| |

উন্মত্ততা – ঐন্দ্রিলা মহিন্তা

শেয়ার করুন

পৃথিবী যখন উন্মাদ-কেন্দ্রীয় উল্কা বলয় ,
সমস্ত তার গুটিয়ে স্পর্শক-বরাবর তুমি
মহাশূণ্যে আছড়ে পড়েছো !
হাত-পা চিরে লালচে স্রোতের মাথায়
বন্দুকধারী জওয়ান — ধর্ম না জানায়
একগুচ্ছ হেমলক মুখে গুঁজে দেয় ।
নীলচে বৃত্ত সারা শরীরে
আলতা ঢেলে স্নান সেরেছে ; পতাকারা
গলা অবধি ডুবে পায়ে ধরে শ্বাস-ভিক্ষে করে ।
ক্লিশেড শরীরেও ধর্ম , জাতি মুখে অ্যাসিড
ছোঁড়ে ! বাতি নেভানো ঘরে —
একদল যুবা বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণের যজ্ঞ করে চলে ॥

শেয়ার করুন

Similar Posts

  • নিদাঘবেলা – শিবানী

    (১) শোকের ওপর রোদ এসে পড়ে, ঝিকমিকিয়ে ওঠে অশ্রু-ঘাম… ধাঁধা লাগা চোখ তখন অলঙ্কারভ্রমে ঈর্ষিত হতে দেখি… দেখি, তপ্ত গ্রীষ্মদুপুর কীভাবে খরতাপে নীরবে পুড়িয়ে চলেছে অ-সুখ, সম্পর্ক… (২) ক্লান্ত দুপুর বেয়ে ভাঙাচোরা সংসারের টুকরো ভরা গাড়ি টেনে নিয়ে চলেছে কপাল থেকে ঘামের ফোঁটা ঝরে পড়ছে খই-এর মতো আর ওর সাথে পিচগলা পথের পিছুটান কাটিয়ে ধ্বংস…

  • |

    কাদম্বরী – আর্যতীর্থ

    সব আগুনের একটা চকমকি লাগে। সে তুষের ধিকিধিকিই হোক, বা দাবানলের দাউ দাউ। কে জ্বলে ছাই হবে, আর কে হবে চিরদীপ্যমান, সেই দহনের বিস্তারের বহু আগে, অন্ধকারে লুকিয়ে থাকে চকমকিদের গল্প। ইতিহাস সাক্ষী, চিরভাস্বর রবিরও একজন কাদম্বরীর প্রয়োজন হয়েছিলো। সব সোনার একটা কষ্টিপাথর লাগে। যাতে ঘষে দেখতে হয়, আর কত পুড়ে গেলে নিখাদ সোনা পাওয়া…

  • মরণলেখ ১ – গৌতম বসু

    আকাশের কাছে আমাদের সাহায্য প্রার্থনামনের পথে-পথে যারা হেঁটেছিমন, খরোস্বী লিপির চিরশয্যা, মন দাবানলদাবানলের পথে যারা হেঁটেছিদূরের দেশ, নিজেকে তুমি কোথায় ফেলে এসেছো ভাবোভাবো, রক্ষাকবচ ভেসে গেছে কোন কূলে থেকে অকূলেমনের পথে-পথে যারা হেঁটেছিরক্ষাকবচ ভেসে গেছে যাদেরশতাব্দীর মতো একনিষ্ঠ যারাসৃষ্টির মতো, লয়ের মতো একামনের পথে-পথে যারা হেঁটেছি বাতাস এখনো শোকগাথা, শোকগাথার বাতাসে এসে দাঁড়ালাম দেহকার্য এখনো…

  • গোপন – ফারজানা মণি

    ১. ঘন সরবরের নীল স্ক্যান্ডাল রাত ফড়িং এর গল্প… টের পাচ্ছি সন্ধ্যায় ডুবে যাওয়া পাতাটা গর্ভবতী ছিলো… সন্তানের মুখ দেখার আগেই চোখ বন্ধ হয়ে গেছে। ২. মৌচাক ভাঙছে।বসতহীন হাজার খানেক পাখা।দিন শেষে আকাশ অন্ধকারে এগুলে কিছু গোপনীয়তার মুখোশ খুলে যায়।

  • |

    মাঙ্গলিক – অমল দাস

    পুত্রের বিয়ে উপলক্ষ্যে বিনয় সেন নিজে পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে পাত্রী দেখে ছিলেন। পাত্রী পছন্দ হতেই সেইমত কন্যার পিতার নির্মল ঘোষের সঙ্গে আলাপ সম্পূর্ণ করে মহা আরম্ভরে বিয়ের আয়োজন করলেন। বিয়ের দিন সব কাজ সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন হলেও ফুলশয্যার সন্ধ্যাকালে প্রচণ্ড বৃষ্টি  নেমে বসে। সে বৃষ্টি যেন থামবার নয়। কেউ কেউ  প্রকৃতির এই বিদ্রোহকে অশনি সঙ্কেত…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *