ছাপ।বৈধতা – কৃষ্ণেন্দু দাসঠাকুর

শেয়ার করুন
সময়ে, সময়ে গলাগলি হয়
চেঞ্জ হয়ে যায় লাল আলো জ্বলা গলি
যন্ত্রণা দুগালে জড়িয়ে মেয়েটির
বিপরীত মুখে বয়ে যাওয়া স্রোতে
লেপ্টে যায় কালো রঙ
নিজের সামনে আয়না, কোনদিন দাঁড়ায়নি
তবু অবৈধ শিশির গুড়ো মিশে যায়–
মেয়েটির অবুঝ সবুজ শিরায়
পলাশ নামক শব্দ তালুর রেখায় পুরেনি
মাখতে চাইনি আবির।বসন্ত এসেছে
লোমকূপে তার ঝুরো ঝুরো নিসপিসে হাত
শুকনো স্তনে আজ দুধের চড়চড়ানি
স্রেফ,কিছু প্রশ্ন চিহ্ন ঝুলে থাকে রাতের
আকাশে।উত্তর… দায়বদ্ধতার ভার…
শেয়ার করুন

Similar Posts

  • মা – দেবলীনা দলুই

    মা তোমাকে  আঁকার জন্য ভাষা পাইনা আমি হাতড়ে বেড়াই, শব্দ খুঁজি কিন্তু পাইনা তোমার  হৃদয়ের অনন্ত ঝারলন্ঠনকে নাম দেওয়ার শব্দ পুড়তে দাওনি কখনও দাওনি আমায়  গলতে তোমার  ওই দুহাত দিয়ে আমার  ক্ষত যত ছিল সব নিয়েছো টেনে  নিজের বুকে ঘুম পাড়িয়ে আমায় নিজে  থেকেছো নিদ্রাহীন দিনের পর দিন তোমার চোখ, নাক, চুল বেয়ে নেমে আসা…

  • ভাষা শহীদ দিবস : ফাউজুল কবির এর কবিতা

    খন শব্দের সাথে যখন শব্দের সাথে আমাদের ভালোবাসা জাগেপূর্ণতার দিকে যাত্রা শুরু হয়–যাত্রা মানে জানো? বুকে জাগরণ অশ্বের টগবগচিত্তে শিহরণ দূর ভবিষ্যৎ আকাশ ভ্রমণ:বাংলাভাষা আজ পবিত্র প্রতীক হৃদয় পলাশগুচ্ছ গুচ্ছ রক্তজবা কৃষ্ণচূড়া অথবা করবীশুধু অনির্বাণ আগুন ছড়ায় আগুনের লুয়া–অগ্নির চেয়েও জীবন্ত উত্তাপে তাপিত হৃদয়লেলিহান শিখা বিস্তারিত হচ্ছে ধ্বনির ব্যালেতেঢেউ উঠছে ঢেউ কবিতায় গানে সবুজে মধুরেমহত্তম…

  • শিবসাগর দেবনাথের পাঁচটি কবিতা

    পরমাণু তোমাদেরও হারাবার আগেজেনে রাখি, অনিশ্চয়তা প্রকৃত সামান্য বিষয়সংখ্যালঘু বৃষ্টির ভয়ে যেরকম জলাধার হয় মহাকাশ আমাদের বিনয়-যাজকঅশেষের মাঝে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শেষ হই রোজই —এই জ্ঞান যুগপৎ ভয় ও ভুলের,যেভাবে দেহাতি ভোরদূরোদয় মোরগের ডাক আদায় করেছে …ও বধির স্কুল নিজের ফাটলগুলি কখন-ই বা আলোয় ধরেছি?বোতাম ঘরের তীরে বাড়ন্ত ববিনের সায়যে আমি তস্য বধির, অচিরেই চেয়ে নিতে…

  • শ্রেয়সী গঙ্গোপাধ্যায়-এর দশটি কবিতা

    সন্তান প্রতিটি লেখার পর প্রজন্ম জন্মায়প্রতিটা সন্তানপ্রবণ ভোরের তৃষ্ণা জলতৃষ্ণার্ত হত্যার পারিপার্শ্বিকগ্রন্থি পথ পায়ে হেঁটে জন্মান্তররোদের কুঁজ হতে লাফিয়ে নামা ঘুঘুশোক গাথা শুনিয়ে শুনিয়ে হৃদয় বেশেহাসির ঢেউ লুকিয়ে রাখে বালিশেবিষণ্ণ আলোড়ন রহস্যের ওই পিঠেএকটা শহর দাওএকটা শহরের মুখে পাখির ওঠানামাতামাটে কবিতা হয়ে যাক বাড়িঘরনিঃশব্দ গমের বীজ হয়ে থাক সন্তান। মিশ্ররাগ চা ফুলের আঘ্রাণ ভেজা প্রতি…

  • একজন পৃথিবী বিক্রেতা – শুভ্র সরকার

    এরপর, অনধীত সমগ্র বর্ষার পতনধ্বনি— একজন পৃথিবী বিক্রেতার ঘুমসংক্রান্ত দুঃস্বপ্ন বিচ্ছুরিত হ’য়ে পড়ে চতুর্দিক। দ্যাখো মানুষগুলো তলিয়ে যাচ্ছে ঘুমঘুম হিমে। মা’র ঘুম থেকে উঠে আসা হাঁসের পালকাবৃত পথের পাশে—তুমি একটা ‘স্নান’ রেখে গ্যাছো। একজন পৃথিবী বিক্রেতার জন্য রেখে গ্যাছো— শেকড়। দ্যাখো, রৌদ্রপ্রখর এক নির্জন জলাশয়ে শেকড় ছড়িয়ে আছে সূর্যাস্ত। আর তোমার বুকের বাঁ-পাশে সব আলো…

  • জাগরণ – দীপন বন্দ্যোপাধ্যায়

    সৃষ্টি-সেরা নারী-রে তুই, তবুও অনাহূত, বোঝা ভেবে আজন্ম অপমান, আজও অব্যাহত। মাটির প্রতিমা পুজিতা হন, জ্যান্ত প্রতিমা লাশ, বিকৃত পুরুষ, বিকৃত বাসনা, ঘটায় সর্বনাশ। পুরুষ-জাতির ভোগ্যা হয়ে, হারাস নিজ শরীর, মৌন পৃথিবী দেখে শুনে, স্বার্থ মগ্নেই বধির। তিন কিংবা তিরাশি হোক, কেউই পেলনা ছাড়, মানবরূপী দস্যু পশুর, অবাধ অত্যাচার। ‘ধর্ষিতা’ তকমা নিয়ে-রে তুই, সম্মান খুঁজিস…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *