সীমান্ত – সৌরভ দাস
সীমান্তের দিকে..
দেবদাস আচার্যর কবিতা প্রাণ-গঙ্গা এত প্রাণচারিদিকে বিন্দু বিন্দু সহস্র প্রাণচিনি বা না চিনিদেখিঝরে পড়ছে যুগ যুগ ধরে ক্রমাগতযেন বৃষ্টি ঝরে অবিরত প্রাণের ভিতরে আমি আত্মহারাপ্রাণ প্রবাহে ডুবেস্নান করি অনন্ত অসংখ্য বিদ্যুৎ কণিকারছুটন্ত ভাসমান ঢেউপ্রণম্য প্রভুমৃত্যুমৃত্যু পরম শক্তিমান ও অমরতোমার পুচ্ছের গতিময় তারকাগুলিরঢেউজীবনকে ধারণ ও বহন করে করেনিত্য ধাবমান। গৌতম চৌধুরীর কবিতা নিঃসঙ্গ কাফেলা ১. অমোঘ…
শরীর ছুঁয়েছে অদম্য বিষ রাত্রির কিনারে এক একটি খোলা ভেঙেছে জ্যোৎস্নার মতো যেটুকু পর্ণমোচী বিকেল লুকোনো ছিল একান্ত নিঃস্তব্ধতায় কখন যেন বছর পেরিয়ে হারিয়ে গেল জীর্ণতায়! বুকের উপর যে দুটি শালুক সান্ধ্য-কোলাজে আজ না-হয় বৃষ্টি নামুক একটা ঘর সাজুক মোমবাতিতে না কোনও শোকের সিম্ফনিতে যে ঘরের প্রথম ও শেষ একটা সমুদ্রের বুকের মতো ধরে থাকবে…
লাল চাঁদ অথবা লাল পৃথিবীর কবিতা ১.কোনো এক ভোরেআমাকে গাছের নীচে পুঁতে ফেলো, হে সমাজ।তার উপর ছড়িয়ে দাও তারকাখচিত কিছু গান যে গান মুখে নিয়ে কুলি বস্তি নেমে আসবে পথেযুবকেরা পৌঁছে যাবে অলাতচক্রে ঘেরা রাজসভায়খিদের মুখে দাঁড়িয়েও কাস্তে হেসে উঠবে শনশন করে সেই গান, হে সমাজ, সেই গানতোমাকে উপহার দেব বলে জন্ম থেকে এতদূর এলাম।আমার…
সব আগুনের একটা চকমকি লাগে। সে তুষের ধিকিধিকিই হোক, বা দাবানলের দাউ দাউ। কে জ্বলে ছাই হবে, আর কে হবে চিরদীপ্যমান, সেই দহনের বিস্তারের বহু আগে, অন্ধকারে লুকিয়ে থাকে চকমকিদের গল্প। ইতিহাস সাক্ষী, চিরভাস্বর রবিরও একজন কাদম্বরীর প্রয়োজন হয়েছিলো। সব সোনার একটা কষ্টিপাথর লাগে। যাতে ঘষে দেখতে হয়, আর কত পুড়ে গেলে নিখাদ সোনা পাওয়া…
মৃত জ্যোৎস্নায় ১। ঘুমের ভিতরে কোনো এক যুগের ঘোড়া-হরিণের ঘাস ভরে ওঠে কোনো এক ঘুমের ভিতরে; জ্বলন্ত আগুনে আমরা হাঁটতে এসেছি আঁকতে শিখেছি নক্ষত্রের ঘর; যেখানে বাঘ আর বুনো মহিষের পরিভাষা আলাদা হয় তবুও ঘুম ভেঙে গেলে—উঠে দেখি, মৃত নক্ষত্রের মাটিতে আমাদের বিছানা ভরে গেছে। ২। শব্দ শব্দের পাশে বসে রৌদ্র পোহায় অক্ষরে লেগে থাকে…
সব কটি পর্ব পড়তে উপরের একটি মেরাজের রাত্রে ঘুমিয়েছি ট্যাগে ক্লিক করুন। প্রত্যাবর্তন পর্ব ১১০.কারখানা শ্রমিক পাভেল রাশিয়ায়ওদিকে চে গেভারা ফিদেল কিউবায় লেনিন গোর্কি বা মায়াকোভস্কিরকোথাও দেখা নেই স্বর্গ নরকের কোথায় রাখা যাবে বুঝে না দেবদূততাই তো কবরেই পড়ছে মেঘদূত লোকের বুকে বুকে বিপ্লবীর ঠাঁই ১১১.ভোরের আলো খুব হালকা ফুটেছিলপাখায় বোররাক অনেক গতি দিল গতি…