প্রবাসী বন্ধুকে লেখা চিঠি – পিনাকী চট্টোপাধ্যায়

শেয়ার করুন
সে দেশে কাশ নেই, নেই ছাতিম গন্ধ দিন আছে পরিযায়ী মন, একলা উদাসীন। সে দেশে শরৎ নেই, তবুও শারদীয়া দু’চারটে পুজো সংখ্যা, সাথে নস্টালজিয়া। তোমার মতই আছে আরও এমন কিছু লোক আগমনী সুরে সুরে প্রবাস ও কলকাতা হোক। তোমার অঞ্জলি হোক বিশুদ্ধ পঞ্জিকা মতে পুজোয় সন্ধি করি চেনা পলে বাঁধা গতে। উৎসবের গন্ডি নেই, স্কাইপে তোমার পাড়া খুঁজো দূরত্ব মুছে যাক, ভালো থেকো প্রবাসের পুজো।
শেয়ার করুন

Similar Posts

  • এসো রাহুল (ইরাকী আবদার) – শাল্যদানী

    # ভালোবাসা এতদিনে দুতরফায় নীল হলো। কার্পেটে ক্যানভাসে না পাঠানো চিঠি, আসলে কবিতা। অতঃপর কবি নোবেল পেলেন। # খুব আনন্দের অন্দরমহল আজ, প্রুফশিটের ভীতি উধাও। জমিয়ে প্রেম মজলিশি মেজাজ। কবির অন্তঃপটে রাহুল… # কবিতা আজ কথাকলি এক্সরে করা মহাতপা পেন, সুষুম্না ধরে নেমে আসা লাইন। কবির পর্নোগ্রাফি কবিতা হলো। # ইতি নর্মাল প্রেমিক… পেনের মতো…

  • মাদমোয়াজেল – অর্ণব সাহা

    আমরাই কবীর, আমরা সুমনের বৈধ সন্তানযেকোনো ধ্বংসের মুখে আমাদের সাবলীল গান টেলিগ্রাফ তারে বসে ডেকে ওঠে অলৌকিক পাখিআমরা তার ছেঁড়া ডানা যত্নে কুড়িয়ে তুলে রাখি ফুটপাথশিশুকে পিষে ছুটে যায় হিংস্র স্করপিওআমাদের গিটারের শরীরে বসেছে প্রজাপতি চে আঁকা টি-শার্ট পরে প্রজন্মের শান্ত শ্লোগানসদর দপ্তরের ঠুনকো কাচ ভেঙে দিতে পারে দেবর্ষি নবরূপার হাত ধরে ফুটপাথ পেরোয়নতজানু স্টেটবাস…

  • সৌমেন শেখরের পাঁচটি কবিতা

    বেনামী–১ দৃশ্যত তাকে মনে পড়ে অংশত আরোগ্য আর অসুখের মাঝে যেটুকু নির্জন, সেটুকুই নরম স্বাধীনতা হিমের টুপটাপ আমাদের এই ঝরে যাওয়া গল্পের মায়ায় শিউলি ফোটে মৃদু ওমের রাতে রাতচরা পাখি’রা ডেকে ডেকে যায় দীর্ঘ দ্রাঘিমার দিকে আমাদের তেমন ডাল, পাতা নেই তবে শেকড় আছে ভালোবাসায়। বেনামী–২ শীত প্রশাখাবতী হলে শূন্য ফসলের মাঠে কুয়াশার পেখম নেমে…

  • ভাষা শহীদ দিবস : ফাউজুল কবির এর কবিতা

    খন শব্দের সাথে যখন শব্দের সাথে আমাদের ভালোবাসা জাগেপূর্ণতার দিকে যাত্রা শুরু হয়–যাত্রা মানে জানো? বুকে জাগরণ অশ্বের টগবগচিত্তে শিহরণ দূর ভবিষ্যৎ আকাশ ভ্রমণ:বাংলাভাষা আজ পবিত্র প্রতীক হৃদয় পলাশগুচ্ছ গুচ্ছ রক্তজবা কৃষ্ণচূড়া অথবা করবীশুধু অনির্বাণ আগুন ছড়ায় আগুনের লুয়া–অগ্নির চেয়েও জীবন্ত উত্তাপে তাপিত হৃদয়লেলিহান শিখা বিস্তারিত হচ্ছে ধ্বনির ব্যালেতেঢেউ উঠছে ঢেউ কবিতায় গানে সবুজে মধুরেমহত্তম…

  • দুটি দীর্ঘ কবিতা – অর্ণব রায়

    এ ক্লিন ডেথ   তারপর এক দুঃখ শেষ হইতে না হইতে অপর দুঃখ আসিল। সে বুঝিল জগতে ঢেউ কাহাকে বলে। বা জগৎরূপী ঢেউ সে বুঝিল। তাহার আতঙ্কের সম্মুখে দ্বিপ্রহরের ন্যায় মুখব্যাদান করিয়া সে গর্জন করিল, ‘চোপ্‌, চিৎকার করলে জ্যান্ত তুলে নিয়ে যাবো’। তখন তাহার পেছনে আরও তিন-চার লাইনের সেনা ছিল। আবছা অন্ধকার বলে তাদের পড়া যাচ্ছিল…

  • অয়ন ঘোষের পাঁচটি কবিতা

    যুদ্ধ পুকুরে ডুব দিয়ে তুলে আনেশামুক-গুগলি, চুনো-পুঁটিজলের সংসার টালমাটালমাছরাঙার শ্যেন দৃষ্টিতে আগামী যুদ্ধের নিশান উড়ছে। কিস্তিমাত দুঃখকে পোষ মানিয়েআড়াই চালে মাতচৌষট্টি খোপ সাজানো আছেঈশ্বর আমি মুখোমুখি। শীত দু’হাতে তাড়াচ্ছি শীতআগুন কৌশলেঅরণি শেখাল, ভিতরের কাঁপন থামলেশীত আপনা থেকেই বসন্তকে পথ করে দেয়। নিস্তার একটা কৌণিক বিন্দু থেকেমেপে নিয়ে যাত্রাপথতির্যক আলোর সাথে সুরবুকের বাঁ’দিকে এসে সংসার পাতলঘুম…

3 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *