যে জগতে দুষ্মন্ত ও ভীম নেই – পি ভাটশালা অনুবাদ: বিপ্লব বিশ্বাস
|

যে জগতে দুষ্মন্ত ও ভীম নেই – পি ভাটশালা অনুবাদ: বিপ্লব বিশ্বাস

(মালায়লাম গল্প থেকে অনূদিত) [লেখক পরিচিতি: পি ভাটশালার (১৯৩৮ -) জন্ম কালিকটে। সরকারি ট্রেনিং স্কুলের হেডমিস্ট্রেস ছিলেন। যদিও তাঁর বেশির ভাগ গল্পের মূল চরিত্র মহিলা তবুও তাঁর লেখার ক্ষেত্র বিচিত্র ও বিস্তৃত। তাঁর উপন্যাস Nizhalurangunna Vazhikal (Pathways Where Shadows Sleep)-এর জন্য তিনি কেরালা সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পান। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য বই হল Nellu (Paddy), Agneyam…

S + R/ R /L — দিব্যজ্যোতি বরা অনুবাদ — তপন মহন্ত
|

S + R/ R /L — দিব্যজ্যোতি বরা অনুবাদ — তপন মহন্ত

[লেখক পরিচিতি:- দিব্যজ্যোতি বরা—জন্ম যোরহাটে ১৯৮০ সালে। ২০০০ সালে কটন কলেজ থেকে স্নাতক। গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর। বর্তমানে একটি মহাবিদ্যালয়ে প্রবক্তা হিসেবে কর্মরত। কমসংখ্যক গল্প লিখেও পাঠক সমাজে প্রশংসিত। এই গল্পটির ইংরেজি অনুবাদও প্রকাশিত হয়ছে Muse India পত্রিকায়। তবে বাংলা অনুবাদে মূল অসমিয়া গল্পটিকেই অনুসরণ করা হয়েছে। লেখকের প্রকাশিত গ্রন্থ–ব’লা বেদুইন।] ১“… আর এক…

দরাজ—দরজার ইতিকথা – বিপ্লব বিশ্বাস

দরাজ—দরজার ইতিকথা – বিপ্লব বিশ্বাস

পঁয়ষট্টির কোঠায় জিরেন দিচ্ছে মোহিত। ‘রিটায়ার্ড-জনের আবার কাজ কী?’–এমন আলগোছা মন্তব্য যারা ছুঁড়ে দেয় মোহিত তাদের বলতে চায়, ‘তুই এসে দেখে যা নিখিলেশ’–ওই অনেকটা সুনীলকে ধার করে। অবসরের মানুষের যে সারাদিনই টুকটাক কাজের বহর তা তাদের বোঝায় কে! ভোর-ঘুমের দফারফা করে সেই যে শুরু হয়, থামে সেই বেলা একটা নাগাদ। ডাক্তার বলে, বয়স বাড়লে এদিকে…

আট নম্বর মেয়ে – ফেরেস্তা ঘানি অনুবাদ – দীপাঞ্জন মজুমদার
|

আট নম্বর মেয়ে – ফেরেস্তা ঘানি অনুবাদ – দীপাঞ্জন মজুমদার

[লেখক পরিচিতি: ফেরেস্তা ঘানি একজন আফগানি লেখক। আফগানিস্তান–পাকিস্তান সীমান্তের কুনার জেলায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ২০১১ সাল থেকে তিনি লেখালেখি করছেন। ইস্কুলে থাকতে থাকতেই তার প্রথম গল্প প্রকাশিত হয়। তিনি আফগানি মহিলা লেখক সমিতির সদস্য। বছর খানেক আগে তালিবানদের প্রচার মাধ্যমের ওপর জোরজুলুম ও হুমকি দেওয়ার সময় ফেরেস্তা ঘানি দেশত্যাগ করেন। সেইসময় তিনি রেডিও আজাদীতে সাংবাদিকতা…

এই আকাঙ্খিত রূপ – শুভজিৎ ভাদুড়ী

এই আকাঙ্খিত রূপ – শুভজিৎ ভাদুড়ী

সন্ধে নেমে এল প্রায়। বেশ কিছুক্ষণ হল যানজটে আটকে রয়েছি। ট্যাক্সির জানালার কাঁচ ঘেঁষে চলেছে বিক্ষিপ্ত চলমান জনতার স্রোত। তাদের যে টুকরো কথাবার্তা কানে আসছে তাতে বোঝা যাচ্ছে সামনে কোনও একটা ওভার লোডেড ডাম্পার উলটে গিয়েছে আর সেই কারণেই বিপত্তি। এমনিতে বাড়ি থেকে শ্মশানের দুরত্ব বেশি নয়। সর্বসাকুল্যে কুড়ি মিনিট মতো লাগে। সেই কারণেই আরও…

সাপ – ওগাই মোরি  অনুবাদ  –  পূরবী গঙ্গোপাধ্যায়
|

সাপ – ওগাই মোরি অনুবাদ – পূরবী গঙ্গোপাধ্যায়

[লেখক পরিচিতি : ওগাই মোরি (১৮৬৭-১৯১১) বিংশ শতাব্দীর জাপানী সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব । মোরি পশ্চিমের সভ্যতার সংগে বিশেষভাবে পরিচিত হতে পেরেছিলেন কর্মসূত্রে । তাঁর বেশীরভাগ লেখাতেই বিদেশী মানে অ-জাপানী কোনো বিশেষ চরিত্র বা বিদেশী কোনো ঘটনা বা কোনো পশ্চিম দেশের মনীষির উল্লেখ থাকবেই । মূল গল্প পরিচিতি : সাপ গল্পটিতে একজন সূত্রধর আছেন, যিনি…

বাইপাসের ধারে – পম্পা বিশ্বাস

বাইপাসের ধারে – পম্পা বিশ্বাস

অদ্রি আমার প্রেমিক নয়। নেহাতই সহকর্মী-বন্ধু। কিন্তু রবিদার মতো কোনো কোনো লোকের কাছে এ-কথা বিশ্বাসযোগ্য নয়। এবং কোনোদিন এদের বিশ্বাস করানোও যাবে না। আর এমনই কপাল আমাদের যে, আমরা দু-জনে একসঙ্গে বারবারই এদের চোখে পড়ে যাই। সময়ে-অসময়ে, মাঝেমধ্যে আমাদের একসঙ্গে দেখলেও এবার পর পর চার দিন রবিদার সঙ্গে আমাদের দেখা হল। সে-দিন অফিস ছুটির পর…

বেন দং – মীনা খেরকটারী অনুবাদ : তপন মহন্ত
|

বেন দং – মীনা খেরকটারী অনুবাদ : তপন মহন্ত

[মীনা খেরকটারী বর্তমান প্রজন্মের ছোটগল্প লেখিকা। উনি সর্বশিক্ষা অভিযানে কনসালটেন্ট হিসেবে কর্মরত। তাঁর লেখা বেন দং গল্পটির স্বকৃত অসমিয়া অনুবাদ সম্প্রতি “প্রকাশ” পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।] এক টাকা, দু’টাকা, তিন টাকা – পুরো তিন’শ টাকা ক্রেতা না থাকার সময়ে নির্ভুল ভাবে দু’বার গুণে রুমালে বেঁধে দখনার কোঁচড়ে গুঁজে রাখে মায়দাঙ। মিষ্টি কুমড়ো পাঁচটা, দু’জোড়া নারকেল, শাক-সবজি,…

কল সেন্টার – মাধব ঘোষ

কল সেন্টার – মাধব ঘোষ

হঠাৎ করে কল ফ্লো বেড়ে যাওয়ায় ম্যানেজার লগ-ইন টাইম এক ঘণ্টা বাড়িয়ে দিল। বেতনও কিছুটা বাড়ল তবে সেটা অতি সামান্য। বিশেষ করে টানা আট ঘণ্টা কাস্টোমারের সঙ্গে কথা বলার পর এমনিতেই গলা শুকিয়ে আসে, এয়ার কন্ডিশনের ঠান্ডা আবহের মধ্যেও শরীরে জ্বালাপোড়া শুরু হয়, তারপর অতিরিক্ত আরও এক ঘণ্টা কথা বলার চাপ—এটা জাস্ট নেওয়া যায় না।…

খেমটির মন – সুমন মহান্তি

খেমটির মন – সুমন মহান্তি

চাঁপাশোলের কুলিতে দুপুরের লু বইছে, রোদে ঝলমল করছে শালপলাশের জঙ্গল। সেদিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে হঠাৎই নিজের মরে যাওয়া মা-কে মনে পড়ল সবিতার। রোগা শরীরে তার মা দিনরাত জঙ্গলে ঘুরত, শালপাতা তুলে মাথায় করে বোঝা বয়ে নিয়ে আসত, কাঠি দিয়ে বুনে থালা তৈরি করে বিক্রি করত মহাজনের আড়তে। কত কষ্টই না করত তার মা। মা তো…