Similar Posts
শান্তি চাই – মিঠু নাথ কর্মকার
খেললে তো অনেক রক্তের খেলা, ইতিউতি ছড়ানো শবের মেলা, এনেছো ডেকে অকাল বসন্ত, হিংসার আগুন জ্বলছে অনন্ত, নিয়েছ কেড়ে কতো নিরীহ প্রাণ, অনাথ হয়েছে অগণিত সন্তান, বিবর্ণ করেছ সিঁথি, তোমার দীর্ঘশ্বাসে, মায়ের শূন্য কোল চোখের জলে ভাসে, ভাইকে পাঠিয়েছ অচিন পরপারে, বোনের নিস্ফল আকুতি তোমার দরবারে, মৃত্যুপুরীর শোকের বেদনার্ত হাহাকার, তোমায় কি করে না একটুও…
সম্পাদকীয় : কাশফুল সংখ্যা
শহর জুড়ে তখন প্রস্তুতি চলছিল উৎসবের। আয়োজন শুরু হয়েছিল অবশ্য অনেক আগে থেকেই। গেল বছর প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় হাঁটুজলে দাঁড়িয়ে মোক্ষকামী জনতার দিকে ফিচেল হাসির সাথে অঞ্জলি অঞ্জলি গঙ্গাজল ছিটিয়ে দিয়ে ছেলেটা যেই বলে উঠেছিল ‘আসছে বছর আবার হবে’ অথবা ঢাকির পাওনা চুকিয়ে ক্লাব সেক্রেটারি যখন বললেন ‘সামনের বছর চলে এসো ভাই দলবল নিয়ে’ তখন থেকেই আয়োজন শুরু। তারপর সময় রথের চাকা ঘুরতে ঘুরতে সারা হয় খুঁটিপুজো; মাটি লেপা হয় কাঠামোয়; বায়না দেওয়া হয় কুমোরপাড়ায়; প্রতিমার সাজ নিয়ে সান্ধ্য জটলা বসে।
ঘোলাটে মায়া – আকাশ সাহা
ঘষা কাচে গুমোট অন্ধকারের মাঝে, মুখ রাখি পড়ন্ত বেলায় আমার নির্ভেজাল হৃদয়ের শার্সিতে কখনও বা হাত রাখি জানালার শিকলে , কখন আবার ঘোলাটে জীবনের প্রেমহীন অনুকম্পায় হেটে চলি একমুঠো ঝড়ের আশায় জানি আমি, জানালার ওপারে, ঘোলাটে ঘষা কাচের ওপ্রান্তে পৃথিবীর আর একটা রূপ ওপর হাতে আমার জন্য, সন্ত্রাস,হানাহানি,বিস্বাসঘাতকতা.অরাজনৈতিকতা প্রেমহীন মানবত্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে. তার আলোকরাশিতে,…
তৌফিক জায়েদ ও সামি আল-কাসেমের কবিতা তর্জমা: সোহেল ইসলাম
[তৌফিক জায়েদ: প্যালেস্তানীয় নেতা, কবি, সক্রিয় বামপন্থী কর্মী, নাজারেথের মেয়র এবং সমাজ আন্দোলের সঙ্গে যুক্ত তৌফিক জায়েদের জন্ম ১৯২৯ সালের ৭ মে প্যালেস্তাইনের নাজারেথে। চার ভাইবোনের সঙ্গে বেড়ে ওঠা জায়েদের পড়াশোনা শুরু হয় নাজারেথ সরকারি বিদ্যালয় থেকে। মাধ্যমিকে পড়ার সময়ই জায়েদ রাজনীতিতে আগ্রহী হয়ে পড়েন। ব্রিটিশদের ইহুদিপ্রেম এবং প্যালেস্তাইন দখল জায়েদের শৈশবকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করে।…
আবার বৃষ্টি এসেছে নেমে – দেবব্রত মাইতি
আবার বৃষ্টি এসেছে নেমে আমার ব্যস্ত শহরের বুকে আমি জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছি হাত বাড়িয়ে মেখে নিচ্ছি জলক্ণার ভিজে ভাব কেমন আছো কি করছো সবাই…
দুটি কবিতা – মহাদেবাশা
বাতাসে লতিয়ে ওঠা ঢেউ বাতাসে ঝড় উঠেছে, তুমি কুড়িয়ে রেখেছো নদী,তোমার & চাওয়া পাওয়ার সিঁড়িগুলো ছোটো হতে হতে দূরবীণ হয়ে উঠেছে, রাস্তার ঘরে ঘাসফুলের মলাট, ঘ্রাণে ঘ্রাণে ভরে যাচ্ছে আঁচল, আয়না হয়ে উঠেছে টিপ, একেই সংস্কার বলি, আর চোখকে নদী, বারান্দায় অনায়াসে পৌঁছে যায় রোদ, রোদের পেয়ালায় চুমুক উঠে ঘোড়ার, এসময় অন্ধকারে মেঘ উঠে, গম্বুজ…

