Similar Posts
সুবর্ণ ঘুমাও – বাসুদেব মণ্ডল
ঘুমাও প্রিয় মেঘ অ, আ আমি তোমার ব্যথার পাশে বসে আছি দেখো। মণিপুরী নৃত্যের মতো আমার মন-ময়ূরটা মেঘের কিনারে নেচে যাচ্ছে, সুবর্ণ ভাবনাগুলো তোমাকে ঘিরে নেচে ওঠে ঘুঙুরের মতো সুবর্ণ; তুমি আমার হৃৎপিণ্ডের বারান্দা জুড়ে বসে আছ। কেয়ারি ফুলের ডালা হাতে ঘুমাও সুবর্ণ ক, খ আমি পাশে ব’সে বেহালায় বো বোলাচ্ছি!
বন্ধনী – মোহর ব্যানার্জী
মাতৃস্তন্য পান করা শিশুর ছবি দেখে যুগল ভ্রু হয় কি কুন্চিত? অথচ জামা পিছলে গিয়ে অন্তর্বাস দিলে উঁকি সমাজ শঙ্কিত । “সুডৌল বুকের অধিকারী হবার”বিজ্ঞাপনের ছবি …
সাহিত্যাকাশে নারী জ্যোতিষ্ক- আশাপূর্না দেবী-সুনন্দ মন্ডল
চিরকালের বাঙালি মধ্যবিত্ত সমাজের স্নেহ-প্রেম ও দুঃখময় জীবনকে যিনি বাংলা সাহিত্যে পরিস্ফুট করেছেন–তিনি আশাপূর্না দেবী। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় লেখিকা। রক্ষণশীল সমাজে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তৎকালীন(১৯০৯) পুরুষশাসিত সমাজে নারীদের স্বাধীনতা ছিলনা স্কুল-কলেজে পড়ার। সেই রক্ষণশীল পরিবারেই তাঁর বিয়ে হয়। পুরুষশাসিত সমাজ-সংসারে চার দেয়ালের মধ্যে বন্ধ থেকেও, এমনকি বাইরে ঘুরে ঘুরে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় না করেও…
স্বপ্নের কশেরুকা – অর্ণব সাহার গুচ্ছ কবিতা
১ব্যথার প্রদীপে জ্বলা আলোঅন্ধ ভূত-চতুর্দশী। রাতউড়ালপুলের নীচে থামে…নিঃসঙ্গ। একাকী সম্রাট ট্যাক্সির দরজা খুলে নামেঠোঁটে নীল চুম্বনের বিষ! যদি সে কখনও ফিরে আসেঅপমান ফেলে রেখে যায়তার দেখা মেলে না চৌকাঠেতালাবন্ধ প্রত্যেক দরজায়! সে আসে। রক্তের আলগা স্রোতেবারবার আগুন জ্বালাতে… ২ময়দানের পাশ দিয়ে হেঁটে যায় প্রৌঢ় ও যুবতী।যে প্রেম আগেও ছিল, আজও একই গন্তব্যহীনঠিকানা খুঁজে পাবার আগে…
অতনু চট্টোপাধ্যায়ের পাঁচটি কবিতা
অবলোকন বিজ্ঞানমেলায় প্লাস্টিকের ছাউনিতে বসে পূর্ণাঙ্গ আকাশ, তারকাখচিত মণ্ডল, টরাস, ক্যাসিওপিয়া… সমুদ্র প্রাচীন এক ভয়ে খুব সন্তর্পনে হাঁটু অব্দি সবেমাত্র নেমেছি, কে যেন বলে উঠলো – “দেখো, দেখছে তোমাকে।” অস্পষ্ট সঞ্চালিকার গলা -কিশোরীর, অন্ধকারে একটা শিশু কেঁদে উঠলো , ‘ বিলয় ‘ শব্দটা তখনই হটাৎ মাথায় আসে। যে অশ্রুপুঞ্জ মেঘ হয়ে এতদিন থমথমে করে রেখেছিল…
জঙ্গলের মধ্যে আমার ঘর – রাজীব চক্রবর্ত্তী
জঙ্গলের মধ্যে আমার ঘর। রাতে হানা দেয় শ্বাপদেরা, লুন্ঠিত ক্ষুধান্ন, লন্ডভন্ড গৃহস্থালী। প্রতিদিন, একটু আগুন, মুষ্টিবদ্ধ হাতের আস্ফালন আর প্রত্যয়ের আঁচে মুছে যায় অমানিশার অন্ধকার। প্রতিরোধের লড়াইয়ে ক্লান্ত আমি। তবু সারাদিন কাঠঠোকরার ঠুক ঠুক, ক্লান্ত দুপুরে কোকিলের গান, বসন্তে পলাশ শিমুলে রঙের আগুন নিয়ে আসে নতুন উদ্যম। জঙ্গলের মধ্যে আমার ঘর। পলাশ শিমুল কখন যেন…

