|

গৌরব চক্রবর্তীর কবিতা

শেয়ার করুন

গৌরব চক্রবর্তী
১৭-০২-২০১৯

আমার নিজস্ব ভাষা আসলে বেদনা
এ ভাষায় আমি বেশ কেঁদে নিতে পারি
এই ভাষাতেই রোজ গুলি খাই, মরি
মৃত্যুর পবিত্র ভাগ কাউকে দেব না

প্রকাশ্য শব্দে তো নয় পরোক্ষ অক্ষরে
নিতান্ত অপ্রেমে নয় নিয়তি তাড়িত
তবুও কাঙাল– এই ভাষাতেই প্রীত
ভাষাকে চুম্বন করি ওষ্ঠে ও অধরে

রাজপথ দিয়ে হেঁটে যেই ভাষা যায়
আর যে ভাষাটা ফুটপাতে থাকে পড়ে
যে ভাষা ঘুমিয়ে থাকে ভাঙা কুঁড়েঘরে
অথবা প্রাসাদে, কাব্যে, সীমান্তে গড়ায়

বাংলায় লিখি, কাঁদি, খাই, বেঁচে থাকি
সবলে সদলে মরি অথবা একাকী

শেয়ার করুন

Similar Posts

  • ছায়ারা তোমার কাছে – দ্বিজেন্দ্র ভৌমিক

    ১ সময় কি মৃত? বিষণ্ণ প্রহর থেকে জেগে ওঠে স্তব। সময় রেখেছে শূন্য প্রহরের যাপনসম্ভব · নেমে আসে ঘুম। নেমে স্মৃতিরা স্থবির জড়াল পাখিটি— ডানা— ভাসমান জলে— উথলে পড়েছে মদ : ভিতরে বাহির · বিশুষ্ক প্রান্তর আর ধূ ধূ বালিয়াড়ি জনশূন্য; শুষে নেয় আলোকে স্থূল কৃষ্ণগহ্বর। পিছনে ধাবিত পুচ্ছ : নিজেকে হারায় ২ মৃতেরা আড়াল…

  • সৌমাল্য গরাই-এর পাঁচটি কবিতা

    চক্রব্যূহ ১. বিসর্গ ফুটেছে যেন পাশাপাশি রাখা দুটি চোখসীমান্ত পেরিয়ে এসেছে যে আলোদূততাকে তুমি কোন্ মৃত্যু দেবে? শিয়রে নদীর শ্বাস, বটবৃক্ষ মূলেশুনেছি শুঁয়োর গায়ে কাঁটা ফুলের নিশ্বাসেপ্রজাপতি হয়, তেমনই দেখেছিবীজপত্র ফেটে বের হয় অতল শিকড়এইসব ক্ষুদ্র তুচ্ছ প্রাণ তোমাকে প্রণামকরি করজোড়ে। জেনে রেখোআদতে মানুষ মাছ, গর্ভজলে সাঁতার পেরিয়েএসেছে ডাঙার কাছে কালচক্রপাকে ২. বিস্ময়ের পাশে বসি,…

  • অর্ণব রায়ের গুচ্ছ কবিতা

    আমাদের কান্না একফসলী জমি আর যে যার শষ্য তুলে নিয়ে ঘরে চলে গেছে ১/   আর একটু ভালোবাসা পেলে হয়তো বেঁচে যেতাম। যেন পৃথিবীর আর কেউ নেই। দেশে খেতে বসার আকাল লেগেছে। এত এত প্রার্থনার ভার। কেউ জগতের হেঁশেল উঠিয়ে নিয়ে চলে গেছে অবেলায়। সে একা, থরথর কাঁপতে কাঁপতে ছুটছে। তার কক্ষপথপিছলে যাচ্ছে। পৃথিবীপৃথিবীর মনে…

  • দুটি কবিতা – মহাদেবাশা

    বাতাসে লতিয়ে ওঠা ঢেউ বাতাসে ঝড় উঠেছে, তুমি কুড়িয়ে রেখেছো নদী,তোমার & চাওয়া পাওয়ার সিঁড়িগুলো ছোটো হতে হতে দূরবীণ হয়ে উঠেছে, রাস্তার ঘরে ঘাসফুলের মলাট, ঘ্রাণে ঘ্রাণে ভরে যাচ্ছে আঁচল, আয়না হয়ে উঠেছে টিপ, একেই সংস্কার বলি, আর চোখকে নদী, বারান্দায় অনায়াসে পৌঁছে যায় রোদ, রোদের পেয়ালায় চুমুক উঠে ঘোড়ার, এসময় অন্ধকারে মেঘ উঠে, গম্বুজ…

  • বালুচর – অনিন্দিতা মিত্র

    ধূ ধূ বালুচর জুড়ে শুধুই স্বপ্নীল কাব্যময়তার আবেশ। পিছুটানহীন সম্পর্কেরা নিঃশব্দে কথা কয় গভীর রাতে। জোছনার জলে স্নাত স্বপ্নগুলো আঁকড়ে ধরতে চায় যন্ত্রণাকে। ছাতিমের রেণু মেখে অভিমানগুলো খুঁজে চলে নিশ্চিত উষ্ণ বুক, রূপকাথারা নীল মেঘের সিঁড়ি বেয়ে মিশে গেছে অচেনা দিকশূন্যপুরে।মেঠোপথের করুণ সুর পাখির ডানায় ভর করে উড়ে যায় সাগরের পথে, মিলতে চায় ভায়োলিনের হৃদয়তন্ত্রীতে।…

  • ঘর – অয়ন চৌধুরী

    শরীর ছুঁয়েছে অদম্য বিষ রাত্রির কিনারে এক একটি খোলা ভেঙেছে জ্যোৎস্নার মতো যেটুকু পর্ণমোচী বিকেল লুকোনো ছিল একান্ত নিঃস্তব্ধতায় কখন যেন বছর পেরিয়ে হারিয়ে গেল জীর্ণতায়! বুকের উপর যে দুটি শালুক সান্ধ্য-কোলাজে আজ না-হয় বৃষ্টি নামুক একটা ঘর সাজুক মোমবাতিতে না কোনও শোকের সিম্ফনিতে যে ঘরের প্রথম ও শেষ একটা সমুদ্রের বুকের মতো ধরে থাকবে…

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *