Similar Posts
স্বপ্নের কশেরুকা – অর্ণব সাহার গুচ্ছ কবিতা
১ব্যথার প্রদীপে জ্বলা আলোঅন্ধ ভূত-চতুর্দশী। রাতউড়ালপুলের নীচে থামে…নিঃসঙ্গ। একাকী সম্রাট ট্যাক্সির দরজা খুলে নামেঠোঁটে নীল চুম্বনের বিষ! যদি সে কখনও ফিরে আসেঅপমান ফেলে রেখে যায়তার দেখা মেলে না চৌকাঠেতালাবন্ধ প্রত্যেক দরজায়! সে আসে। রক্তের আলগা স্রোতেবারবার আগুন জ্বালাতে… ২ময়দানের পাশ দিয়ে হেঁটে যায় প্রৌঢ় ও যুবতী।যে প্রেম আগেও ছিল, আজও একই গন্তব্যহীনঠিকানা খুঁজে পাবার আগে…
পৌষালী চক্রবর্তীর পাঁচটি কবিতা
চৌষট্টি যোগিনীর একজনকে পুরোনো জমিদার বাড়ির পরিত্যক্ত আঘাটায়জমে থাকা শ্যাওলার মতোতোমাকে আহ্বান করি,একবার এ সংসারে এসোদু-এক দিন কাটিয়ে যাও আমাদের রোজনামচায়দেখে যাও জলে ভেজা সলতে কতটা অগ্নিশলা ধারণ করতে পারে, আদৌ পারে কিনা?এই মন্দ্র মেঘে বেজে ওঠা সহজিয়া বীণে,রন্ধ্রপথে ঢুকে আসা নৈরামণি আলোতার অজস্র পতঙ্গ-প্রলাপ নিয়েআমাদের পতন উত্থানপ্রতিদিন জ্বলে ওঠেপ্রতিদিন নিভে যায় অনন্ত ব্যোমে ওহে…
অধুনা পণ্যায়িত নাগরিক নিবারণ চক্কোত্তিদেরকে লেখা খোলা চিঠি – সুমন চক্রবর্তী
এমনটাই কি কথা ছিল নিবারণ বাবু? তুমিই না একদিন চেয়ে ছিলে এক-একটা কবিতা যেন ফিরিয়ে আনে সুতানুটি-গোবিন্দপুরের রাত্রিকে … তোমারই না দাবী ছিল কবিতারাশি যেন অকস্মাৎ ঠেলে দেয় ময়দানের সবুজ গালিচাকে গঙ্গাসাগরের দিকে এগিয়ে যাওয়া যাত্রি-বোঝাই নৌকার দিকে? তোমার কবিতারই না কথা ছিল নিয়তির কণ্ঠস্বর হওয়ার ঝড়ের ভিতরে … তোমার কবিতারই না কথা ছিল বিষাক্ত…
নবীর আগমনবার্তা – কাজী জহিরুল ইসলাম
দূরত্বের চিৎকার শুনেছিলো ক্রাচের কিশোর তখনি অন্ধকারের সাহস দুপায়ে বেঁধে নেয় সূর্য লাল হয় চন্দ্র গোল হয় বালুর নিচ থেকে উঠে আসে উটপাখিদের ডিম, ডানা ঝাপটায় নিস্ফলা পৃথিবীতে আলো-প্রান্তরের রেখার ওপর দাঁড়িয়ে শেখায় মরুদৌড় হতাশ উটপাখিদের। গাধার কাফেলাকে বলে, মশক খুলে চুমুক দাও মনিবের রক্তে, কেননা এই অরণ্য শুধু স্টালিওনের নয়। সন্ধ্যাকে থামিয়ে দেয় সমুদ্রের…
ক্ষত ঝরা স্বপ্ন – দেবনাথ সুকান্তের গুচ্ছ কবিতা
১। আর কারো প্রয়োজন নেই শুধু এই নীরবতা এবং বিচ্ছেদবিপন্ন প্রদীপ হয়ে বসে আছে আত্মার সাক্ষী দেবে শব্দ থেকে ঝরে পড়ছে ব্রহ্ম শিরা উপশিরায় তার পুনর্বিন্যাসছেঁড়া খাম থেকে বেরিয়ে বলবে সেপ্রতিটি সিঁড়ির নীচে একটি অন্ধকার কোন বসে থাকেতুমি এক অনাদি বয়স ২। এখানে স্রোত ছিল অন্তরমুখিআমি পাশাপাশি হেঁটে যাওয়া চর থেকে হারানো কিছু অঙ্গীকার পেয়েছিযে…
মহুয়া বৈদ্য-র পাঁচটি কবিতা
ফোকাস বৃষ্টি পড়ছে। রামধনুর সাতরং ছড়িয়ে পড়ছে ক্যামেরার কারিকুরিতে। মা, তুমি ভিজছ, আমি দেখতে পাচ্ছি। ক্যামেরার ডিটেলে ফুটে উঠছে তোমার স্বচ্ছ চোখ, নিটোল চিবুক। এক ঢাল চুল থেকে সাতরঙা জল টুপিয়ে পড়ছে, দেখতে পাচ্ছি তাও। তোমার পাশে অস্বচ্ছ ছায়ার মতো ও কি আমি?! আরেকটু শার্প করলাম ক্যামেরাকে। এবার তোমার মাথার কাছে গোলাপি রঙের উদ্ভাস বেশি,…


সুন্দর লেখা
Thank u ত্রয়ী চ্যাটার্জী and all other members of horofer pashe achi
Jar jonno likhechilam….. Rituparna Das Gupta