Similar Posts
৬ ডিসেম্বরের পূর্বাপরে – অমিতাভ গুপ্ত
‘আপনপাঠ’-এর ওয়েবজিনের পূর্ববর্তী সংখ্যায় লিপি-অলিপির ছলে এবং কবিতাযাপনের সূত্রে শারদোৎসবের স্মৃতি উদ্ধারের চেষ্টা করেছিলাম। এবারও রচনাসূচনায় একটু শারদোৎসব ফিরে এল। সে অবশ্য ১৯৯৬ সনের কথা। কেমন ছিল ১৯৯৬ সনের আশ্বিন ঋতুটি? আকাশ কি ছিল স্বভাবত অকলঙ্ক? প্রতিটি কাশফুল ছিল শুভ্র? সদ্য ঘটে যাওয়া (১১ জুলাই) ঘটনার কালো ছায়া কি ছড়িয়ে ছিল না সেবারের সেপ্টেম্বরে? জুলাই…
দেবেশ রায়ের জিন – এণাক্ষী রায়
তিনি নেই। সবে হাতে এসে পৌঁছেছে আমারই লেখা উপন্যাসের পাণ্ডুলিপি। আমারই তো লেখাটা। তবে এত মাস পার হয়ে আবার আমার হাতে এসে পোঁছনোর মানে কী! গত অক্টোবরে সেতুবন্ধন-এ প্রকাশিত হয়েছিল উপন্যাসটি। তাঁদের পত্রিকার বেঁধে দেওয়া শব্দের তুলনায় অনেকটা বড়ো ছিল আমার লেখাটা। সম্পাদক বললেন –যেকোনো একটা জায়গায় শেষ করে দে আমাকে। বই হলে সম্পূর্ণটা প্রকাশ…
নীলাভ নৈঃশব্দ্যের ছায়া – শান্তনু ভট্টাচার্য
কথাটা বলার সময় সে একবাক্যে সেরে নিয়েছিল একটি ভূমিকা: মানুষের প্রাগৈতিহাসিক শরীরতত্ত্বের গহনে কোন্ রহস্যরেণু লুকিয়ে আছে, কে জানে!… ভূমিকার পরে ভগ্নাংশ সময় থেমে, নতুন অনুচ্ছেদের আগে ফাঁক দেওয়াটা ছিল বোধহয় বিষয়ের ভার নির্ধারণ ও সরলীকরণের চেষ্টা। যদিও সে চেষ্টা প্রাথমিক সফলতা পায়নি। আমি তার দিকে তাকিয়ে আছি দেখে সে পুরোনো বাক্যেই বিষয়টা পুনরায় টানটান…
ছায়ানট – সুচেতা বন্দ্যোপাধ্যায়
ভাস্কর চট্টোপাধ্যায়ের আঁকা ছবি যখন প্রথম নজরে আসে, তখন আমার বয়স সাত কি আট। ছবিটা ছিল জানলার পাল্লাসমান, তার নিজেরই একটা পোর্ট্রেট। সজ্ঞান চাহনি, পোড়া ইটের দাগছোপ ধরা মুখ—ছবিটা মুহূর্তে দেখায় আহত মানুষটাকে—নিজের রক্তক্ষরণের প্রতি উদাসীন। মা, তার সহজাত সংস্কারে মামাকে এরকম পৈশাচিক ছবি ঘর থেকে সরিয়ে ফেলতে বলেছিল। আমি শুধু ভাবছিলাম, আঁকিয়ের কথা, কীরকম…
বটপাকুড়ের বিবাহবার্ষিকী – সোহেল ইসলাম
১.সানাই বাজার চার বছর পূর্ণ করেওরাও মানুষের মতো আচরণ শুরু করলসর্প দেবতার থানে ফুল চড়িয়েঘাটে ধুয়ে এল গাছ অবতারের জীবনবারান্দার দড়িতে ঝগড়া মেলে দিলবিছানায় পাতল ফুলআঁকা চাদরকাঁথার চেনা সেলাই না করল না ২.একটা কোটর দরজা হলে কেমন লাগেদেখার জন্যধানের আঁটি বাড়ি ফিরছেতাল কুড়ানোর আনন্দ রওনা দিল বলেরাস্তার ধুলোয় পিছলে পড়ছে দুপুরকচু পাতায় টলটল করছে জলের…



