Similar Posts
ইউনিক মেনিয়া – ফারজানা মণি
সান্ত্বনা ছিলো রিবনের গোড়ায় ব্যাঙের ছাতা ছুঁয়ে এক ফোঁটা বরফগলা চোখ।ত্রিভুজ মেনিয়ায় কারো আত্মসমর্পণ সেতুর কাছে এক সারি নৌকা।আলোক পিদিমে পুড়ে যায় লাইফবোট গন্তব্য।কারো কম্বলের কোণায় বিবর্ণ ঘটনা – যেন কেউ ঘুমিয়ে আছে দোতলা সিঁড়িপথে জোড়াপুকুরের চাঁদ কেটে দেওয়া মধ্যরাত।রেখাবিন্দু আচ্ছন্নতার অবসর।গর্ভে বেড়ে উঠছে অণুজীব শূন্যতা।
ছদ্ম বৈপ্লবিক – অহিন্দ্রিলা মুখার্জ্জী
চতুর্দিকে চাপ চাপ রক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে মিত্রপক্ষ নাম দিয়েছে “বিপ্লবের রক্ত”! আর শত্রুপক্ষরা নানা নামে অলংকৃত করে চলেছে। বুদ্ধিজীবীরা স্ক্রিপ্ট হাতে তৈরী ক্যামেরার সামনে বসতে। প্রশ্ন করলাম তাকে “আমাকে একটু বুঝিয়ে দেবেন, একটি দুবছরের কোমল শরীরের রক্ত বিপ্লবকে ঠিক কতখানি সাফল্য মন্ডিত করবে??” অথবা ওই রাস্তার মোড়ের চা এর দোকানের দিদিমার রক্ত কতটা এগিয়ে দেবে…
প্রেম দাও প্রকৃতি – অনিন্দিতা মিত্র
একটু রোদ আনো স্যাঁতস্যাঁতে চোখ আর মনের খাঁজে জমেছে দুঃখবিলাসী ফাংগাস জীবানুনাশক রোদে আহুতি দেবো প্রাগৈতিহাসিক বিরহের ফসিলস্ ডানা ঠিক খুঁজে নেবে আকাশ শুধু ওড়ার প্রত্যয়টুকু পৌঁছে দিও ওদের কানে বহুকাল স্থবিরতার সাথে করেছে যারা দাম্পত্যযাপন চোখে স্বপ্ন এঁকে দিতে হবেনা স্বপ্ন দেখার সাহসটা শুধু দিও রক্তজালিকারা সে সাহস পৌঁছে দেবে বুকের বামকুঠুরিতে আর হ্যাঁ,…
একলা নারী – সোহিনী সামন্ত
ধ্রুবতারার জ্বলজ্বলে অনুভূতিতে লক্ষ্যভেদের ব্যাপক আশা, পথের মোড়ে একলা হেঁটে চলার বিশেষ অভিধান , উন্মুক্ত করে পাখির মতন স্বাধীন অভিব্যক্তির অক্লান্ত নেশা…… স্যাঁতস্যাঁতে চৌরাস্তায় , কাঁকড় বিস্মৃত লালমাটি………… শত্রুর দামামা বাজে বকুলের অসহায়তায় …… দুর্বহ পথে একলা নারীর গৌরবের জয়গান, মুগ্ধ পলাশ ছুঁয়ে যায় একান্ত স্বাধীনতায়……।।
রঘু জাগুলীয়ার গুচ্ছ কবিতা
দিগন্ত প্রার্থনালয় ১ বাতাস এসেছে কাছে কাঁপা কাঁপা গলায়কি অভিযোগ তার, বলে না কিছুই।তবু হৃদয়ে তলিয়ে যাচ্ছে সূর্যাস্তে লেগে থাকানদীর তটভূমি, সংলগ্ন কোমল রোদমেঘে মেঘে বেগুনিরঙা আচ্ছাদন— আমি তো ত্রিভুবনে প্রার্থনালয় চেয়েছি এমনি— ফুলের মালা হয়ে জোনাকিরাছুঁয়ে যাবে দেবীর চরণতল;আর রাত্রির কুঞ্জবন হতে পৃথিবীর দিকেশিশুর মতো নিরালা মুখে হাতছানি দেবে চাঁদ, অথচ যেদিকে করজোড়ে দাঁড়াইবাতাসে-ধুলোয়…
আমরা সক্রেটিস হব – স্বাগতা সিংহরায়
সক্রেটিস একদিন আলো হারিয়েছিলেন। দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মানুষটি দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন বন্দী; আদতে তিনি উপভোগ করতে চাননি- দেশীয় বিদেশীয় প্রহসন। দ্বন্ধময় চলার পথে ছিলনা রাজনৈতিক সংশয়- ছিল শিক্ষালোভী আনন্দ, আগুন মেপে খাওয়া। সময়ের দিকপরিবর্তন জানিয়েছিল তাকে- ” গ্লোবাল ওয়ার্মিং” সুযোগ হারাননি তিনি; বেছে নিয়েছিলেন অন্ধকারময় আলোর পথ।

