Similar Posts
হারিয়েছে মেয়েবেলা – দেবব্রত মাইতি
মিথ্যা প্রলোভনে পা দিয়েছিল শিশুমন বিশ্বাস অবিশ্বাসের দেওয়াল গড়ে ওঠেনি তখনও কুস্পর্শ সুস্পর্শ শালীনতা অশালীনতা বুঝে…
অয়ন ঘোষের পাঁচটি কবিতা
মহাকাব্য স্বরবর্ণের ভোর পেরিয়ে মুখ রেখেছে আগুনে পাঁজরের পাশে চোখ উল্টে পড়েবিশ্রাম। ক্ষতের ওপর বিশল্যকরণী প্রলেপমৃত্যুবাণ রাখা আছে গোপন দেরাজে।রোজ ডিঙিয়ে যাও এঁটো শরীরপোড়া আঙরার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়েবাসি মরা। এক তৃণভূমি তছনছ করে অন্য ঘাটে সোহাগ খোঁজেবেদের চুবড়ি। অস্থি বিসর্জন। মাংসের বল্মীকে মন রাখলেএকটা শ্লোকও দেবতার চরণ পায় না, রসিক। মানুষ সুতোর ভিতর বুনন ছিল…
রবীন্দ্রজয়ন্তীতে – সায়র ব্যানার্জী
বাসন্তী রঙের পাড়। ঝর্ণার মতো খোলা চুল। রবীন্দ্রভারতী বা শান্তিনিকেতনের পাতাঝরা কোনো রাস্তায় তুমি হেঁটে যাও.. তোমার দিকে উড়ে আসে আবিরের মত প্রেমপ্রস্তাব ছিটকে এসে লাগে মুখে গায়ে- আর ছবি-যুবক শাটার নামায়। চারিদিকে কত কোলাহল, এভাবে কী কাছে পাওয়া যায়! তবু যেন মনে হয় এক চিলতে লাল রঙ আমি ওই সিঁথির তলায়।
হলুদ গাঁদার ফুল – তুলসীদাস ভট্টাচার্য
সবুজ ছায়ার নীচে হলুদ পৃথিবী দেখিনি তো আগে কোথাও হলুদ বৈভবে চাঁদও সরে গেছে পৃথিবী থেকে অনেক দূরে একাকীত্বের জালে বেঁধে রাখা সময় দীর্ঘায়িত হতে হতে হলুদ গাঁদা ফুলে জমা রাখি বেদনার বীজ ।
রক্তিম সূর্য মণ্ডলের পাঁচটি কবিতা
১. অভিমানী চূড়া থেকে পাদদেশে নেমে আসে সবজি-বাগান।তার পর পরই আলোর কৌটোয় গুঁড়ো দুধ রাখতে শেখা।নিয়মিত চা বানাইসময়ে, অসময়ে;খিদে মরে, ভাত ফেলা যায়।মা দেখলে হাতে মেখে জোর করে খাওয়াতেন,আমি গিলতে থাকতাম ভাত, থালা, হাঁড়ি, উনুন…মা বলতেন, “আর একটু আনি?”—আনবে? অল্প কিন্তু, এক্কেবারে একমুঠো,তোমার তালুতে যা ধরে। ২. আমরা শ্রাবণ মাসে ফুল তুলিনি একটাওলুকিয়ে আছি,আশ্বিন আসুক।এই…
বাংলা ভাষার প্রতি – অতনু ভট্টাচার্য
ভালোবাসা নেই, যে কারণে নেই, খুঁজে পাও যদি তুমি, থাকবে চোখটি বুজে? মধুসূদনের, আর্তি মনে কি পড়ে? বাঙালির মন যে ভাষার ঠোঁটে নড়ে তাকে অবহেলা— রক্ত ঝরছে দেখো— বাংলার মুখ! তুমি তো ভাবছ— তো! অবক্ষয়িতের, ভেসে যাওয়া সেই গতি— পরিচয়হীন, আত্মহত্যা, রতি আর কী বলব— কী আর বলার আছে, মায়ের ভাষার গভীরে আলোটি আছে… সেই…

