Similar Posts
যুদ্ধবাজদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা – মন্টু মিত্র
যুদ্ধ চেয়ে তোমার কী কোনো লাভ হয়েছে হে আমার মহাদেশ এশিয়া ? হিরোশিমা দিবস তোমার চোখে অশ্রু উদ্গত করে না? না কী, চোখ বন্ধ করে থাকো ওই দেশের ধনতন্ত্রের লিপ্সার সংস্কৃতিতে? ইতিহাসের পাতায় শুধু লুন্ঠনের পতাকা – যুদ্ধ পাতা উল্টিয়ে দ্যাখো কতো কতো সাম্রাজ্যের উত্থান পতন মানুষের মৃত্যু ধ্বংস – এই ট্রাডিশন যুদ্ধের আজ পৃথিবী…
পার্থজিৎ চন্দর পাঁচটি কবিতা
হাসি আমি তো তেমন পথিক নই, শুধু বনের ভিতর বিস্ময়বাঁচিয়ে রেখেছি এ বনের মধ্যে কেউ সারাদিনস্তন খুলে গান গেয়ে নেচে নেচে ঘুরে বেড়িয়েছে গাছটি জড়িয়ে শুনি তার পায়ের শব্দকালো পাথরের গায়ে কান পেতে শুনিপায়ের পাতায় ফুটে যাওয়া কাঁটাজলের ভেতর টুপ করে ডুবে গেল তার নূপুরের ধ্বনি একটি হলুদ প্রজাপতি উড়তে উড়তে কাঁটাবনেপ্রবেশ করেছে। সে আসলে…
মহুয়া সেনগুপ্তর দশটি কবিতা
১শত জলকণায় নামগান বাজে।জন্ম-জন্মান্তর ঘুরে ঘুরে আসেসীমান্ত লঙ্ঘিত পায়ে। অতি দূরদেশে তাঁর পথিকসাজ,মালিনীর দীন কণ্ঠহার বুকে জাগে—লতা থেকে চ্যুত অশ্রুফুল,মেঘ থেকে চূর্ণ জলধারা। দুলে ওঠে অনন্ত পথ, ছুটন্ত অশ্বখুরধার, তোমার জন্যসখা, একটি তণ্ডুল আছেক্ষুধিতের শাকান্নে ধরা। ২একটি আলোকিত নদীর পাশে শুয়ে আছি, একবস্ত্রে।আমার প্রকৃতিজন্ম মাদুর করেবিছিয়ে দিয়েছি ধুলোয়। আকাশপথে সুরের পালকি বেয়েউৎসব ঘন হয়ে ওঠে।বুকের…
ইতি তোমার নদী – অনিন্দিতা মিত্র
একটানা প্রবল বর্ষণে ঘুমহীন শঙ্কিত রাত কাটাও নদীতীরে, বুকে তোমার কাঁপন জাগায় নদী, খোঁজ নাও বারেবারে- ‘কতটা জল বাড়লো?’ পূর্বদক্ষতায় কষে নাও হিসেব- আর ঠিক কতটা জল বাড়লে ছাড়াবে বিপদসীমা, ঠিক কোন মূহুর্তে পালাবে বসতি ছেড়ে, খুঁজে নেবে আবার কোন সাময়িক আশ্রয় বারংবার বিলাপে। এতই যখন ডুবতে ভয় তোমার তবে প্লাবিত হবে জেনেও কেন নদীপাড়েই…
এ যুগের দাবী – তুলসীদাস ভট্টাচার্য
আবারও আমরা হাঁটবো মিছিলে এবার আর দুমুঠো ভাতের জন্য নয় । এখন ঘরে ঘরে অন্ত্যোদয়,বি পি এল এখন পাড়ায় পাড়ায় সজলধারা , যুগের সাথে বদলে গেছে দাবীও । রাজনীতির ম্যানিফেস্টোয় মুছে দেবো মোটা হরফের লেখাগুলি ; একটা ধোঁয়াহীন পৃথিবী সবুজ পাতার নীচে জিরিয়ে নেবার একটু অবসর চাই । চাঁদের পাহাড়ে আর খোঁড়াখুঁড়ি নয় এসো,পৃথিবীটাকেই আরও…
প্রিয়া সামন্ত-র পাঁচটি কবিতা
১ প্রেম ভেঙে গেলে মানুষ কী করে?গান শোনে, বাজার যায়?হুটহাট বেরিয়ে যায় ঠিকঠিকেনি সন্ধেবেলা?হেঁটে যায় অগস্ত্যের পথেফেরে না আর নদীপাড় ঘেঁষা ইটভাটার চুল্লি থেকে! মানুষ তবুও দেখি উৎসবে যায়ফিঙের উৎসাহের মতো বালিকার ইচ্ছের পাশেবসে থাকি অবিচল, তীর্থের স্থবির কাকভাঙা ভাঙা শব্দবন্ধ, অশ্রুত গোটাতিনেক বাক্যওঠে আর ঝরে যায়হিরের কুচির মতো জল, বিন্দু বিন্দু জলঝরে আর মিহিন…

