Similar Posts
ছায়ারা তোমার কাছে – দ্বিজেন্দ্র ভৌমিক
১ সময় কি মৃত? বিষণ্ণ প্রহর থেকে জেগে ওঠে স্তব। সময় রেখেছে শূন্য প্রহরের যাপনসম্ভব · নেমে আসে ঘুম। নেমে স্মৃতিরা স্থবির জড়াল পাখিটি— ডানা— ভাসমান জলে— উথলে পড়েছে মদ : ভিতরে বাহির · বিশুষ্ক প্রান্তর আর ধূ ধূ বালিয়াড়ি জনশূন্য; শুষে নেয় আলোকে স্থূল কৃষ্ণগহ্বর। পিছনে ধাবিত পুচ্ছ : নিজেকে হারায় ২ মৃতেরা আড়াল…
শ্রেয়সী গঙ্গোপাধ্যায়-এর দশটি কবিতা
সন্তান প্রতিটি লেখার পর প্রজন্ম জন্মায়প্রতিটা সন্তানপ্রবণ ভোরের তৃষ্ণা জলতৃষ্ণার্ত হত্যার পারিপার্শ্বিকগ্রন্থি পথ পায়ে হেঁটে জন্মান্তররোদের কুঁজ হতে লাফিয়ে নামা ঘুঘুশোক গাথা শুনিয়ে শুনিয়ে হৃদয় বেশেহাসির ঢেউ লুকিয়ে রাখে বালিশেবিষণ্ণ আলোড়ন রহস্যের ওই পিঠেএকটা শহর দাওএকটা শহরের মুখে পাখির ওঠানামাতামাটে কবিতা হয়ে যাক বাড়িঘরনিঃশব্দ গমের বীজ হয়ে থাক সন্তান। মিশ্ররাগ চা ফুলের আঘ্রাণ ভেজা প্রতি…
অবসাদ – তাপসকিরণ রায়
হারাতে হারাতে আর অবসাদ নেই–চেনা জানারা ক্ৰমশ হারিয়ে যাচ্ছে অন্যপ্রান্তে… এক মুখ দাড়িতে তোমায় অচিন লাগতেই পারে !কোথায় সরে যেতে চাও তুমি ?স্টেশনের সিগনালে তাকিয়ে আছে গাড়ি।একটা সকাল যেন কতকাল দেখিনি !হারিয়ে হারিয়ে ক্ৰমশ নিজের দিকে এগিয়ে আসছি।আগামী খরার ফাটলে বৃষ্টির অবসাদ দেখি।দুরন্ত ছেলেটা কেমন দম হারিয়ে থমকে যায় !কখনও চেনা পৃথিবী হারিয়ে যায়–কুয়াশা ও…
রামকৃষ্ণ মহাপাত্রর পাঁচটি কবিতা
নিরুদ্দেশ দেখো এই পথের শেষ নেই কোনও,পায়ে পায়ে চঞ্চলতাফিরে যাবে গোধূলির দিকে,আমিও তোমার দিগন্ত-ছোঁয়াকান্নার ভেতর নিরুদ্দেশ হব একদিন… মাটিজন্ম বিকেলবেলায় বাড়ি ফিরছেনআমাদের বাবা,সাইকেলের চাকায় তখনওলাল ধুলোর ক্লান্তি। আমাদের বাবা সূর্য পেরিয়ে আসেন! তারপর মা আসন পেতেবাবাকে খেতে দেনফুটিয়ে রাখা দু’মুঠো আনন্দছায়া, আর আমরা ছয় ভাইবোনটানাটানির সংসারেবাবার ক্লান্তি, মায়ের আনন্দছায়ার মাঝেবেঁচে থাকিমাটিজন্ম নিয়ে। দিনশেষে দিনশেষে ফুরিয়ে…
রবীন্দ্রজয়ন্তীতে – সায়র ব্যানার্জী
বাসন্তী রঙের পাড়। ঝর্ণার মতো খোলা চুল। রবীন্দ্রভারতী বা শান্তিনিকেতনের পাতাঝরা কোনো রাস্তায় তুমি হেঁটে যাও.. তোমার দিকে উড়ে আসে আবিরের মত প্রেমপ্রস্তাব ছিটকে এসে লাগে মুখে গায়ে- আর ছবি-যুবক শাটার নামায়। চারিদিকে কত কোলাহল, এভাবে কী কাছে পাওয়া যায়! তবু যেন মনে হয় এক চিলতে লাল রঙ আমি ওই সিঁথির তলায়।
আমরা সক্রেটিস হব – স্বাগতা সিংহরায়
সক্রেটিস একদিন আলো হারিয়েছিলেন। দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মানুষটি দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন বন্দী; আদতে তিনি উপভোগ করতে চাননি- দেশীয় বিদেশীয় প্রহসন। দ্বন্ধময় চলার পথে ছিলনা রাজনৈতিক সংশয়- ছিল শিক্ষালোভী আনন্দ, আগুন মেপে খাওয়া। সময়ের দিকপরিবর্তন জানিয়েছিল তাকে- ” গ্লোবাল ওয়ার্মিং” সুযোগ হারাননি তিনি; বেছে নিয়েছিলেন অন্ধকারময় আলোর পথ।

