কাদম্বরী… তোমাকে… – সুদীপ ব্যানার্জী

শেয়ার করুন

সেভাবে দেখলে দীর্ঘশ্বাস ফেলে আগাছাও..

আত্মহত্যার আগের রাত…
স্বপ্নের মাঝে মসগুল আমরা
শব্দের ধ্বণি আবেগে খামচে ধরেছে বুক…

সুখের বাতি সাবেকি চামড়ায় একা।

এতো এতো আবেগের ভ্রূণ,
খুন হয়েছে অভিজাত দোলনায়!
তবু চুপ… মৃত্যুর বোবা প্রতিবাদ…

বৌঠান… সেই গান ঠোঁটে লেগে…আর সুঘ্রাণ…

ছায়াঘেরা জানলায় প্রশ্রয়ী মুখ… একান্ত…

সব অভিমুখ ঘুরিয়ে ফেলেছি সঞ্জানে..

অভিমানে তুমি সরে গেলে পর্দা নড়ে ওঠে…

মাঝরাতে জীবিত তুমি… অতৃপ্তির শ্বাস…
এক ফুঁয়ে নিভে গেছে সাঁঝবাতি!
রাতারাতি হৃত!..আহত আকাশ!

যবনিকা টেনে আনে মহীরুহ…

বাগান সাজে না আগাছায়… আজও…

শেয়ার করুন

Similar Posts

  • পক্ষপাঠ – শান্তা কর রায়

    আয়না যেন অনন্ত এক শব্দ আকর মুখ দেখে নেয় নীলবিবরে মৌসুমিরাত দৌড়ে তুমি ছুঁয়ে দেখো কবির বাড়ি দৃপ্ত মুখে পাটাতনে চলছে মিছিল । স্বপ্ন নিয়ে কবি জানি একাই মিছিল একাই তিনি জাগিয়ে রাখেন নদীর টানে রমণীয় শিশির যেন জমা হীরে ভিতর থেকে বাইরে ওড়ে পানসি ঘুড়ি । জেগে ওঠা রক্ত তখন কোঁচকানো মেঘ খরার সময়…

  • গুচ্ছ কবিতা – রাজদীপ রায়

    মারী ১ অথচ পৃথিবীতে শুরু থেকেই জীবাণু ছিলমৃত্যু-সম্ভাবনা নিয়ে গড়ে উঠেছিলপোকার জীবন এই তবু, তারই মধ্যে কোথাও কোথাওনক্ষত্রের সংকেতেমনে হয়েছিল বেঁচে থাকলে, পৃথিবীকে আরও সুন্দর দেখায়। ২ আরও একটু দূরে পড়ে আছে অজানা শরীর শীতকাল এখনও আসেনিতবুও বরফ পড়ে, হাড় জুড়ে যায় শকুন নেমেছে, ছিঁড়ে খাচ্ছেশরীরের অবশেষ পোশাকের অংশ দেখে মনে হয়চিনি, তবু আমি তাকে…

  • অরূপরতন হালদারের পাঁচটি কবিতা

    ১ অবদমন বেড়ালের থাবার নীচে উদ্ভূত গানেরপ্রতিটা নিঃশব্দ এঁকেছে আমার দেওয়ালে,আয়নাটি স্বপ্নের শ্বাস মুছে নেয় প্রহরে প্রহরে,তার মকররেখায় ক্লান্ত সূর্য, তবু ভেঙে যাওয়াথেমে আছে লক্ষ্মণরেখায়। পর্দার বিভঙ্গ দেখেতুমি উন্মত্ত হয়েছিলে, ক্ষিপ্ত পতঙ্গের মতো শিসউড়ে গিয়েছিল তোমার গলাবন্ধ থেকে—সেসবদিন আজ ক্লিশিত পানপাত্রে পড়ে আছে, তুমিওনখের রং পাল্টে ফেলেছ কবেই। কমলা ঝরিয়ারসন্ধ্যা ফিরে গেল, এবার শনির থানে…

  • অর্ণব রায়ের গুচ্ছ কবিতা

    আমাদের কান্না একফসলী জমি আর যে যার শষ্য তুলে নিয়ে ঘরে চলে গেছে ১/   আর একটু ভালোবাসা পেলে হয়তো বেঁচে যেতাম। যেন পৃথিবীর আর কেউ নেই। দেশে খেতে বসার আকাল লেগেছে। এত এত প্রার্থনার ভার। কেউ জগতের হেঁশেল উঠিয়ে নিয়ে চলে গেছে অবেলায়। সে একা, থরথর কাঁপতে কাঁপতে ছুটছে। তার কক্ষপথপিছলে যাচ্ছে। পৃথিবীপৃথিবীর মনে…

  • ইউনিক মেনিয়া – ফারজানা মণি

    সান্ত্বনা ছিলো রিবনের গোড়ায় ব্যাঙের ছাতা ছুঁয়ে এক ফোঁটা বরফগলা চোখ।ত্রিভুজ মেনিয়ায় কারো আত্মসমর্পণ সেতুর কাছে এক সারি নৌকা।আলোক পিদিমে পুড়ে যায় লাইফবোট গন্তব্য।কারো কম্বলের কোণায় বিবর্ণ ঘটনা – যেন কেউ ঘুমিয়ে আছে দোতলা সিঁড়িপথে জোড়াপুকুরের চাঁদ কেটে দেওয়া মধ্যরাত।রেখাবিন্দু আচ্ছন্নতার অবসর।গর্ভে বেড়ে উঠছে অণুজীব শূন্যতা।

  • |

    বসন্তের আগুন-পাখি – উত্তম দত্ত

    আর কিছু নেই হাতের মুঠোয় মিথ্যে কিছু প্রতিশ্রুতি একটি দিনের আদিখ্যেতায় গরীব মায়ের কী আর ক্ষতি ? কাল থেকে তো আবার সবাই যে যার মতো ছন্নছাড়া বুকের মধ্যে ভাষা-পুলিশ নিদ্রা যাবে লজ্জাহারা । সাতটি বাক্যে চোদ্দোটি ভুল বড্ড স্বাধীন বাংলাভাষা দেউলিয়া এক জীর্ণ জাতির মনের গরব প্রাণের আশা । ভাষার জন্য রক্ত দিয়ে মূর্খেরা সব…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *