Similar Posts
কুণাল বিশ্বাসের পাঁচটি কবিতা
অনুষঙ্গ ছিন্ন হও প্রেম — আমাকে সুযোগ দাওএসো গান করিবাতাবিসকল, পটভূমি জুড়ে ভোরের প্রথম ফুলকপিআনাজ, বাসনজল, তামা — সকলেই খুঁজে নেয় আলো তোমাকে এককথায় প্রকাশ সম্ভব নয়জামরুল তলায়, প্রসূতিসদনের ছাদে মেঘ করে আসে, দ্যাখোঘামে ভেজা শরাফত আলির কবর… ফুটে আছে ঘুমআমরা সকলে আজ ধীবরচরিত পড়ি এই পথে আসে গাড়ি, পৌরাণিক চাকা, দেবতার ফল… ঈশপের গল্প…
তোরা যুদ্ধ করে করবি কী তা বল! – সুমন চক্রবর্তী
“যুদ্ধ” শব্দটা যেখানে যখনই উচ্চারিত হয় তখনই বিভীষিকাময় কিছু চিত্রকল্প এবং তার সাথে সম্পর্কিত কিছু শব্দের অনুষঙ্গ আমাদের প্রাত্যহিকতা সর্বস্ব বেঁচে থাকাকে যেন শিহরিত করে। তখন যুদ্ধ আর সেই চিত্রকল্প বা তার সাথে সম্পর্কিত শব্দের অনুষঙ্গগুলির মধ্যে কোন প্রভেদ থাকে না, তারা হয়ে ওঠে একই সমান্তরাল রেখায় অবস্থানকারী দুটি বিন্দুর মত অভিন্ন, হয়ে ওঠে একে…
রবীন্দ্রনাথের পাণ্ডলিপি
বিচিত্র অধরা বাহারী রেণু প্রভাতের নমস্য সূর্য মোম জ্বেলে বরণ করে ডুবন্ত মাতঙ্গিনী ‘কে পুনশ্চঃ তোমাদের বি- শুদ্ধ পুরাতন শ্লোক কাদম্বরী
প্রবাসী বন্ধুকে লেখা চিঠি – পিনাকী চট্টোপাধ্যায়
সে দেশে কাশ নেই, নেই ছাতিম গন্ধ দিন আছে পরিযায়ী মন, একলা উদাসীন। সে দেশে শরৎ নেই, তবুও শারদীয়া দু’চারটে পুজো সংখ্যা, সাথে নস্টালজিয়া। তোমার মতই আছে আরও এমন কিছু লোক আগমনী সুরে সুরে প্রবাস ও কলকাতা হোক। তোমার অঞ্জলি হোক বিশুদ্ধ পঞ্জিকা মতে পুজোয় সন্ধি করি চেনা পলে বাঁধা গতে। উৎসবের গন্ডি নেই, স্কাইপে…
শতানীক রায়ের পাঁচটি কবিতা
প্রবাহ ১সাধু-চলিত বর্জিত করুণা এখানে কবে কোন্ পাপ গাথা হয়ে আছে ঘূর্ণন তার গতির অঙ্গ হিসেবে আমার এই সবকিছু আগের মতো মুখটা মহার্ঘ্য কোনো মুখকে গোপন করে অক্ষরে অনেক বোধ রেশমের মতো কোমল নরম তারপর এইসব একই শব্দ একই করুণ হঠাৎ কোনো মানুষ তবে অহল্যা হয়ে গেছে ২যেখান থেকে উঠে আসে প্রাণগুলো উপড়ে বেরিয়ে আসে…
যদি – সন্দীপ ভট্টাচার্য
প্রথম ফোঁটার সিঁদুরে মেঘ ঘর পোড়া অন্তগহীনে বাদুলে ময়ূরাক্ষী নীরব ঝর্নার গান পাহাড় কি মনে রাখে? যদি রাখে তবে বুঁদের মূল্য অন্তহীন প্রেমজ সফরে জলজ সাদা ফুলের গন্ধ কবিতা কবরে নিকোটিন গন্ধে হরিবোল যদি ঠোঁটের প্রথম ঘাম মিশে যায় ফুলশয্যায় তবে সে বিপ্লব দীর্ঘজীবি হোক আপাত নিরীহ রাত্রে নীল বেদনা চিনচিনে ব্যাথা শিরদাঁড়া শর্তহীন…

