Similar Posts
ছদ্ম বৈপ্লবিক – অহিন্দ্রিলা মুখার্জ্জী
চতুর্দিকে চাপ চাপ রক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে মিত্রপক্ষ নাম দিয়েছে “বিপ্লবের রক্ত”! আর শত্রুপক্ষরা নানা নামে অলংকৃত করে চলেছে। বুদ্ধিজীবীরা স্ক্রিপ্ট হাতে তৈরী ক্যামেরার সামনে বসতে। প্রশ্ন করলাম তাকে “আমাকে একটু বুঝিয়ে দেবেন, একটি দুবছরের কোমল শরীরের রক্ত বিপ্লবকে ঠিক কতখানি সাফল্য মন্ডিত করবে??” অথবা ওই রাস্তার মোড়ের চা এর দোকানের দিদিমার রক্ত কতটা এগিয়ে দেবে…
ভারতীয় মে দিবস – অমিতাভ গুপ্ত
হে মার্কেটে মিলিত প্রাণ জ্বালিয়ে ধরেছে দীপ্ত গান। জাগো শ্রমিক জাগো কিষাণ এই ভারতের সব শ্মশান। পূর্ণ হোক ফসলে আর ধন্য হোক শেষ অশোক। আজ কৃষকের প্রতিবাদ আর প্রতিজ্ঞা নিয়ে মে দিবসের রুদ্র দীপকে জাগো ঝংকার, জাগো ঝংকার।
নিম্ফোমেনিয়াক , খোঁজাখুঁজি – জহিরুল ইসলাম
নিম্ফোমেনিয়াক আলো নোখ কেটেছে দাগ গাছেরা নিম্ফোমেনিয়াক সূর্যের কাছে খুলে দেয় রোজ গহনগোপন। দেখো, দেখো কী অশ্লীল! যুবতী পাতাগুলো চুমুক দিয়ে খায় আলোর ক্লোরোফিল। হলিসউড, নিউইয়র্ক।২৭জানুয়ারী২০১৮। খোঁজাখুঁজি অন্ধকারে পা বাড়ালাম, শব্দ হলো আস্তে লুকিয়ে রাখা ড্রয়ারখানি খুলে হাত রেখেছি রাতের নাভিমূলে আলোর নীচে অমন করে গোপন খুলে হাসতে? …
মন কেমনের দিনে – পাগলা গুঁফো
কত কি মনে পড়ে এমন মন কেমনের দিনে। কত কি ?টাপুর টুপুর বৃষ্টি পরে কাঁঠাল পাতায়। জানলার ফাঁক দিয়ে বাড়িয়ে দেওয়া হাতে জলের ছাট। মোবাইলে তোলা সেই বৃষ্টি ভেজা পাতা। এই তো সেই সেদিনের কথা। জানলায় বসে একমনে দেখতাম কাঁঠাল গাছের ভিজে পাতাগুলো। আজ সেই গাছটা নেই জানো। কাটা পড়ে গেছে। আজ বৃষ্টি র ছাটে…
অচেনা – অনিন্দিতা সেন
গভীর জংগল দেখেছ কখনো? গাছেরাও একা নয়, ওরা কথা বলে নিজেদের ভেতর উজাড় করে সবটুকু, শনশন বাতাসে ভাসে ওদের অনুভূতি, মাছেরাও তীব্র রোমান্সে কাছে আসে নদীর জলে পাড়ে ভেসে ভেসে আসে শীৎকার। মানুষ কিন্তু একা, এক্কেবারে একা। কখনো পুরোন না হওয়া ইতিহাস বসন্ত পলাশের গন্ধ মাখে, উতলা শ্রাবণকে বুকে নিয়ে পাগল হাওয়া চেনায় পথটুকু ফিরে…
মাতৃত্বের হাওয়া – সেলিম মণ্ডল
অনেকটা ঘুমের ভিতর তুমি বড় হয়ে গেছ স্বপ্নে এখন ফড়িং আসে ফড়িংয়ের হাঁটুতে কান থাকে আমি সেই হাঁটুতে চোখ রেখে শুনি বড় হওয়ার গল্প গল্প তুমি এখনও স্তন টিপে টিপে পান করছ মাতৃত্বের হাওয়া

