Similar Posts
মন কেমনের দিনে – পাগলা গুঁফো
কত কি মনে পড়ে এমন মন কেমনের দিনে। কত কি ?টাপুর টুপুর বৃষ্টি পরে কাঁঠাল পাতায়। জানলার ফাঁক দিয়ে বাড়িয়ে দেওয়া হাতে জলের ছাট। মোবাইলে তোলা সেই বৃষ্টি ভেজা পাতা। এই তো সেই সেদিনের কথা। জানলায় বসে একমনে দেখতাম কাঁঠাল গাছের ভিজে পাতাগুলো। আজ সেই গাছটা নেই জানো। কাটা পড়ে গেছে। আজ বৃষ্টি র ছাটে…
আমার এ লেখা – মন্দাক্রান্তা সেন
সীমান্ত সেজে ওঠে অস্ত্রে ও শস্ত্রেযখন পড়েছে টান খাদ্যে ও বস্ত্রেসেসব সমস্যা কি? আমি-মানি-জানিনাশ্রমিক কৃষক মরে? অতসব মানি না আমি এক ভারতীয়, চাই শুধু যুদ্ধবাকি সব ভুলে গেছি আগামুড়োসুদ্ধদু’টো বোম ফেলে এলে ওপাশের দেশটায়দু’মুঠো জুটবে কিছু? খিদেতে ও তেষ্টায়? গোলি মারো প্রশ্নতে গোল্লায় যাও রেদুশমন মেরে ফুসমন্তর গাও রেএদেশের কোণে কোণে সীমাহীন দৈন্যসীমান্তে মরে যায়…
কবিতারা ভীষণ ক্ষতপ্রিয় – পিনাকী
কিছু ব্যথা — ব্যথার চেয়ে অধিক কিছু ক্ষত সর্বদা স্বাগত কিছু হাঁটা– আপনভোলা পথিক কিছু আঁচড় হৃদয়ে শাশ্বত। কিছু বিকেল ছিল রাগাশ্রয়ী কিছু সময় নিবিড়তাই প্রিয় কিছু নজর গভীর মোহময়ী কিছু কথা নীরবতায় দিও। কিছু চাওয়া অপূর্ণতার দিকে যা যা পেলাম– অনির্বচনীয় ধরো আঙুল নিজস্ব আঙ্গিকে কবিতারা ভীষণ ক্ষতপ্রিয়। [চিত্র : ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত ]
৪ঠা আষাঢ়, ১৪২৮:- একটি শোকগাথা – শোভন ভট্টাচার্য
(কবি গৌতম বসু স্মরণে) অগ্নিকে ছুঁয়ে-থাকুক প্রকৃত শ্মশানবন্ধু… জল…একদিন বন্ধুর সাথে গিয়ে ‘রাজেশ্বরীদের বাড়ি’পেয়েছি প্রথম দেখা। সবে লেখা হচ্ছে ‘রসাতল’।‘অতিশয় তৃণাঙ্কুর পথে’ ছিল কি আভাষ তারই! দূরভাষে যোগাযোগ মোটেই ছিল না বলা ভালো;মাঝেমধ্যে দেখা হলে হয়ে যেত, না-হলে হত না;কিন্তু দেখা হলে সেই হাসিমুখ-উপচে-ওঠা আলোমনে পড়ছে খুব। আপনি, বিশ্বাসে-সংশয়ে আনাগোনা করতে করতে ইদানীং ডুব দিচ্ছিলেন…
উৎসব – সন্দীপ ভট্টাচার্য্য
অন্যান্য দিনের মতই অশান্ত কম্পমান বুকে, ছেলেটি ভীত সন্ত্রস্ত চোখ রাখল জানালায়। সূর্য উঠেছে আজও প্রতিদিনের মতই, শুধু পুঞ্জীকৃত কালো ধোঁয়ার আস্তরণটা নেই আজ। “আজ কি তবে কোন উৎসব?” ভালো খারাপের পার্থক্য না বোঝা বারুদের প্রাণঘাতী পোড়া গন্ধ নেই আজ। নেই বোমারু বিমানের আগ্রাসী হুংকার। নির্দয় ট্যাংকারের তালে তালে, ভারী জুতোর শব্দগুলোও কোথাও হারিয়ে গেছে…
ইতি তোমার নদী – অনিন্দিতা মিত্র
একটানা প্রবল বর্ষণে ঘুমহীন শঙ্কিত রাত কাটাও নদীতীরে, বুকে তোমার কাঁপন জাগায় নদী, খোঁজ নাও বারেবারে- ‘কতটা জল বাড়লো?’ পূর্বদক্ষতায় কষে নাও হিসেব- আর ঠিক কতটা জল বাড়লে ছাড়াবে বিপদসীমা, ঠিক কোন মূহুর্তে পালাবে বসতি ছেড়ে, খুঁজে নেবে আবার কোন সাময়িক আশ্রয় বারংবার বিলাপে। এতই যখন ডুবতে ভয় তোমার তবে প্লাবিত হবে জেনেও কেন নদীপাড়েই…

