Similar Posts
মঙ্গলেশ ডবরাল-এর কবিতা – ভাষান্তর: রূপায়ণ ঘোষ
[কবি পরিচিতি: মঙ্গলেশ ডবরালের জন্ম হয় ১৯৪৮ সালে উত্তরাখণ্ডে। পরবর্তীতে কর্মসূত্রে দিল্লি নিবাসী। প্রখ্যাত ‘জনসত্তা’ পত্রিকার সাহিত্য বিভাগের পদে ছিলেন দীর্ঘদিন। শেষ দিকে ‘ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট’-এর পরামর্শদাতা হিসেবেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। হিন্দি সাহিত্যের প্রগতিশীল ভাবধারার এই কবির কবিতা মূলত সামাজিক অবক্ষয়, গণচেতনা তথা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে। ‘পাহাড় পর্ লাল্টেন’, ‘ঘর কা রাস্তা’…
অঘ্রাণে – জিললুর রহমান
ঘ্রাণ নেবো – নাসিকা উঁচিয়ে টানি; পৃথিবী কি চিরকাল অঘ্রাণেই থাকে? আমাকে তো অঘ্রাণের ধান ডেকে ফিরে শীতের আলস্য কিছুতে ছাড়ো না তুমি আমার সে শস্যদানা উঠে না দেউড়ি ঘরে সোমলতা জোছনায় গড়াগড়ি যায়, এভাবেই বুঝি পৌষমাসে সর্বনাশ আসে… দ্বিখন্ড পঞ্চমী চাঁদে ভেজা চুমু লেগে থাকে গায়ে সর্বনাশা অশ্রু জলে ভাসিয়ে দেয় ছাতার শরীর
দাবানলের আগে – পার্থপ্রতিম চৌধুরী
বয়ঃবৃদ্ধ বৃক্ষের শুষ্ক শাখা, আকাশে আকাশ খোঁজে, শুধুই শূন্যতা । বসন্তের বাতাসেও, নেই ডালে সেই সজীবতা । ছায়া চায় — নীড়হীন নিরাশা, ছিন্ন ডানার প্রজাপতি , হায়! বটবৃক্ষ, তুমি বলো, সময় রয়েছে বাকি । সময় থমকে, মহীরুহর ঝুরির আড়ালে পাখিরা বাঁধেনা বাসা, ভাষা নেই কোকিলের চন্ডিমন্ডপের পাঠশালে । স্হবির পায়ের নীচে,জীর্ণ নকশিকাঁথা, লক্ষ্যহীন সময়ের —…
একটি মেরাজের রাত্রে ঘুমিয়েছি – জিললুর রহমান ( ভূমিকা : অমিতাভ গুপ্ত ) পর্ব ১
ভূমিকা অমিতাভ গুপ্ত মৌলবাদী হিংস্রতার বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে উদ্বোধন “আপনপাঠ” করে চলেছে তার মধ্যে অন্তর্লীন হয়ে রয়েছে বিভিন্ন তথাকথিত ‘ধর্ম’ ভিত্তিক চেতনার সংশ্লেষণ। এই তথাকথিত ‘ধর্ম’ থেকে উৎসারিত হয়েছে অনেক প্রত্নকথা বা মিথ এবং লোককথা।আমাদের মনে পড়ে, কার্ল মার্কস বলেছিলেন, ধর্ম চেতনায় অন্তর্নিহিত হয়ে রয়েছে যুগ যুগান্তরের সর্বহারা মানুষের দীর্ঘনিশ্বাস। মার্কস দেখিয়েছিলেন তিনটি শতাব্দী…
মিছিল – অমৃতা রায়
-“সবাই রেডি? গুছিয়ে নিয়েছিস সব? প্ল্যাকার্ড রেডি?” -“সব গোছানো আচ্ছে শুভদা! কালকেই গুছিয়ে রেখেছি তো!” -“তবু আরেকবার দেখে নে ভাই! একবার বেরিয়ে পড়লে তখন কিন্তু আর ফিরে আসার সুযোগ নেই! তখন এটা নেই, ওটা পাওয়া যাচ্ছে না, করলে চলবে না!” -“কোনো চাপ নেই দাদা! সবকিছু গোছানো আছে!” -“ওকে! স্নিগ্ধাদি! তোমরা সবাই রেডি তো?” -“একদম!” -“একটা…
কৃষ্ণকলি – সন্দীপা সরকার
সময়টা ১৯৫৭ আমি তখন সদ্য ইংল্যান্ড থেকে গ্রামে ফিরেছি৷পেশায় ডাক্তার৷ ডাক্তারি ডিগ্রি আনতে পারি দেওয়া ইংল্যান্ড৷দাদুর আদেশ মতন অনিচ্ছা সত্বেও ফিরে আসতে হলোদেশের বাড়ি কাটোয়া…… কাটোয়ার জমিদার বংশ আমাদের৷দাদুর বলাই ছিল পাশ করেই গ্রামের লোকের সেবার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে দিতে হবে৷দাদুর বানানো দাতব্যচিকিৎসালয় তে গিয়ে নিজেকে উৎসর্গ করে দিলাম৷৷ সেই সঙ্গে শুরু হলো…

