কৌরব বংশ – অভি গুপ্ত

শেয়ার করুন
পৃথিবীর চারদিকে আজও তারা আছে
যাদের আঙ্গুলী হেলনে বাকী সব বাঁচে।
রাজনীতি নয় শুধু তাদের সৈকতাবাস
ধর্ম ও দেয় তাদের কাঙ্খিত বিশ্বাস।
রুক্ষতার ধ্বজা ওড়ে প্রান্তিক কামনায়।
জীবনের মদিরা আকন্ঠ পান করে
অসাম্যতার হার পরে উঠে আসে যারা।
বৈধ অসুখী হয়ে যারা অাজন্মকাল
ধংসের মাতোয়ারায় মগ্ন হয়ে রয়।
সকলেই বাঁচতে চায় আপন মহিমায়।
কিছু জন বেঁচে থাকে পরের ক্ষতির উপর।
মানববেশী কিছু হীন স্বার্থাপর।
তবুও কখনো কোন পথচলা ভুল হয়ে যায়।
বাঁচার তাগিদ তাদের শেষ করে দেয়।
ক্লান্তি ও অবসাদ কুরে কুরে খায়।
আপনাকে ধংস করে তারা স্বীয় ইচ্ছায়।।
শেয়ার করুন

Similar Posts

  • মা – দেবলীনা দলুই

    মা তোমাকে  আঁকার জন্য ভাষা পাইনা আমি হাতড়ে বেড়াই, শব্দ খুঁজি কিন্তু পাইনা তোমার  হৃদয়ের অনন্ত ঝারলন্ঠনকে নাম দেওয়ার শব্দ পুড়তে দাওনি কখনও দাওনি আমায়  গলতে তোমার  ওই দুহাত দিয়ে আমার  ক্ষত যত ছিল সব নিয়েছো টেনে  নিজের বুকে ঘুম পাড়িয়ে আমায় নিজে  থেকেছো নিদ্রাহীন দিনের পর দিন তোমার চোখ, নাক, চুল বেয়ে নেমে আসা…

  • আত্ম প্রত্যয় – সাদিয়া তাহমিন মিশু

    আমি জন্মেছি এই ধরণীর কোলে যেভাবে এসেছিল আমার বাবা-মা, ভাই- বোন, যেভাবে এসেছ তোমরা– আমার স্বজন, আমি বাঁচতে তাই আমার অধিকারের ছায়ায় আমারই কর্মযজ্ঞে– শাণিত চেতনায়। আমার আছে দুখানি হাত, দুটো চোখ, আমার আছে উর্বর মস্তিষ্ক– কল্যাণী বোধ, আমি বাঁচবো আমার হিম্মত বলেই- আমিও জানি– পৃথিবীর আদিগন্ত ইতিহাস, আমি ফেলবো না কোন ক্লেদার্ত দীর্ঘশ্বাস। আমি…

  • অর্ণব রায়ের গুচ্ছ কবিতা

    আমাদের কান্না একফসলী জমি আর যে যার শষ্য তুলে নিয়ে ঘরে চলে গেছে ১/   আর একটু ভালোবাসা পেলে হয়তো বেঁচে যেতাম। যেন পৃথিবীর আর কেউ নেই। দেশে খেতে বসার আকাল লেগেছে। এত এত প্রার্থনার ভার। কেউ জগতের হেঁশেল উঠিয়ে নিয়ে চলে গেছে অবেলায়। সে একা, থরথর কাঁপতে কাঁপতে ছুটছে। তার কক্ষপথপিছলে যাচ্ছে। পৃথিবীপৃথিবীর মনে…

  • ঘর – অয়ন চৌধুরী

    শরীর ছুঁয়েছে অদম্য বিষ রাত্রির কিনারে এক একটি খোলা ভেঙেছে জ্যোৎস্নার মতো যেটুকু পর্ণমোচী বিকেল লুকোনো ছিল একান্ত নিঃস্তব্ধতায় কখন যেন বছর পেরিয়ে হারিয়ে গেল জীর্ণতায়! বুকের উপর যে দুটি শালুক সান্ধ্য-কোলাজে আজ না-হয় বৃষ্টি নামুক একটা ঘর সাজুক মোমবাতিতে না কোনও শোকের সিম্ফনিতে যে ঘরের প্রথম ও শেষ একটা সমুদ্রের বুকের মতো ধরে থাকবে…

  • ঘূর্ণি – মেঘালয়

    কবিতাটা এইভাবে শুরু করা যাক। ধরা যাক, বহুযুগ আগে এখানে একবার সন্ধ্যা হয়েছিল ধরা যাক, বহুযুগ আগে এখানে একদল হাঁস ডানা মেলেছিল ধরা যাক, বহুযুগ আগে এখানে মেঘের তলায় দাঁড়িয়ে আমি এইসব দেখছিলাম– কবিতাটা বোধহয় ঠিক পঞ্চায়েতের মতো হল না– পঞ্চায়েত? পঞ্চায়েত বলতে, ওই তো গো, কয়েকটা বৃক্ষরোপণ মাটি চাপা দিয়ে বাড়ির ক্যাঁদালি পর্যন্ত ঢালাই…

  • |

    ইতি তোমার নদী – অনিন্দিতা মিত্র

    একটানা প্রবল বর্ষণে ঘুমহীন শঙ্কিত রাত কাটাও নদীতীরে, বুকে তোমার কাঁপন জাগায় নদী, খোঁজ নাও বারেবারে- ‘কতটা জল বাড়লো?’ পূর্বদক্ষতায় কষে নাও হিসেব- আর ঠিক কতটা জল বাড়লে ছাড়াবে বিপদসীমা, ঠিক কোন মূহুর্তে পালাবে বসতি ছেড়ে, খুঁজে নেবে আবার কোন সাময়িক আশ্রয় বারংবার বিলাপে। এতই যখন ডুবতে ভয় তোমার তবে প্লাবিত হবে জেনেও কেন নদীপাড়েই…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *