Similar Posts
মধু রাঘবেন্দ্র-র পাঁচটি কবিতা – অনুবাদ : শুক্লা সিংহ
মূল ইংরেজি থেকে অনূদিত [মধু রাঘবেন্দ্র কবি, সমাজকর্মী, আর্ট ইভেন্ট কিউরেটর এবং ভারতবর্ষে কাব্য-চর্চার অন্যতম বৃহৎ উদ্যোগ ‘Poetry Couture’-র প্রতিষ্ঠাতা। তিনি তাঁর কাব্য আন্দোলনের মাধ্যমে উত্তর-পূর্ব সহ ভারতের অন্যান্য শহরে কবিতা-পাঠের মুক্তমঞ্চ তৈরি করেছেন। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘Make Me Some Love to Eat’ পাঠক মহলে বিশেষভাবে সমাদৃত। তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘Stick No Bills’ মুম্বই সাহিত্য…
গুচ্ছ কবিতা – রাজদীপ রায়
মারী ১ অথচ পৃথিবীতে শুরু থেকেই জীবাণু ছিলমৃত্যু-সম্ভাবনা নিয়ে গড়ে উঠেছিলপোকার জীবন এই তবু, তারই মধ্যে কোথাও কোথাওনক্ষত্রের সংকেতেমনে হয়েছিল বেঁচে থাকলে, পৃথিবীকে আরও সুন্দর দেখায়। ২ আরও একটু দূরে পড়ে আছে অজানা শরীর শীতকাল এখনও আসেনিতবুও বরফ পড়ে, হাড় জুড়ে যায় শকুন নেমেছে, ছিঁড়ে খাচ্ছেশরীরের অবশেষ পোশাকের অংশ দেখে মনে হয়চিনি, তবু আমি তাকে…
শুধু এক মুঠো ভাতের আশায় – কৌশিক দাস
আমি এক মুঠো ভাতের আশায় আজ আমি এই পথে…………. খিদের জ্বালায় বিধবার থানে লাগিয়েছি রঙ, সতীপনার জাল ছিঁড়ে দারিদ্রটাকে মাড়িয়ে এসে গেছি এই মোহল্লাদের জগতে। এখানে ভাত আছে কাপড় আছে আছে ভুঁড়ি ভুঁড়ি টাকা, নেই শুধু মনসত্ব আর নেই নারীর ইজ্জত, আছে যৌনের রেশ নেই প্রেমের আবেশ। শুধু এক মুঠো ভাতের আশায় আজ আমি এই…
ইতি তোমার নদী – অনিন্দিতা মিত্র
একটানা প্রবল বর্ষণে ঘুমহীন শঙ্কিত রাত কাটাও নদীতীরে, বুকে তোমার কাঁপন জাগায় নদী, খোঁজ নাও বারেবারে- ‘কতটা জল বাড়লো?’ পূর্বদক্ষতায় কষে নাও হিসেব- আর ঠিক কতটা জল বাড়লে ছাড়াবে বিপদসীমা, ঠিক কোন মূহুর্তে পালাবে বসতি ছেড়ে, খুঁজে নেবে আবার কোন সাময়িক আশ্রয় বারংবার বিলাপে। এতই যখন ডুবতে ভয় তোমার তবে প্লাবিত হবে জেনেও কেন নদীপাড়েই…
…এবং পাঁচটি কবিতা – রাজীব দত্ত, দয়াময় মাহান্তী, অনঞ্জন
রাজীব দত্তের দুটি কবিতা এক্সিট পোল আলাদিন ফোন করেছিল—এ-বছর উৎসবে জেলার কবিরা সবমূল মঞ্চে সমবেত হবে।সামগান, দীপ প্রজ্বলন হলেতাদেরই মিছিল মিশন রো, পার্কস্ট্রিট ঘুরেফিরে যাবে নিজ নিজ স্থানে।অপচয় রোধে আগাম জানাতে হবেশাকাহারী কিনা, তার সাথে নতুন কবিতা। গিন্নিকে ডাল বাটতে বলেবাজারের থলে হাতে রাস্তায় নামি।সিলেটেরই বাতিক বোধহয়—মিক্সিতে বাটা ডাল কখনোই তত মিহি নয়।আচমকা ধাঁধা লাগে,…
জাগরণ – দীপন বন্দ্যোপাধ্যায়
সৃষ্টি-সেরা নারী-রে তুই, তবুও অনাহূত, বোঝা ভেবে আজন্ম অপমান, আজও অব্যাহত। মাটির প্রতিমা পুজিতা হন, জ্যান্ত প্রতিমা লাশ, বিকৃত পুরুষ, বিকৃত বাসনা, ঘটায় সর্বনাশ। পুরুষ-জাতির ভোগ্যা হয়ে, হারাস নিজ শরীর, মৌন পৃথিবী দেখে শুনে, স্বার্থ মগ্নেই বধির। তিন কিংবা তিরাশি হোক, কেউই পেলনা ছাড়, মানবরূপী দস্যু পশুর, অবাধ অত্যাচার। ‘ধর্ষিতা’ তকমা নিয়ে-রে তুই, সম্মান খুঁজিস…

