Similar Posts
আঁধার-প্রবাসী – সাগর সূত্রধর
হেথা হতে যাও, পুরাতন। হেথায় নূতন খেলা আরম্ভ হয়েছে। আবার বাজিছে বাঁশি, আবার উঠিছে হাসি, বসন্তের বাতাস বয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চলে গেছি আমি, দূরে, বহুদূরে, শত-অভিমান ভরে ফিরবো না জেনো কোনোদিন, বিদায় চিরোতরে। শুভ্র মেঘ য্যামন অস্পৃর্ষনীয় সুন্দর সুদূর আকাশে তারা-ফুল শুধুই দেখা যায় নক্ষত্র প্রকাশে। শ্রান্ত দিঘিতে ফোটে যেমন ক্ষণিকের আলো-ছায়ার খেলা তোমার জীবনে…
শায়েরী চক্রবর্তীর পাঁচটি কবিতা
ঈশ্বরী নক্ষত্র দহনে অনুশোচনা উল্লাস হয়ে ওঠে যে দেবীর কাছে হাত পাতলে রাত পাওয়া যায় সে কোনো মানবীদেহ জুড়ে যার গোলাপি আয়োজন মিহি সন্ধের গায়ে জং ধরেছেধ্বংসের ভেতরেও শোনা যায় শঙ্খের সুর পেরোনো আলপথেযদি শুশ্রূষার বিষ ঢেলে যায় কেউ… কোনো দেবী ক্ষয়িত চেতনার পঙ্ক্তি পথ হারিয়ে জন্মের প্রলাপ যাপনে এ গলি সে গলি থেকে ভেসে…
পল্লব গোস্বামীর গুচ্ছ কবিতা
একদিন সারাদিন ছোটো ছোটো বদ্রী পাখির মতো দিনগুলি ভাবি দিনভর ওরা কোঠাঘরে কিচমিচ করে ঠান্ডা লাগে, জ্বর আসে যেমনভাবে জ্বরে কাবু সারা শহর দানাপানির জন্য ভিক্ষাপাত্র নিয়ে ঘুরি বাগড়াইচণ্ডীতলায় বিশাল হাট সেখানে ফ্রীঞ্চ, ককাটেল, জাভা, লাভ বার্ডের আসর তবুও ভিক্ষা মেলে না মাথার ভেতর বুড়ো কাছিমের মতো হাঁটে একেকটা দিন সমুদ্র ফেনায় শুশ্রূষা কেটে যায়–…
রক্তিম সূর্য মণ্ডলের পাঁচটি কবিতা
১. অভিমানী চূড়া থেকে পাদদেশে নেমে আসে সবজি-বাগান।তার পর পরই আলোর কৌটোয় গুঁড়ো দুধ রাখতে শেখা।নিয়মিত চা বানাইসময়ে, অসময়ে;খিদে মরে, ভাত ফেলা যায়।মা দেখলে হাতে মেখে জোর করে খাওয়াতেন,আমি গিলতে থাকতাম ভাত, থালা, হাঁড়ি, উনুন…মা বলতেন, “আর একটু আনি?”—আনবে? অল্প কিন্তু, এক্কেবারে একমুঠো,তোমার তালুতে যা ধরে। ২. আমরা শ্রাবণ মাসে ফুল তুলিনি একটাওলুকিয়ে আছি,আশ্বিন আসুক।এই…
একুশে ফেব্রুয়ারি – অমিতাভ গুপ্ত
অন্তহারা সৌভাগ্যেবাংলা ভাষা বেঁচে উঠল প্রেমে ও প্রতিবাদে জীবনেরউচ্ছ্বসিত এই উৎস আবার শিলচরে জাগবেহয়তো তার আগে ফাল্গুন ঈষৎ ঝরে যাবে তবুওকৃষ্ণচূড়া জেগে রইবে
পাঁচটি কবিতা – প্রীতম বসাক
একটি কাব্য ও তাহার খোসা ১. হে আলোচ্য জীবন! সঠিক শব্দটি আমি খুঁজিতেছি শূন্য পূরণের নিমিত্তে। এত নগণ্য শস্যের সূচি। এত আলোর অভাব। দূরত্ব হেতু আমি পৌঁছাইতে অপারগ তোমার ঔষধি অবধি। অথচ একটি দুটি গান পাইলে মাঠের ঘুম ভাঙিত। সহজ হইত মাটি। দেখো কী আবেগ করিয়া আসিতেছে দিগ্বলয় জুড়িয়া। কত করুণ ওই সজল। হে অপঠিত…


