Similar Posts
চুপ কথা – অনিন্দিতা সেন
চুপ কথা যত গল্প হয়ে ছড়াক কথার মেঘ, মেঘালয়া কথারা চলে দিনের পিছে পিছে, মোহ জড়ানো আবেশ দ্যাখে নির্ভার সে আবেগ আমার আমিকে হারাই যখন ধূপছায়ারই বাঁকে! মনে রাখা সেই রূপকথারই সম্মোহনের ডাক, সব ফেলে দিয়ে ছূট্টে আসা…… বাঁশিওয়ালার হাঁক, উপেক্ষিত আদর তখন জানালার ফাঁকে ফাঁকে হৃদয় যেভাবে বুক পেতে দেয়….. নিরলস ছবি আঁকে।
রাখী দে’র গুচ্ছ কবিতা : পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
১.প্রতিক্রিয়াহীন কথাগুলিকেসাজিয়ে রাখি পার্শ্বরেখা বরাবর,ঘোলা জল এসে ঝাপটা দেয়,দুলকি চালে পাশ কাটিয়ে যাই,জন্ম শেষে না-নেভা দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি। ২.বুকে খই উথলে উঠলেআঁচটুকু কমিয়ে দিই,ফেনার শরীর ঘেঁটে জড়ো করিপাখিটি নীরব জলে সাঁতার কাটে! ৩.ক্ষতটি জেগে আছে,পাড়ময় ফুটে আছে সন্ধির ফুল,একেকটি ফুল তুলে নৈবেদ্য সাজাইচিকণ রোমের মুখ তুলে ধরি,তুমি কথা বলে ওঠো। ৪.যেদিকে বিকেল হাঁটে,সেদিকে পড়ে আছে…
ভারতীয় মে দিবস – অমিতাভ গুপ্ত
হে মার্কেটে মিলিত প্রাণ জ্বালিয়ে ধরেছে দীপ্ত গান। জাগো শ্রমিক জাগো কিষাণ এই ভারতের সব শ্মশান। পূর্ণ হোক ফসলে আর ধন্য হোক শেষ অশোক। আজ কৃষকের প্রতিবাদ আর প্রতিজ্ঞা নিয়ে মে দিবসের রুদ্র দীপকে জাগো ঝংকার, জাগো ঝংকার।
শিবসাগর দেবনাথের পাঁচটি কবিতা
পরমাণু তোমাদেরও হারাবার আগেজেনে রাখি, অনিশ্চয়তা প্রকৃত সামান্য বিষয়সংখ্যালঘু বৃষ্টির ভয়ে যেরকম জলাধার হয় মহাকাশ আমাদের বিনয়-যাজকঅশেষের মাঝে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শেষ হই রোজই —এই জ্ঞান যুগপৎ ভয় ও ভুলের,যেভাবে দেহাতি ভোরদূরোদয় মোরগের ডাক আদায় করেছে …ও বধির স্কুল নিজের ফাটলগুলি কখন-ই বা আলোয় ধরেছি?বোতাম ঘরের তীরে বাড়ন্ত ববিনের সায়যে আমি তস্য বধির, অচিরেই চেয়ে নিতে…
অপারগ – সিদ্ধার্থ সিংহ
বন্যায় সব ভেসে গেছে ক’টা জামাপ্যান্ট ছাড়া কিছুই আনতে পারিনি… ত্রাণের লাইনে দাঁড়িয়ে কথাটা বলেছিল সে। হঠাৎ করে ঘরে আগুন লেগে গেলেকিংবা আচমকা ভূমিকম্প হলেমানুষ কী নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে আসে! কী নিয়ে! ও রকম কোনও দিন যদি আমার জীবনে আসেতা হলে কী কী নেব? কী কী?তার একটা তালিকা তৈরি করে রেখেছিলাম আমি। সেই তালিকার…
ঘূর্ণি – মেঘালয়
কবিতাটা এইভাবে শুরু করা যাক। ধরা যাক, বহুযুগ আগে এখানে একবার সন্ধ্যা হয়েছিল ধরা যাক, বহুযুগ আগে এখানে একদল হাঁস ডানা মেলেছিল ধরা যাক, বহুযুগ আগে এখানে মেঘের তলায় দাঁড়িয়ে আমি এইসব দেখছিলাম– কবিতাটা বোধহয় ঠিক পঞ্চায়েতের মতো হল না– পঞ্চায়েত? পঞ্চায়েত বলতে, ওই তো গো, কয়েকটা বৃক্ষরোপণ মাটি চাপা দিয়ে বাড়ির ক্যাঁদালি পর্যন্ত ঢালাই…

