Similar Posts
বিশ্বাস আমাকে দিয়ে লেখায় – রিজিয়া রহমানের সাক্ষাৎকার
[বাংলাদেশের কথাশিল্পের অগ্রগামী ও প্রতিনিধিত্বশীল কথাশিল্পীদের অন্যতম একজন রিজিয়া রহমান। জন্ম ১৯৩৯ সালে, কলকাতায়। প্রতিভাময়ী ও পরিশ্রমী এই কথাশিল্পীর উপন্যাস ও গল্প বিষয়-বৈচিত্র্যে অনন্য। প্রাচীন বাংলার ইতিহাস থেকে আধুনিক বাংলাদেশের জন্ম-ইতিহাস, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের বাস্তবতা, পতিতাপল্লীর নিষিদ্ধ-জীবন, চা-শ্রমিক-সাঁওতাল-হাঙর শিকারির জীবন-লড়াই, সুখ-সমৃদ্ধির তাড়নায় দেশছাড়া প্রবাসীদের অস্তিত্বের সংকট বা মনস্তাত্ত্বিক দ্বিধা এবং প্রেম বা মানবজীবনের চিরায়ত অনুভবকে তিনি…
পারুলীর উড্ডয়ন – আনোয়ারা সৈয়দ হক
আকাশ থেকে বৃষ্টির ফলা কোত্থেকে যে শরীরে এত শান দিয়ে এসে লাফিয়ে পড়ল পারুলীর টিনের চালে, আল্লা মাবুদ সে-ই জানে। প্রসব যন্ত্রণায় কাটা মুরগির মতো দাপাতে দাপাতে পারুলী একবার চিৎকার করে বলল, ‘আল্লাহ’; কিছুক্ষণ পরে আবার বললো, ‘ইয়া রসুল’; তারপর চুপ। এমন যে হবে তা কক্ষণো ধারণা করা যায়নি। সকাল থেকে সামান্য মেঘ মেঘ খেলা চলছিল বটে…
মাদমোয়াজেল – অর্ণব সাহা
আমরাই কবীর, আমরা সুমনের বৈধ সন্তানযেকোনো ধ্বংসের মুখে আমাদের সাবলীল গান টেলিগ্রাফ তারে বসে ডেকে ওঠে অলৌকিক পাখিআমরা তার ছেঁড়া ডানা যত্নে কুড়িয়ে তুলে রাখি ফুটপাথশিশুকে পিষে ছুটে যায় হিংস্র স্করপিওআমাদের গিটারের শরীরে বসেছে প্রজাপতি চে আঁকা টি-শার্ট পরে প্রজন্মের শান্ত শ্লোগানসদর দপ্তরের ঠুনকো কাচ ভেঙে দিতে পারে দেবর্ষি নবরূপার হাত ধরে ফুটপাথ পেরোয়নতজানু স্টেটবাস…
টিনবাজার – অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী
লোকটা একটা ভেড়ার মালিক। ভেড়ার গায়ে পাকানো সাদা লোম। চোখের পাতাও সাদা। ভেড়ার দড়ি ধরে লোকটা টিনবাজারের খোলা নর্দমার ধারে উবু হয়ে বসে পেচ্ছাপ করে। সে উঁচু করে চেক লুঙ্গি পড়ে। গায়ে মলিন ফতুয়া। গালের সাদা দাড়ি ধীরে ধীরে পাকিয়ে উঠছে। টিনবাজার দিয়ে যাতায়াত করলেই এমন একটি লোককে সকলেরই চোখে পড়বে। কত বয়স হবে লোকটার?…
কৃষ্ণচন্দ্র দে, সঙ্গীত মহীরূহ – সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় (শেষ অংশ)
কৃষ্ণচন্দ্র দের কাছে গান শিখে বা তাঁর পরিচালনায় কাজ করে যেসব শিল্পী বিভিন্নভাবে উপকৃত হ’য়েছেন তাঁদের মধ্যে শচীন দেববর্মণ, আঙুরবালা, ইন্দুবালা, রাধারাণী, তারকবালা, কমল দাশগুপ্ত প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। এই সমস্ত গুণী মানুষদের কাছে তিনি ছিলেন শিক্ষক স্বরূপ। আকাশবানীর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এই মানুষটির সংস্পর্শে এসে উপকৃত হননি এমন কোনও শিল্পীকেই খুঁজে পাওয়া ভার। এই সব ছাত্রছাত্রীরা যেদিন…
কৃষ্ণচন্দ্র দে, সঙ্গীত মহীরুহ – সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় (১ম অংশ)
রেকর্ডে, অভিনয় মঞ্চে, ঘরোয়া মেজাজে বা বৈঠকি আসরে বাংলা গানের নবযুগের সূচনা যাঁরা করেছিলেন তাঁদের মধ্যে মহীরুহ ছিলেন শ্রীকৃষ্ণচন্দ্র দে (১৮৯৩ – ১৯৬২) মহাশয়; যিনি ‘কে.সি. দে’ নামে সারা দেশে পরিচিত ছিলেন। ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে জন্মাষ্টমীর দিন কলকাতার মদন ঘোষ লেনের বাড়িতে তাঁর জন্ম। বাবা শিবচন্দ্র দে-র ছোটো ছেলে ছিলেন তিনি। যেহেতু কৃষ্ণের জন্মদিনে ছেলের জন্ম, তাই…






