Similar Posts
যুদ্ধবিরোধী কবিতা – ঋতঙ্কর দাস
যুদ্ধ, তুমি ঠিক কেন আসো? বোঝাও একটু আমায় মারামারি-দাঙ্গাদাঙ্গি এসবে কেন তোমার এত সায়? সবাই বলে মাঝেমাঝে যুদ্ধও নাকি দরকার আমি বলি চুপ করো সব যুদ্ধের বাড়বে অহংকার ভাইয়ে ভাইয়ে লড়াই বাঁধাতে জুড়ি নেই কোনো তোমার তুমিই নৃশংসতার মূর্ত প্রতীক তোমার ভয়াবহ সব কারবার তাই, দয়া করে যুদ্ধ এবার অবসর তুমি নাও শান্তির সঙ্গে হাত…
ছায়ার বিস্তৃতি – সৈয়দ কওসর জামাল
মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রয়েছে ঘৃণা, নেত্ররোষ অপলক, স্থির আর্ত দিন, ক্লিষ্ট রাত, আমাকে দণ্ডিত ভেবে করেছিল ভিড় টলোমলো এই ভূমে, আসলে তো সাক্ষী আমি – উন্মত্ত দম্ভের এই হত্যা-হত্যা খেলা, কষ্ট পাই, যেন গান – ব্যাহত সুরের, গুমরে গুমরে ঘোরে বিক্ষুব্ধ বাতাসে, তবুও যুদ্ধের কথা কান পেতে শোনে কেউ, রোমাঞ্চ খুঁজেছে কেউ, জানেনা – ব্যর্থতা প্রতিটি…
কারন বিপ্লব একটি মিথ – ঔরশীষ ঘোষ
কিছুতেই বোঝাতে পারছি না আমি কী ভীষণ যন্ত্রণায় আছি: লেখার খাতাও দেখি কলম ছোঁয়ালে লাল হয়ে যাচ্ছে এক লহমায় পাথর চিবিয়ে যে পেট ভরে না সে কথা বলি কাকে, এখন সবাই পাথর চিবিয়ে দিন কাটাচ্ছে আমার মত শুধু মনে হয়ে যে যার বাড়ির রাস্তা ভুলে একদিন এক খোলা মাঠে জড় হবে আর স্লোগানে না- কবিতায়…
নীঃশব্দে প্রতিবাদ – শ্রী চৌধুরী
পেশিবলে গির্জা নিল লিখিয়ে গৃহবন্দী গালিলিওকে দিয়ে “পৃথিবী ঘুরছে না!” কিন্তু কি আর আসে যায় তাতে, পৃথিবী ঘুরত, পৃথিবী ঘুরছে, পৃথিবী ঘুরবেও! সৌর ঔরস জারিত পৃথিবী, প্রত্যক্ষ করবে সৃষ্টি স্থিতি লয় ঘুরতে ঘুরতে, নিজের কক্ষ পথে।
ওগো দুখজাগানিয়া – আফজল আলি
ওগো দুখজাগানিয়া ( কাদম্বরী দেবীর মৃত্যুতে কবিগুরুর একটি অসম্পূর্ণ দলিল ) রাত্রির মতো ভেসে যাচ্ছে রাত কল্পনার মুখে একচামচ সন্ধ্যা তুলে দিলাম তুমি সেই তাকিয়ে ছিলে – তোমার চোখের থেকে মুক্তা ঝরে অনুরূপ – ওগো দুখজাগানিয়া- তোমায় গান শোনাব নীরবতার কাছে ঘনিষ্ঠ হয়ে যা কিছু ছিল সে সব আমার ছড়িয়ে গিয়েছে কোথায় ছেলেবেলার সেই খেলা…
অলক্ষীগাথা – তনিমা হাজরা
ভোর হোলো যে, ও মেয়েটি জাগো, লক্ষী হয়ে অনেক বছর ঘুমিয়েছিলে, এবার অবাধ্য হও, কিংবা একটু অলক্ষীও, জোর গলাতে নিজের প্রাপ্য মাগো। অসম্মানে একাই রুখে দাঁড়াও, আঘাতে দাও প্রতিঘাতের শেল, মেয়েলি জীবনের খোলস খুলে এখন থেকে নারী হয়ে ওঠো।

