চিঠি – অমিতাভ গুপ্ত
এই নাচিকেত অগ্নিকে চেনো, কমরেড
এই নাচিকেত অগ্নিকে চেনো, কমরেড
সস্তা মাল : আমদানিতে মেটারনিটি চাঁদফল পবিত্র ফুলজরায়ুতে বিরোধী গন্ধ অথচ নগ্ন পাঁপড়িতে অতৃপ্ত দেবতারই দীর্ঘায়ু আউলিয়া ফুটপাতে বরফ ঊর্বরতা : কেটে ফেলি উন্মাদ কুয়াশার সাদাটে স্রোত শিকড়ে অর্ধনারীশ্বর। পদ্মযোনির হুতাশে লজ্জাবতীর লালছোপ।আমি নারী দিনের লোমশবুকে রাতের ঘনিষ্ঠ চোখ। চোখের পাতা। পাতায় সবুজ স্টেরিওটাইপ। নক্ষত্রসন্ধি।পৃথিবীর ভেদচিহ্ন পালন মা তুমিও____ পরিপূরক আলোপিন্ডে আবেগের দইবড়ায় রজত জয়ন্তী…
আর কিছু নেই হাতের মুঠোয় মিথ্যে কিছু প্রতিশ্রুতি একটি দিনের আদিখ্যেতায় গরীব মায়ের কী আর ক্ষতি ? কাল থেকে তো আবার সবাই যে যার মতো ছন্নছাড়া বুকের মধ্যে ভাষা-পুলিশ নিদ্রা যাবে লজ্জাহারা । সাতটি বাক্যে চোদ্দোটি ভুল বড্ড স্বাধীন বাংলাভাষা দেউলিয়া এক জীর্ণ জাতির মনের গরব প্রাণের আশা । ভাষার জন্য রক্ত দিয়ে মূর্খেরা সব…
১. ঘন সরবরের নীল স্ক্যান্ডাল রাত ফড়িং এর গল্প… টের পাচ্ছি সন্ধ্যায় ডুবে যাওয়া পাতাটা গর্ভবতী ছিলো… সন্তানের মুখ দেখার আগেই চোখ বন্ধ হয়ে গেছে। ২. মৌচাক ভাঙছে।বসতহীন হাজার খানেক পাখা।দিন শেষে আকাশ অন্ধকারে এগুলে কিছু গোপনীয়তার মুখোশ খুলে যায়।
কিছুতেই বোঝাতে পারছি না আমি কী ভীষণ যন্ত্রণায় আছি: লেখার খাতাও দেখি কলম ছোঁয়ালে লাল হয়ে যাচ্ছে এক লহমায় পাথর চিবিয়ে যে পেট ভরে না সে কথা বলি কাকে, এখন সবাই পাথর চিবিয়ে দিন কাটাচ্ছে আমার মত শুধু মনে হয়ে যে যার বাড়ির রাস্তা ভুলে একদিন এক খোলা মাঠে জড় হবে আর স্লোগানে না- কবিতায়…
যাও সুখ উড়ে, প্রাসাদটা ছেড়ে, যাও তুমি ওদের কাছে ; যারা দীন হীন, অনাহারে ক্ষীণ, প্রতিদিন ব্যথা নিয়ে বাঁচে । শোন তুমি বলি ওগো সুখডালি, যে প্রাসাদে আছ তুমি আজ ; তার গায়ে কত আছে শত শত শ্রমিকের শোণিতের কাজ ! এ সমাজ তবু দেয় না তো কভু, গণিতে শোণিতের মান ; অনাহার…
হেথা হতে যাও, পুরাতন। হেথায় নূতন খেলা আরম্ভ হয়েছে। আবার বাজিছে বাঁশি, আবার উঠিছে হাসি, বসন্তের বাতাস বয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চলে গেছি আমি, দূরে, বহুদূরে, শত-অভিমান ভরে ফিরবো না জেনো কোনোদিন, বিদায় চিরোতরে। শুভ্র মেঘ য্যামন অস্পৃর্ষনীয় সুন্দর সুদূর আকাশে তারা-ফুল শুধুই দেখা যায় নক্ষত্র প্রকাশে। শ্রান্ত দিঘিতে ফোটে যেমন ক্ষণিকের আলো-ছায়ার খেলা তোমার জীবনে…