|

আমার এ লেখা – মন্দাক্রান্তা সেন

শেয়ার করুন

সীমান্ত সেজে ওঠে অস্ত্রে ও শস্ত্রে
যখন পড়েছে টান খাদ্যে ও বস্ত্রে
সেসব সমস্যা কি? আমি-মানি-জানিনা
শ্রমিক কৃষক মরে? অতসব মানি না

আমি এক ভারতীয়, চাই শুধু যুদ্ধ
বাকি সব ভুলে গেছি আগামুড়োসুদ্ধ
দু’টো বোম ফেলে এলে ওপাশের দেশটায়
দু’মুঠো জুটবে কিছু? খিদেতে ও তেষ্টায়?

গোলি মারো প্রশ্নতে গোল্লায় যাও রে
দুশমন মেরে ফুসমন্তর গাও রে
এদেশের কোণে কোণে সীমাহীন দৈন্য
সীমান্তে মরে যায় নামহীন সৈন্য

তুমি মরো আমি মরি বাঁচে শুধু গদিটি
যদি বেঁচে থাকতাম — ভাবো এই ‘যদি’টি
তাহলে এ দেশ হতো শান্তির রাজ্য
তোমার আমার এই স্বপ্নকে গ্ৰাহ্য

না করে পাঠায় যারা দেশ উচ্ছন্নে
আমার এ লেখা তারই ধ্বংসের জন্যে

শেয়ার করুন

Similar Posts

  • কবিতারা ভীষণ ক্ষতপ্রিয় – পিনাকী

    কিছু ব্যথা — ব্যথার চেয়ে অধিক কিছু ক্ষত সর্বদা স্বাগত কিছু হাঁটা– আপনভোলা পথিক কিছু আঁচড় হৃদয়ে শাশ্বত। কিছু বিকেল ছিল রাগাশ্রয়ী কিছু সময় নিবিড়তাই প্রিয় কিছু নজর গভীর মোহময়ী কিছু কথা নীরবতায় দিও। কিছু চাওয়া অপূর্ণতার দিকে যা যা পেলাম– অনির্বচনীয় ধরো আঙুল নিজস্ব আঙ্গিকে কবিতারা ভীষণ ক্ষতপ্রিয়। [চিত্র : ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত ]

  • অজিত ভড়ের পাঁচটি কবিতা

    বিধিনিষেধ ১৪৪ দৃশ্য শেষ। এইবার কান্না শুরু হবেকে কেমন করে কাঁদবে—তারই নির্দেশ দিচ্ছেন পরিচালক। আমপাতা এসে গেছে, জামপাতা এসে গেছে, এমনকি বটপাতা–অশ্বত্থপাতাও এসে গেছে, যার ওপর যেমন নির্দেশ সে সেই পাতায় মুখ ঢেকে কাঁদতে থাকুক। জীবনের সব কান্নাই শিল্প। মনে রাখবেন, সিগারেট খাওয়া যেমন স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর আগুন জ্বালানোও তেমন দেশের পক্ষে ক্ষতিকর— অনুগ্রহ করে—কেউ আগুন জ্বালাবেন না। কপাল ১৬ ঘণ্টা…

  • শরীর ছোঁয়ার যুক্তি – অমিত পাটোয়ারী

    প্রথম দ্বিতীয় সব পাতা জুড়ে টাইপ সুস্থ যোনি আসলেতে তকমা তোমার জুটলো ভাবমোহিনী ছুরির মত বাক্য তোমার বেশ আলোচ্য আমাদের তো অস্ত্র কেবল ভাববাচ্য ঘাড়ের ওপর নিশ্বাস নেয়, পা মাড়ায় চুপ করে থাকি | রয়েছি এখন বেপাড়ায় | সানগ্লাসে দেখি অন্য রঙের রক্ত মাংস দলা কী বললেন , গল্পটা বেড়ে ? ছোঁয়াচ রজস্বলা ! শেষমেশ…

  • অত্রি ভট্টাচার্য-এর কবিতা 

    মার্জারসুন্দরী  ১. দরজায় দাঁড়িয়ে দেখি,রাতের ঘড়ি বারোটা ছুঁলেও, বাইরে যথেচ্ছ আলোসানাইয়ের সিডিটা বার করে নিয়ে বাড়ির দিকে হাঁটা লাগাচ্ছে পাড়ার সাউন্ডম্যান দু- একটা ক্লান্ত সাইকেল হাওয়া চিড়ে চলে যাচ্ছে  এসময়ে, তোমার ভ্রূ ও পল্লবের মাঝে সাদা বেড়ালছানা হাঁটে যে জানে কার্নিভাল সততই জাগরুক, তার কোনো ইনসোমনিয়া নেই ২. আয়ুর্বেদ মতে, বিড়ালের বিষ্ঠা, ছাগলোম, মেষশৃঙ্গ, বচ…

  • মুসাফির – স্বপ্ননীল রুদ্র

    গুলাম আলির গজলের মুসাফিরের মতন একটি আত্মহনন অভীষ্ট শুঁকে শুঁকে আমাদের শহরমুখী হয়েছিল। পকেটে আংশিক উঁকি দেওয়া রুমালের মতো এক বৃক্ষবয়ন-প্রাণিত গলি নিরবচ্ছিন্ন ছায়ানির্ভর অবিবাহিত বাড়ির নামফলক রেখেছিল তার উপোষ-ভারের ঠোঁটে…   নেমপ্লেট খেতে খেতে উপাদেয় ঢেকুর তুলেই তাক থেকে পেড়ে নিয়েছিল ঘুম-উপন্যাস সমগ্র —   বরফলজ্জিত বিছানায় পাঠ-প্রতিক্রিয়া শুয়ে…   কার্ণিশে ছাদে উত্থিত আনন্দঘন…

  • অতিকথা – গৌতম চৌধুরী

    মনস্থির করিয়া একই দিকে যাঁহারা উড়াল দেন, তাঁহারাই সাধক মনেপ্রাণে এই কথা বিশ্বাস করিয়া শূন্যে ডানা মেলিয়া দিয়াছিল মানস দীঘির হাঁস মাইলের পর মাইল উড়িয়া চলিয়া যে-পাহাড়ের ঝরনাজলে তাহাদের দিনকয়েক বিশ্রাম লইবার কথা সেইখানে পঁহুছিয়া প্রথম হোঁচট খাইল সে পাহাড় কই, ঝরনা কই পাদদেশ হইতে গলগল করিয়া পীতাভ ধোঁয়া বাহির হতেছে আর বুম বুম শব্দে…

3 Comments

  1. বৃষ্টিরা এখন লাল রঙ গায়ে মেখে নিয়ে ঝরে পড়ছে। ভিজছি আমরা আর আমাদের সাত সতের। আর সেই আঁশটে বৃষ্টি ভেজার দিনে আমাদের গান ও গগন, পথ ও পথ্য, ধ্যান ও ধান একবিতা। এক আকাশ শুভেচ্ছা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *