অক্ষর লিপি – দেবাশিস মুখোপাধ্যায়

শেয়ার করুন

মৃত্যু বুনছি । ছিঃ । বলার ক্ষমতা নেই । ইতিহাস শিশুর রক্ত পুতুল নিয়ে রাস্তায়

ট্রমা । মা বলতে দিচ্ছে না । নারকীয়তা । তাগ করে রেখেছে বন্দুক বন্ধু ত্যাগ করে

শত্রু তৈরি । রিভেঞ্জ । জমকালো শব্দ । দন্ত বের করে দানব ছিঁড়ে খেতে তৈরি মানুষ

সস্তা প্রতিদিন । দিনান্ত চলে আসে । রক্তবর্ণ । বর্ণনা ছড়িয়ে পড়লে শেষমেশ  উপসংহার

সংহার পর্বের পর শূন্য ময়দানে শুধু
মৃত হলুদ ঘাস আর অসংখ্য মশার
আঁধারের গান…..

শেয়ার করুন

Similar Posts

  • জিয়া হকের পাঁচটি কবিতা

    ক. বোধগম্য নও, তবু হেসে ওঠা ধর্ম আমারমেরুদাঁড়া ভেঙে যায় রোজ রাত্রিবেলামানুষের ভাষা যেন বুঝতে পারি নাকাউকে পাই না বলে ঈশ্বরাদি ডাকিঈশ্বরকে ডাকি বলে কাউকে পাই নাক্ষমাশীল তিনি—এমনই শুনেছিমায়েদের চেয়ে মাতৃময়মাতৃময়ী না লিখে তাকে আমি পুরুষে রাখলাম‘করুণা করুণা’ বলে ডাকি সেই উঁচু নীরবতাআমার কথারা ঘোরে মনের জঙ্গলে আমারপশুমাংস চাই না আর চাই একটা গাভীর শাবকবিশ্বাস…

  • যুদ্ধবাজদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা – মন্টু মিত্র

    যুদ্ধ চেয়ে তোমার কী কোনো লাভ  হয়েছে হে আমার  মহাদেশ এশিয়া ? হিরোশিমা দিবস তোমার চোখে অশ্রু উদ্‌গত করে না? না কী, চোখ বন্ধ করে থাকো ওই দেশের ধনতন্ত্রের লিপ্সার সংস্কৃতিতে? ইতিহাসের পাতায় শুধু লুন্ঠনের পতাকা –  যুদ্ধ পাতা উল্টিয়ে দ্যাখো কতো কতো সাম্রাজ্যের উত্থান পতন মানুষের মৃত্যু ধ্বংস – এই ট্রাডিশন যুদ্ধের আজ পৃথিবী…

  • মুসাফির – স্বপ্ননীল রুদ্র

    গুলাম আলির গজলের মুসাফিরের মতন একটি আত্মহনন অভীষ্ট শুঁকে শুঁকে আমাদের শহরমুখী হয়েছিল। পকেটে আংশিক উঁকি দেওয়া রুমালের মতো এক বৃক্ষবয়ন-প্রাণিত গলি নিরবচ্ছিন্ন ছায়ানির্ভর অবিবাহিত বাড়ির নামফলক রেখেছিল তার উপোষ-ভারের ঠোঁটে…   নেমপ্লেট খেতে খেতে উপাদেয় ঢেকুর তুলেই তাক থেকে পেড়ে নিয়েছিল ঘুম-উপন্যাস সমগ্র —   বরফলজ্জিত বিছানায় পাঠ-প্রতিক্রিয়া শুয়ে…   কার্ণিশে ছাদে উত্থিত আনন্দঘন…

  • |

    কৃষ্ণকলি – সন্দীপা সরকার

    সময়টা ১৯৫৭ আমি  তখন সদ্য ইংল্যান্ড থেকে গ্রামে ফিরেছি৷পেশায় ডাক্তার৷ ডাক্তারি ডিগ্রি আনতে পারি দেওয়া ইংল্যান্ড৷দাদুর আদেশ মতন অনিচ্ছা সত্বেও ফিরে আসতে হলোদেশের বাড়ি কাটোয়া…… কাটোয়ার জমিদার বংশ আমাদের৷দাদুর বলাই ছিল পাশ করেই গ্রামের লোকের সেবার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে দিতে হবে৷দাদুর বানানো দাতব্যচিকিৎসালয় তে গিয়ে নিজেকে উৎসর্গ করে দিলাম৷৷   সেই সঙ্গে শুরু হলো…

  • কালো দিনের সনেট – অয়ন চৌধুরী

    আমাদের ফ্রিজগুলো ভরে আছে বারুদে বাতাস ভরে আছে তীব্র ঝাঁঝালো সীসাগন্ধে আমাদের সমস্ত পকেট বুলেটে, পিস্তলে আর আমাদের মনের বাক্সগুলি দামি অন্ধকারে প্রতিটি রাতের চাদর ফুটো করে কে ওরা বাইকবাহিনী! ভাতের থালায় ছিটকে পড়ে জমাট জমাট রক্তকাহিনি প্রতিটি বাটিতে মাছের ঝোলের নীচে চাপ হয়ে আছে প্রতিশোধ আগুন প্রতিটি ক্ষতের মুখে কে ওরা ঠেসে দিল মুঠো…

  • নিদাঘবেলা – শিবানী

    (১) শোকের ওপর রোদ এসে পড়ে, ঝিকমিকিয়ে ওঠে অশ্রু-ঘাম… ধাঁধা লাগা চোখ তখন অলঙ্কারভ্রমে ঈর্ষিত হতে দেখি… দেখি, তপ্ত গ্রীষ্মদুপুর কীভাবে খরতাপে নীরবে পুড়িয়ে চলেছে অ-সুখ, সম্পর্ক… (২) ক্লান্ত দুপুর বেয়ে ভাঙাচোরা সংসারের টুকরো ভরা গাড়ি টেনে নিয়ে চলেছে কপাল থেকে ঘামের ফোঁটা ঝরে পড়ছে খই-এর মতো আর ওর সাথে পিচগলা পথের পিছুটান কাটিয়ে ধ্বংস…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *