরকত সালাম রফিক-এর ক্ষত বুক লাল অক্ষরের রোদ নিয়ে বসে আছে সারাদিন — ওঁরা…

