Similar Posts
প্রবাসী বন্ধুকে লেখা চিঠি – পিনাকী চট্টোপাধ্যায়
সে দেশে কাশ নেই, নেই ছাতিম গন্ধ দিন আছে পরিযায়ী মন, একলা উদাসীন। সে দেশে শরৎ নেই, তবুও শারদীয়া দু’চারটে পুজো সংখ্যা, সাথে নস্টালজিয়া। তোমার মতই আছে আরও এমন কিছু লোক আগমনী সুরে সুরে প্রবাস ও কলকাতা হোক। তোমার অঞ্জলি হোক বিশুদ্ধ পঞ্জিকা মতে পুজোয় সন্ধি করি চেনা পলে বাঁধা গতে। উৎসবের গন্ডি নেই, স্কাইপে…
মন কেমনের দিনে – পাগলা গুঁফো
কত কি মনে পড়ে এমন মন কেমনের দিনে। কত কি ?টাপুর টুপুর বৃষ্টি পরে কাঁঠাল পাতায়। জানলার ফাঁক দিয়ে বাড়িয়ে দেওয়া হাতে জলের ছাট। মোবাইলে তোলা সেই বৃষ্টি ভেজা পাতা। এই তো সেই সেদিনের কথা। জানলায় বসে একমনে দেখতাম কাঁঠাল গাছের ভিজে পাতাগুলো। আজ সেই গাছটা নেই জানো। কাটা পড়ে গেছে। আজ বৃষ্টি র ছাটে…
কস্তুরী সেনের পাঁচটি কবিতা
শুরু নারাণ মুখোপাধ্যায় থেকে শুরু হল এই বর্ষাকাল,যূথী নাই জাতী নাই, প্রতীতি কি হবে?প্রতীতি, শব্দের মানে সহাস্য কুসুম।ঘন রাস্তা লোক ভিড় নতুন ফলের গন্ধ সঙ্গে নিয়ে বর্ষা এল সন্ধে সন্ধে,‘একটি কবিতা চাই’ বর্ষা এল শিয়ালদাবাজারবেঁটে ছাতা ত্রিশ টাকা দরদামে চমৎকার খুশি হয়ে লাফিয়ে ধরেছ যে রানিংয়ের ট্রেন,তোমাকে শোনাই এসো গ্বালিবের প্রেমিকাটি বাঙ্গালিনী ছিল এ প্রবাদ…
অন্তজা – শুভদীপ রায়
শেষ পর্যন্ত তোমার কাছেই ফিরে আসি- বারবার, ক্ষতবিক্ষত অন্তঃকরনের কোনো নিরাময় তুমি জাননা- আমি জানি, তবু অহংকারের সামনে বারবার হেরে যাওয়া অসহায়, ঠিক তোমার মতোই, খেয়াল করি – তোমার পায়ের নুপুর , শিকল হয়ে কামড়ে ধরেছে, রক্ত ঝরছে , তবু তুমি নেচে চলেছ যমরাজের বুকের উপর, তোমার লখিন্দরকে বাঁচাতে,……. কিন্তু আমি পারি নি , ভরা…
অভিনন্দন মুখোপাধ্যায়ের গুচ্ছ কবিতা
লাল চাঁদ অথবা লাল পৃথিবীর কবিতা ১.কোনো এক ভোরেআমাকে গাছের নীচে পুঁতে ফেলো, হে সমাজ।তার উপর ছড়িয়ে দাও তারকাখচিত কিছু গান যে গান মুখে নিয়ে কুলি বস্তি নেমে আসবে পথেযুবকেরা পৌঁছে যাবে অলাতচক্রে ঘেরা রাজসভায়খিদের মুখে দাঁড়িয়েও কাস্তে হেসে উঠবে শনশন করে সেই গান, হে সমাজ, সেই গানতোমাকে উপহার দেব বলে জন্ম থেকে এতদূর এলাম।আমার…
অরূপরতন হালদারের পাঁচটি কবিতা
১ অবদমন বেড়ালের থাবার নীচে উদ্ভূত গানেরপ্রতিটা নিঃশব্দ এঁকেছে আমার দেওয়ালে,আয়নাটি স্বপ্নের শ্বাস মুছে নেয় প্রহরে প্রহরে,তার মকররেখায় ক্লান্ত সূর্য, তবু ভেঙে যাওয়াথেমে আছে লক্ষ্মণরেখায়। পর্দার বিভঙ্গ দেখেতুমি উন্মত্ত হয়েছিলে, ক্ষিপ্ত পতঙ্গের মতো শিসউড়ে গিয়েছিল তোমার গলাবন্ধ থেকে—সেসবদিন আজ ক্লিশিত পানপাত্রে পড়ে আছে, তুমিওনখের রং পাল্টে ফেলেছ কবেই। কমলা ঝরিয়ারসন্ধ্যা ফিরে গেল, এবার শনির থানে…

