ছাপ।বৈধতা – কৃষ্ণেন্দু দাসঠাকুর

শেয়ার করুন
সময়ে, সময়ে গলাগলি হয়
চেঞ্জ হয়ে যায় লাল আলো জ্বলা গলি
যন্ত্রণা দুগালে জড়িয়ে মেয়েটির
বিপরীত মুখে বয়ে যাওয়া স্রোতে
লেপ্টে যায় কালো রঙ
নিজের সামনে আয়না, কোনদিন দাঁড়ায়নি
তবু অবৈধ শিশির গুড়ো মিশে যায়–
মেয়েটির অবুঝ সবুজ শিরায়
পলাশ নামক শব্দ তালুর রেখায় পুরেনি
মাখতে চাইনি আবির।বসন্ত এসেছে
লোমকূপে তার ঝুরো ঝুরো নিসপিসে হাত
শুকনো স্তনে আজ দুধের চড়চড়ানি
স্রেফ,কিছু প্রশ্ন চিহ্ন ঝুলে থাকে রাতের
আকাশে।উত্তর… দায়বদ্ধতার ভার…
শেয়ার করুন

Similar Posts

  • নারী – অপর্ণা বসু

    তবে কেন মনে হয় তোমার শরীরময় ঈশ্বর এসেছেন স্বর্গীয় আর্তি শিথিল করে দিচ্ছে আমায় দেখাচ্ছে ধরিত্রীর মত কণ্ঠলগ্ন হয়ে মার্জনা চাইছ কৃতকর্মের উষ্ণ নিঃশ্বাসে মুছে দিচ্ছ অভিমান নিভৃত স্পর্শমাখা উত্তাপে এক অনবদ্য পুরুষ আমায় আদ্যন্ত নারী করে তুলছে ওই আনন্দময় রূপ আজন্ম ছায়া হয়ে লেগে থাকুক আমার নারী শরীরে।

  • Not All Men – উপাসনা ঘোষ

    সবসময় মনে রাখুন #NotAllMen ধর্ষিত হতে হতে আওড়াতে থাকুন #NotAllMen মুখে এসিড পড়লে কাতরাতে কাতরাতে জ্বলে যেতে যেতে চেঁচান #NotAllMen। রাস্তায় পা রাখা মাত্র ক্যাট কলিং শুনলেই একগাল হেসে বলুন #NotAllMen ট্রেনে বাসে বুকে পাছায় কোমরে হাত পড়লেই বিড়বিড়ান #NotAllMen মেসেঞ্জার ভর্তি অদ্ভুত অশ্লীল মেসেজ পেতে পেতে শুনুন “লিখলে তো সইতেই হবে” “এতই সমস্যা তো…

  • পার্থজিৎ চন্দর পাঁচটি কবিতা

    হাসি আমি তো তেমন পথিক নই, শুধু বনের ভিতর বিস্ময়বাঁচিয়ে রেখেছি এ বনের মধ্যে কেউ সারাদিনস্তন খুলে গান গেয়ে নেচে নেচে ঘুরে বেড়িয়েছে গাছটি জড়িয়ে শুনি তার পায়ের শব্দকালো পাথরের গায়ে কান পেতে শুনিপায়ের পাতায় ফুটে যাওয়া কাঁটাজলের ভেতর টুপ করে ডুবে গেল তার নূপুরের ধ্বনি একটি হলুদ প্রজাপতি উড়তে উড়তে কাঁটাবনেপ্রবেশ করেছে। সে আসলে…

  • ছটি কবিতা – গৌতম চৌধুরী ও দেবদাস আচার্য

    দেবদাস আচার্যর কবিতা প্রাণ-গঙ্গা এত প্রাণচারিদিকে বিন্দু বিন্দু সহস্র প্রাণচিনি বা না চিনিদেখিঝরে পড়ছে যুগ যুগ ধরে ক্রমাগতযেন বৃষ্টি ঝরে অবিরত প্রাণের ভিতরে আমি আত্মহারাপ্রাণ প্রবাহে ডুবেস্নান করি অনন্ত অসংখ্য বিদ্যুৎ কণিকারছুটন্ত ভাসমান ঢেউপ্রণম্য প্রভুমৃত্যুমৃত্যু পরম শক্তিমান ও অমরতোমার পুচ্ছের গতিময় তারকাগুলিরঢেউজীবনকে ধারণ ও বহন করে করেনিত্য ধাবমান। গৌতম চৌধুরীর কবিতা নিঃসঙ্গ কাফেলা ১. অমোঘ…

  • অজিত ভড়ের পাঁচটি কবিতা

    ব্যক্তিগত ভেবেছিলুম যাব মঞ্জুমালা এসে জানলা খুলে দিল।যেন মৃত্যু বেরিয়ে গেল ঘর থেকে। তারপর সন্তুর বিয়েনানারকম রান্নার গন্ধখেয়ে উঠে বেরোতেই সায়ন্তনীর সঙ্গে দেখা: সায়ন্তনী শব্দহীন :যেন ভিনরাজ্যের ঝিলম নদীর বাঁক,আর শিল্পিতা?অনেকদিন আগের ট্রেন ছেড়ে যাওয়া প্ল্যাটফর্ম এখানে এক পা– ওখানে এক পাঘরে ঢুকিজানলা খোলাদেখি– আবার মৃত্যু ঢুকেছে ঘরে… এই বয়সে আর মশারি খাটাতে ভাল্লাগে না!…

  • শায়েরী চক্রবর্তীর পাঁচটি কবিতা

    ঈশ্বরী নক্ষত্র দহনে অনুশোচনা উল্লাস হয়ে ওঠে যে দেবীর কাছে হাত পাতলে রাত পাওয়া যায় সে কোনো মানবীদেহ জুড়ে যার গোলাপি আয়োজন মিহি সন্ধের গায়ে জং ধরেছেধ্বংসের ভেতরেও শোনা যায় শঙ্খের সুর পেরোনো আলপথেযদি শুশ্রূষার বিষ ঢেলে যায় কেউ… কোনো দেবী ক্ষয়িত চেতনার পঙ্‌ক্তি পথ হারিয়ে জন্মের প্রলাপ যাপনে এ গলি সে গলি থেকে ভেসে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *