কবিতার জন্ম – প্রাপ্তি সেনগুপ্ত

শেয়ার করুন

তারপর সবটুকু নীরবতা পালনের অনুষ্ঠানে শেষ হয়,

একজন ব্যস্ত হয়ে,

আকাশ ছোঁয়ার অছিলায় অন্য কারোর স্বপ্ন ছোঁয়!

স্বপ্ন ওড়ে,ছেঁড়া তুলোর মতো,

যত্ন করে মন বন্দী থাকে ভালোবাসা;

দুটো মানুষ শুধু অধিকারবোধে দুঃখ যাপন করে,

একটা ভোরেও একসাথে সূর্যোদয় দেখা হয় না আর,

কথার পরে কথা জমে,আর কিছু কবিতার জন্ম হয়…

শেয়ার করুন

Similar Posts

  • নারী – উজ্জ্বল সামন্ত

    আমি নারী আমিই আধার সৃষ্টি আমাতে দশমাস দশদিনে পৃথিবীর আলো দেখা ধূলার ধূলীতে কত কষ্ট সহ্য করে বুক ভরা স্নেহে কোনো বিশেষ দিন পালনে নয় শ্রদ্ধা ও সম্মানিত হতে চাই সমাজে প্রতিটি মানব হ্রদয়ে সস্নেহে শিক্ষা , প্রতিষ্ঠা,  সার্বক উন্নয়ণে পুরুষের সমকক্ষ হয়ে সমান তালে আমি স্বাধীন সেই দিন ই যেদিন থাকবে না মনে কোনো…

  • নষ্টা আয়নার পাপড়িগুলোতে – রাহুল গাঙ্গুলী

    গভীরতা ও সিঁদুর।(কে?) বেশী চমকায় অশ্লীল তাজমহল।চুষলে (লাল) বালি-ছাদ কেঁপে ওঠে নগ্নতা।আদর স্পর্শে ঝুরো বর্ষা রাস্তা ও পথ।মুখোমুখি প্রমুখ স্লেট-পেন্সিল মেঘ : মেথি-কপাল জুড়ে মেরুন   মেরুন জুড়ে কপাল-মেথি : মেঘ-পেন্সিল স্লেট প্রমুখ মুখোমুখি।পথ ও রাস্তা বর্ষা ঝুরো স্পর্শে আদর।নগ্নতা ওঠে কেঁপে ছাদ-বালির (লাল) চুষলে : তাজমহল অশ্লীল চমকায় বেশী (কোথায়?)।সিঁদুর ও গভীরতা পাপড়িগুলোতে আয়না…

  • বিকাশ – কৃষাণু নস্কর

    ধপধপে সাদা একটা বক বসে আছেছোটো ছোটো কচুরিপানার উপর,জলের মধ্যে ডুব দিচ্ছে ডাকপাখি,খেলা করছে ঝিঁঝিঁপোকা, ফড়িং।ঘাটের সিঁড়িতে সুরকি আর ভাঙা ইট বেরিয়েআসছে, পড়ে আছে বিসর্জনের কাঠামোভেসে আসছে ফুরফুরে বাতাস,হালকা আঁচড় কেটে, জলের গা বরাবর। এখানে আর কিছুদিনের ভিতরে,একটা আর্টিফিশিয়াল লেক হবেআর তার চারিদিকে থাকবে একটাজগিং ট্রাংযাক আর ঝলমলে বাতির সারি।খালের ধার বরাবর গজিয়ে উঠবে একাধিকহাইরাইজ,…

  • |

    ১৯৪৬-৪৭ – জীবনানন্দ দাশ

    দিনের আলোয় ওই চারি দিকে মানুষের অস্পষ্ট ব্যস্ততা: পথে-ঘাটে ট্রাক ট্রামলাইনে ফুটপাতে; কোথাও পরের বাড়ি এখুনি নিলেম হবে—মনে হয়, জলের মতন দামে। সকলকে ফাঁকি দিয়ে স্বর্গে পৌঁছুবে সকলের আগে সকলেই তাই। অনেকেরই ঊর্ধ্বশ্বাসে যেতে হয়, তবু নিলেমের ঘরবাড়ি আসবাব—অথবা যা নিলেমের নয় সে সব জিনিস বহুকে বঞ্চিত ক’রে দুজন কি একজন কিনে নিতে পারে। পৃথিবীতে…

  • শান্তি চাই – মিঠু নাথ কর্মকার

    খেললে তো অনেক রক্তের খেলা, ইতিউতি ছড়ানো শবের মেলা, এনেছো ডেকে অকাল বসন্ত, হিংসার আগুন জ্বলছে অনন্ত, নিয়েছ কেড়ে কতো নিরীহ প্রাণ, অনাথ হয়েছে অগণিত সন্তান, বিবর্ণ করেছ সিঁথি, তোমার দীর্ঘশ্বাসে, মায়ের শূন্য কোল চোখের জলে ভাসে, ভাইকে পাঠিয়েছ অচিন পরপারে, বোনের নিস্ফল আকুতি তোমার দরবারে, মৃত্যুপুরীর শোকের বেদনার্ত হাহাকার, তোমায় কি করে না একটুও…

  • প্রিয়া সামন্ত-র পাঁচটি কবিতা

    ১ প্রেম ভেঙে গেলে মানুষ কী করে?গান শোনে, বাজার যায়?হুটহাট বেরিয়ে যায় ঠিকঠিকেনি সন্ধেবেলা?হেঁটে যায় অগস্ত্যের পথেফেরে না আর নদীপাড় ঘেঁষা ইটভাটার চুল্লি থেকে! মানুষ তবুও দেখি উৎসবে যায়ফিঙের উৎসাহের মতো বালিকার ইচ্ছের পাশেবসে থাকি অবিচল, তীর্থের স্থবির কাকভাঙা ভাঙা শব্দবন্ধ, অশ্রুত গোটাতিনেক বাক্যওঠে আর ঝরে যায়হিরের কুচির মতো জল, বিন্দু বিন্দু জলঝরে আর মিহিন…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *