সদুত্তর – অর্পণ কুমার মাজি

শেয়ার করুন

যাকে তুমি পরকীয়ার বলো
বিটনুন, মরিচগুঁড়ো মাখিয়ে সুস্বাদু গসিপ
বিক্রি করো হাটে বাজারে
মসৃণ মলাট, রঙ্গিন কভারে মুড়ে;
তার পিছনের দহনের গল্প
শুধু সেই ছাই হয়ে যাওয়া খড়কুটোই জানে।

যা তুমি উপভোগ করো তারিয়ে তারিয়ে
বাজারি গল্পের মতো,
হঠাৎ করে কোনো ভোরে ডেকে না ওঠা একটা মোরগ
নামিয়ে আনে যে চিরঘুমের রাত;
সেই ক্ষতেও তুমি কলমের আঁচড় টেনে বিপনন জমিয়ে তোলো
নিটোল নিতম্বদেশের বিদেশি ঝটকায়।

যে শহর পাশাপাশি হেঁটে চলা অচেনাদেরও
সন্দেহের বিষচোখ দিয়ে চিবিয়ে গিলে খায়
চরিত্রহীনার তকমা যেখানে জলের দর,
সে শহর কি তোমার নতুন বউঠান কে এমনি এমনিই ছেড়ে দেবে রবি?

বিতর্কিত সুইসাইড নোটে
হয়তো আজও সদুত্তর খোঁজে
বন্ধুত্বের নিবিড়তা।

শেয়ার করুন

Similar Posts

  • মরণলেখ ১ – গৌতম বসু

    আকাশের কাছে আমাদের সাহায্য প্রার্থনামনের পথে-পথে যারা হেঁটেছিমন, খরোস্বী লিপির চিরশয্যা, মন দাবানলদাবানলের পথে যারা হেঁটেছিদূরের দেশ, নিজেকে তুমি কোথায় ফেলে এসেছো ভাবোভাবো, রক্ষাকবচ ভেসে গেছে কোন কূলে থেকে অকূলেমনের পথে-পথে যারা হেঁটেছিরক্ষাকবচ ভেসে গেছে যাদেরশতাব্দীর মতো একনিষ্ঠ যারাসৃষ্টির মতো, লয়ের মতো একামনের পথে-পথে যারা হেঁটেছি বাতাস এখনো শোকগাথা, শোকগাথার বাতাসে এসে দাঁড়ালাম দেহকার্য এখনো…

  • শায়েরী চক্রবর্তীর পাঁচটি কবিতা

    ঈশ্বরী নক্ষত্র দহনে অনুশোচনা উল্লাস হয়ে ওঠে যে দেবীর কাছে হাত পাতলে রাত পাওয়া যায় সে কোনো মানবীদেহ জুড়ে যার গোলাপি আয়োজন মিহি সন্ধের গায়ে জং ধরেছেধ্বংসের ভেতরেও শোনা যায় শঙ্খের সুর পেরোনো আলপথেযদি শুশ্রূষার বিষ ঢেলে যায় কেউ… কোনো দেবী ক্ষয়িত চেতনার পঙ্‌ক্তি পথ হারিয়ে জন্মের প্রলাপ যাপনে এ গলি সে গলি থেকে ভেসে…

  • একজন পৃথিবী বিক্রেতা – শুভ্র সরকার

    এরপর, অনধীত সমগ্র বর্ষার পতনধ্বনি— একজন পৃথিবী বিক্রেতার ঘুমসংক্রান্ত দুঃস্বপ্ন বিচ্ছুরিত হ’য়ে পড়ে চতুর্দিক। দ্যাখো মানুষগুলো তলিয়ে যাচ্ছে ঘুমঘুম হিমে। মা’র ঘুম থেকে উঠে আসা হাঁসের পালকাবৃত পথের পাশে—তুমি একটা ‘স্নান’ রেখে গ্যাছো। একজন পৃথিবী বিক্রেতার জন্য রেখে গ্যাছো— শেকড়। দ্যাখো, রৌদ্রপ্রখর এক নির্জন জলাশয়ে শেকড় ছড়িয়ে আছে সূর্যাস্ত। আর তোমার বুকের বাঁ-পাশে সব আলো…

  • চিঠি – অমিতাভ গুপ্ত

    এই নাচিকেত অগ্নিকে চেনো, কমরেড আত্মদহনে নিজেকেই করো দীর্ণ আগুনের আজ দিয়ে জেনে নাও চেতনায় কি রয়েছে আজও মলিন ও জরাজীর্ণ সকলে জানে না, অথবা ঈষৎ জানলেও মেনে নিতে গেলে হয় দ্বিধা-সংশয় নব্য ঔপনিবেশিকতার দাপটে এখন এদেশে বিত্তবাদের দাসানুদাসেরা সশস্ত্র, দুর্জয় দুঃখ দিয়েই রাঙা করে তোলো ভোর ভাঙা সেতারেই ঝংকৃত ভৈরবী প্রতিটি প্রশ্নে স্পন্দিত উত্তর…

  • তোমায় ভুলিনি – অভিষেক মিত্র

    এইতো সেদিন বাসের ভিতর, তোমায় ছেঁড়ার ক্ষত, একটা দেখি ষোলো বছর, ফ্রন্ট পেজেতে ফটো। এদিক ওদিক কথার মাঝে তোমার কথা এলে, চেঁচিয়ে বলি হেন কারেগা, ওই ব্যাটাদের পেলে। ফেরার পথে ট্রেনেই দেখি দাড়িয়ে তুমি সাথে, আলতো করে পিঠ ছুঁয়ে দি, ভিড়ের অজুহাতে। দিনের শেষে কাজের ফাঁকে একটু সময় পেলে, তোমার জন্য প্রতিবাদী, মোমবাতিটা জ্বেলে।

  • বর্তমান, উত্তরের অপেক্ষায় – উজ্জ্বল সামন্ত

    না বলা কথাগুলো হয় “কবিতা” নয়তো “গল্প” হয়ে ওঠে একান্ত নিজেরই খেয়ালে.. সম্পাদকের খোজে ,তোমাদের ভালবাসা প্রেরণা  যোগায় আমার “লেখা” জীবন বড় বিচিত্র ,জন সমুদ্রের মেলা খাটি মানুষের বড়ই অভাব সমাজে হিংসা, পরনিন্দা,কুটকাচালি, হানাহানি , দাংগা স্বাথপর ও যান্তত্রিকতা মানুষের মনে নেই সৌহাদ্য, সম্প্রীতি ও সহনশীলতা মনীশীদের উক্তি  আজ নীতি কথা নেই ভায়ে ভায়ে মিল…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *