Similar Posts
বন্ধনী – মোহর ব্যানার্জী
মাতৃস্তন্য পান করা শিশুর ছবি দেখে যুগল ভ্রু হয় কি কুন্চিত? অথচ জামা পিছলে গিয়ে অন্তর্বাস দিলে উঁকি সমাজ শঙ্কিত । “সুডৌল বুকের অধিকারী হবার”বিজ্ঞাপনের ছবি …
ভাষা শহীদ দিবস : ফাউজুল কবির এর কবিতা
খন শব্দের সাথে যখন শব্দের সাথে আমাদের ভালোবাসা জাগেপূর্ণতার দিকে যাত্রা শুরু হয়–যাত্রা মানে জানো? বুকে জাগরণ অশ্বের টগবগচিত্তে শিহরণ দূর ভবিষ্যৎ আকাশ ভ্রমণ:বাংলাভাষা আজ পবিত্র প্রতীক হৃদয় পলাশগুচ্ছ গুচ্ছ রক্তজবা কৃষ্ণচূড়া অথবা করবীশুধু অনির্বাণ আগুন ছড়ায় আগুনের লুয়া–অগ্নির চেয়েও জীবন্ত উত্তাপে তাপিত হৃদয়লেলিহান শিখা বিস্তারিত হচ্ছে ধ্বনির ব্যালেতেঢেউ উঠছে ঢেউ কবিতায় গানে সবুজে মধুরেমহত্তম…
চরিত্র – তাপসকিরণ রায়
আমার ছিঁড়ে যাওয়া পকেটে একদিন তোমার প্রেমপত্র ছিল প্রেমিকা বদলাবার আগে আগুনে জ্বালিয়েছি সব— আমি কথা। রাত্রি জেগে ছিলাম মনের দ্বন্দ্ব চলছিল জানি বিস্তৃত বলে গেল তার তর্জমা সাধারণ নামের মাঝে ব্যর্থতা তুমি তাকাও নি অথচ সাজানো ছিল পবিত্রতা তোমার নাক নথির কারুকাজে ধরা ছিল আমার চরিত্র।
একটি লম্বা লাইন – জিললুর রহমান
একটি লম্বা লাইনে প্রভাতফেরিতে দাঁড়িয়ে রয়েছি মধ্যরাতে একুশের অপেক্ষায়— হাতে ফুল — নগ্ন পদ — শাদা পাঞ্জাবির সাথে ঢলঢলে পাজামা একটি দীর্ঘ লাইন এক সুরে গুঞ্জন করছে শীতল বাতাসে রোমকূপে শীতকাঁটা উঠে আছে আমরা অপেক্ষমান সেই বায়ান্নোর ফেব্রুয়ারি থেকে ওরা বলেছিল যাহা বাহান্ন তাহা তেপ্পান্ন আমরা প্রতিবাদ করি আমাদের মাতৃভূমে বায়ান্ন জুড়েই আছে মাথা নত না করার দৃপ্ত স্বরআছে শহিদের রক্তাক্ত শার্টের ’পরে…
মা – দেবলীনা দলুই
মা তোমাকে আঁকার জন্য ভাষা পাইনা আমি হাতড়ে বেড়াই, শব্দ খুঁজি কিন্তু পাইনা তোমার হৃদয়ের অনন্ত ঝারলন্ঠনকে নাম দেওয়ার শব্দ পুড়তে দাওনি কখনও দাওনি আমায় গলতে তোমার ওই দুহাত দিয়ে আমার ক্ষত যত ছিল সব নিয়েছো টেনে নিজের বুকে ঘুম পাড়িয়ে আমায় নিজে থেকেছো নিদ্রাহীন দিনের পর দিন তোমার চোখ, নাক, চুল বেয়ে নেমে আসা…
রঘু জাগুলীয়ার গুচ্ছ কবিতা
দিগন্ত প্রার্থনালয় ১ বাতাস এসেছে কাছে কাঁপা কাঁপা গলায়কি অভিযোগ তার, বলে না কিছুই।তবু হৃদয়ে তলিয়ে যাচ্ছে সূর্যাস্তে লেগে থাকানদীর তটভূমি, সংলগ্ন কোমল রোদমেঘে মেঘে বেগুনিরঙা আচ্ছাদন— আমি তো ত্রিভুবনে প্রার্থনালয় চেয়েছি এমনি— ফুলের মালা হয়ে জোনাকিরাছুঁয়ে যাবে দেবীর চরণতল;আর রাত্রির কুঞ্জবন হতে পৃথিবীর দিকেশিশুর মতো নিরালা মুখে হাতছানি দেবে চাঁদ, অথচ যেদিকে করজোড়ে দাঁড়াইবাতাসে-ধুলোয়…

