Similar Posts
অতনু চট্টোপাধ্যায়ের পাঁচটি কবিতা
লেখকের পাঁচটি কবিতা আছে, বিশ্বরূপ, প্রভাত সঙ্গীত, ঘটোৎকচ ১, ঘটোৎকচ ২ এবং ঘটোৎকচ ৩
অন্য রকম বাঁচা – সুদীপ্তা
আমি এক অতি সাধারন মেয়ে,, শরৎ বাবু, রবি বাবু অথবা হালের সুবোধ বাবু কেউই আমায় ধর্তব্য়ের মধ্যেই আনেন নাম। কি বললেন? কাব্য এ উপেক্ষিতা? ও উপাধি ও খাটে না আমার জন্য…. মেয়ে জন্মের যাবতীয় উপেক্ষা আর অবহেলা সত্বেও প্রাকৃতিক নিয়মেই যৌবন এসেছিল…. দেহে, মনে… বলে না যৌবনবতি কুক্কুরিও সুন্দরী? আমি তখন উদ্ভিন্ন যৌবনা আমি তখন…
একটি মেরাজের রাত্রে ঘুমিয়েছি – জিললুর রহমান ( পর্ব ৩ )
সব কটি পর্ব পড়তে উপরের একটি মেরাজের রাত্রে ঘুমিয়েছি ট্যাগে ক্লিক করুন। পঞ্চম আসমানে ৪০.পঞ্চ আসমানে ছাদের এক কোণেলিখছে মসনবী ছন্দ গুনে গুনে মাশুক দেখা দেবে ইশকে জারেজাররুমির প্রেমে মজে দেখাবে মুখ তার স্রষ্টা মনে মনে হাসছে ক্ষণে ক্ষণে“কবেই করেছিনু দেখাটা তার সনে, ছন্দে মশগুল, বোঝেনি আছি মনে।” ৪১.পঞ্চম আকাশে চতুষ্পার্শ্বেরহর্ষে মেতে ওঠা জ্যোতির্বলয়ের সেলিম…
আছি বেঁচে বেশ – সমীরজিৎ রায়
ভিড়ের মধ্যে আছি বেঁচে বেশ। আমার বারান্দায় মাতাল রোদ এক উন্মত্ততায় ক্রমাগত মানুষ আর দানবের ভিড় আমি আঙুলের কড় গুনে যাই দিনের ওপর দিন। দেওয়াল জুড়ে দেওয়াল ভাঙার ডাক কাজে আর কথায় অনেক ফাঁক লেগে আছে কত আঁচড় এলোমেলো আমি দিন গুনে যাই। আমার বারান্দায় ভাঙা বেড়া দেখে যাই – লাশের ওপর লাশ চলে গুনীজনের…
পক্ষপাঠ – শান্তা কর রায়
আয়না যেন অনন্ত এক শব্দ আকর মুখ দেখে নেয় নীলবিবরে মৌসুমিরাত দৌড়ে তুমি ছুঁয়ে দেখো কবির বাড়ি দৃপ্ত মুখে পাটাতনে চলছে মিছিল । স্বপ্ন নিয়ে কবি জানি একাই মিছিল একাই তিনি জাগিয়ে রাখেন নদীর টানে রমণীয় শিশির যেন জমা হীরে ভিতর থেকে বাইরে ওড়ে পানসি ঘুড়ি । জেগে ওঠা রক্ত তখন কোঁচকানো মেঘ খরার সময়…
কাল্পনিক চরিত্র – রাজশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায়
পৃথিবীর প্রকোষ্ঠে ক্লেশ ছড়ায় ৷ মানুষের অকাতর ঘুম বিবেকের পাশ ফিরে শুয়ে থাকা ৷ যে গাছটা আভূমি বিস্তৃত শুধু তোমাকে ঘিরে ৷ যার পাতায় পাতায় তোমার যাতায়াত, যার ডাল শিকর তোমার নৈবেদ্য সাজায় , তাকে তুমি ছারখার কর ৷ মরিচ ঢেলে দাও দু’চোখের পরিখায় ৷ অন্ধত্বের দায় নিয়ে তবু বারবার ফিরে যাই তোমার ভুল ঠিকানায়…

