চিঠি – অমিতাভ গুপ্ত
এই নাচিকেত অগ্নিকে চেনো, কমরেড
এই নাচিকেত অগ্নিকে চেনো, কমরেড
বসন্ত দেখতে এলাম। তোদের আবার বসন্ত! চারপাশে হাড়ের স্তূপ। ঝাঁক ঝাঁক কাক উড়ছে। চিৎকার করছে ভিখিরিরা। কারও পরনে কাপড় নেই। হৃদয়ে হৃদয় পুড়ে ছাই হাতে হাতে সভ্যতার থালা … এসে আর ফিরে যাবার রাস্তা নেই দুর্ভিক্ষে টেনে ধরছে হাত পা— রাস্তার ধারে স্বপ্নদের বাড়ি একবার সেখান থেকে আগুন চেয়ে আনি চলো কেমন আছে ওরা দেখি…
নিম্ফোমেনিয়াক আলো নোখ কেটেছে দাগ গাছেরা নিম্ফোমেনিয়াক সূর্যের কাছে খুলে দেয় রোজ গহনগোপন। দেখো, দেখো কী অশ্লীল! যুবতী পাতাগুলো চুমুক দিয়ে খায় আলোর ক্লোরোফিল। হলিসউড, নিউইয়র্ক।২৭জানুয়ারী২০১৮। খোঁজাখুঁজি অন্ধকারে পা বাড়ালাম, শব্দ হলো আস্তে লুকিয়ে রাখা ড্রয়ারখানি খুলে হাত রেখেছি রাতের নাভিমূলে আলোর নীচে অমন করে গোপন খুলে হাসতে? …
সব কটি পর্ব পড়তে উপরের একটি মেরাজের রাত্রে ঘুমিয়েছি ট্যাগে ক্লিক করুন। (চতুর্থ পর্ব) স্বর্গলোকে ৫৫.এটাই স্বর্গ কি? এখানে গাছপালাএখানে ফুল ফল ভিন্ন রং জ্বালা এখানে সূর্যের নেই সে রোদ তাপজোছনা এইখানে দেয় না প্রেম ভাব পায়ের নীচে নেই মাটির সে মমতাময়না গাছে গাছে কয় না প্রিয় কথা সকলই স্বর্গীয় বেবাক আলাভোলা ৫৬.সাতটি স্বর্গ কি…
অন্তহারা সৌভাগ্যেবাংলা ভাষা বেঁচে উঠল প্রেমে ও প্রতিবাদে জীবনেরউচ্ছ্বসিত এই উৎস আবার শিলচরে জাগবেহয়তো তার আগে ফাল্গুন ঈষৎ ঝরে যাবে তবুওকৃষ্ণচূড়া জেগে রইবে
লিখতে লিখতে ফুরিয়ে যাচ্ছে অবেলা মা-ভাষায় ডাক দিচ্ছে কেউ আমি জবাব কুড়িয়ে তোমাকে নিচ্ছি একুশ… এই ভাষা-সংসার আমার মুক্তির ঋণ ঋণের শপথে লিখে দিই পলাশ পাখির গান ভাষা সোহাগে তোমাকেও বাসি ভালো প্রিয় নদী এখন আত্মস্থ জানালায় শিস দেয় অক্ষর চাবুক সংসার শুধু ঝরিয়ে যায় পাতা একুশের মতো দুঃখ এবং গৌরবে এবার তুমিও দীর্ঘগামী হও…
একটু রোদ আনো স্যাঁতস্যাঁতে চোখ আর মনের খাঁজে জমেছে দুঃখবিলাসী ফাংগাস জীবানুনাশক রোদে আহুতি দেবো প্রাগৈতিহাসিক বিরহের ফসিলস্ ডানা ঠিক খুঁজে নেবে আকাশ শুধু ওড়ার প্রত্যয়টুকু পৌঁছে দিও ওদের কানে বহুকাল স্থবিরতার সাথে করেছে যারা দাম্পত্যযাপন চোখে স্বপ্ন এঁকে দিতে হবেনা স্বপ্ন দেখার সাহসটা শুধু দিও রক্তজালিকারা সে সাহস পৌঁছে দেবে বুকের বামকুঠুরিতে আর হ্যাঁ,…