Similar Posts
ওমপ্রকাশ বাল্মীকির কবিতা – অনুবাদ: শিবু মণ্ডল
ওমপ্রকাশ বাল্মীকি: কবি পরিচিতি হিন্দি ভাষার বিশিষ্ট কবি ওমপ্রকাশ বাল্মীকির জন্ম ৩০ জুন, ১৯৫০ সালে উত্তরপ্রদেশের মুজফ্ফরনগর জেলার বারলা গ্রামে। প্রকাশিত কবিতার বই—‘সদিও কা সন্তাপ’, ‘বস্ বহুত হো চুকা’, ‘অব্ অউর নেহি’, ‘শব্দ্ ঝুট নেহি বোলতে’ ও ‘নির্বাচিত কবিতা-সংগ্রহ’। প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ—‘সলাম’, ‘ঘুস্পেটিয়ে’, ‘আম্মা এন্ড আদার স্টোরিজ্’, ও ‘ছত্রি’। প্রবন্ধ সংকলন—‘দলিত সাহিত্য কা সৌন্দর্যশাস্ত্র’, ‘মুখ্যধারা অউর…
বৈশাখ – জ্যোতির্ময় রায়
আদুরে রোদে পোড়া মুখ ।সে সুখে… বৃষ্টি কিনেছে মাটি ।শয্যাগত তার ভীষণ মন খারাপের অসুখে ।। এরপর চেনা নাম ধরে ডাকে কেউ দোপাটি’র ছাতা খুলে।শরীর ভেজায় সেও।। ডাকপিয়নে পরে থাকে চিঠি।চলে গেছে ফাল্গুন , আমি ভাবি সোহাগী রাত ,তার হয়েছে খুন।অন্য সে’আগুন।। কেন ভুলে যাই এ অবহেলা , কেন ভুলে যাই দাগকাটা তার বিষন্ন বিকেল…
শক্তিরূপেণ – শুভঙ্কর দেব
ডিপ্রেশনের দিনগুলো সব হাওয়ায় ওড়াও, পেরেক খুলে যীশুর দেহ নামাও নীচে, হাসতে হাসতে এ জন্মটা মনকে বোঝাও, কাল থেকে আর ঘুরতে না-যাক আমার পিছে। বাহান্নটা মানুষ পেলে আমায় ছাড়াও, তাদের কেউই তোমার কোনো যজ্ঞে লাগে? নইলে আরও পাঁচশো কুড়ির ব্যবস্থা নাও, তোমায় আমি দেখতে চাইবো সবার আগে। যাজ্ঞসেনী, তোমার মতো আমার মা’ও সবার সাথে যুদ্ধে…
অয়ন ঘোষের পাঁচটি কবিতা
যুদ্ধ পুকুরে ডুব দিয়ে তুলে আনেশামুক-গুগলি, চুনো-পুঁটিজলের সংসার টালমাটালমাছরাঙার শ্যেন দৃষ্টিতে আগামী যুদ্ধের নিশান উড়ছে। কিস্তিমাত দুঃখকে পোষ মানিয়েআড়াই চালে মাতচৌষট্টি খোপ সাজানো আছেঈশ্বর আমি মুখোমুখি। শীত দু’হাতে তাড়াচ্ছি শীতআগুন কৌশলেঅরণি শেখাল, ভিতরের কাঁপন থামলেশীত আপনা থেকেই বসন্তকে পথ করে দেয়। নিস্তার একটা কৌণিক বিন্দু থেকেমেপে নিয়ে যাত্রাপথতির্যক আলোর সাথে সুরবুকের বাঁ’দিকে এসে সংসার পাতলঘুম…
পাঁচটি কবিতা – শাশ্বতী সরকার ও সৌম্যজিৎ রজক
শাশ্বতী সরকারের তিনটি কবিতা যেন গান মনে থাকে ১)আর দুঃখ নয়, মা ছেলেকে খাইয়ে দিচ্ছে ভাতঅন্নজল অভাবের দেশে ধানখেতে ফুটে উঠছে খুঁটি, বিদ্যুতের তার জুড়ে বসে আছে শালিকের জোড়তুমি যেন গজে নয়, পাহাড় থেকে সোজা নদীর উপরে চেপে এলেপ্রকৃতই পর্বতদুহিতা এই শাদা জলধারা ২)বিরাট রাজার বাড়ি। সৈরিন্ধ্রী এলোচুলে ঘোরে। কী আশা করেছিলে? শীতকাল — পাথরের…
মহুয়া বৈদ্য-র পাঁচটি কবিতা
ফোকাস বৃষ্টি পড়ছে। রামধনুর সাতরং ছড়িয়ে পড়ছে ক্যামেরার কারিকুরিতে। মা, তুমি ভিজছ, আমি দেখতে পাচ্ছি। ক্যামেরার ডিটেলে ফুটে উঠছে তোমার স্বচ্ছ চোখ, নিটোল চিবুক। এক ঢাল চুল থেকে সাতরঙা জল টুপিয়ে পড়ছে, দেখতে পাচ্ছি তাও। তোমার পাশে অস্বচ্ছ ছায়ার মতো ও কি আমি?! আরেকটু শার্প করলাম ক্যামেরাকে। এবার তোমার মাথার কাছে গোলাপি রঙের উদ্ভাস বেশি,…

