চিঠি – অমিতাভ গুপ্ত
এই নাচিকেত অগ্নিকে চেনো, কমরেড
এই নাচিকেত অগ্নিকে চেনো, কমরেড
শেষ পর্যন্ত তোমার কাছেই ফিরে আসি- বারবার, ক্ষতবিক্ষত অন্তঃকরনের কোনো নিরাময় তুমি জাননা- আমি জানি, তবু অহংকারের সামনে বারবার হেরে যাওয়া অসহায়, ঠিক তোমার মতোই, খেয়াল করি – তোমার পায়ের নুপুর , শিকল হয়ে কামড়ে ধরেছে, রক্ত ঝরছে , তবু তুমি নেচে চলেছ যমরাজের বুকের উপর, তোমার লখিন্দরকে বাঁচাতে,……. কিন্তু আমি পারি নি , ভরা…
এত কাছাকাছি তবুও দূরত্ব… প্রতিবার বিরাম ডেকে আনে। এতদিন ধরে যে বিশ্বাস তৈরী করেছ ভ্রমণের একটা ক্ষেত্র… মুহূর্ত শাসন করছে,দুমড়ে যাচ্ছ ক্রমশ নিরাপদ…পেতে গিয়ে আরও ধাক্কা অনুভূতিজুড়ে
যুদ্ধ চলতেই থাকে, ছোটো হোক বা বড়ো আমরা ভাবি কবিতা লিখে যুদ্ধ থামিয়ে দেবো কবিদের কেউই পাত্তা দেয় না পাত্তা দেয় বিজ্ঞানীদের, যাঁরা নতুন নতুন অস্ত্র আবিষ্কার করে চলেছেন তা প্রয়োগ হয়ে চলেছে ছোটো যুদ্ধগুলোয় বাড়ি ঘর শহর মনে হয় পাঁপড়ের তৈরি যুদ্ধ কখনও ফুরোবে না, আমরা ফুরোবো দেশে-দেশে সৈন্যদল থাকবে, আমরা হাত কামড়াবো একদল…
এ ক্লিন ডেথ তারপর এক দুঃখ শেষ হইতে না হইতে অপর দুঃখ আসিল। সে বুঝিল জগতে ঢেউ কাহাকে বলে। বা জগৎরূপী ঢেউ সে বুঝিল। তাহার আতঙ্কের সম্মুখে দ্বিপ্রহরের ন্যায় মুখব্যাদান করিয়া সে গর্জন করিল, ‘চোপ্, চিৎকার করলে জ্যান্ত তুলে নিয়ে যাবো’। তখন তাহার পেছনে আরও তিন-চার লাইনের সেনা ছিল। আবছা অন্ধকার বলে তাদের পড়া যাচ্ছিল…
লাহিড়িপুর উৎসর্গঃ ৺প্রশান্ত রায়চৌধুরী কতখানি দূর? সে লাহিড়িপুর? আজও কি সেখানে ভয় এসে নামে? জোছনার আলো পড়ে নদীতীরে? লঞ্চ ছুটে যায় আঁধারকে চিরে? এইসব কথা আগে অন্তত কেউ একজন সঠিক জানত আজ সে-ও নেই পড়ে আছে হাওয়া ফুরিয়েছে আজ সব চাওয়া-পাওয়া তবু আজও আছে সে লাহিড়িপুর কত কাছাকাছি তবু কত দূর ! পরিপার্শ্ব যা তোমার…
আলো থেকে অসুখের দিকে যেতে আস্ত এক সরাইখানা, আঁশটে, স্যাঁতস্যাঁতে পাকানো তেলছোপ। লেগে যেতে যেতে সম্পর্কের তলায় আরো মোচড়, ওপর থেকে নিচ। ধিমে আঁচে স্মৃতি রেঁধে যাই রোজ পাত পেড়ে বসে থাকে অভুক্ত সংসার।