Similar Posts
এক পৃথিবী সুখ! – সুজাতা মিশ্র
হ্যাঁ রে মরদ, বাসবি ভালো চটকে খাবি সুখ? এক বর্ষা কদম গন্ধে ভরিয়ে দিবি বুক? রাতবিরিতে জানলা খুলে উড়িয়ে দিবি ডানা? কাকের বাসায় আসবি রেখে কোকিল সুরের ছানা? হ্যাঁ রে মরদ নিজেই আবার হবি আকাশ বুক? চাঁদের আলো হতে দিবি এক পৃথিবী সুখ?
পথিক বলছি – ব্রতশুদ্ধ
স্বস্তিকারূপী ছাইরঙা রাস্তার কেন্দ্রে দাঁড়ালে জামরুল নীল হয়ে যায়। লাল হয় অনাকাঙ্ক্ষিত তাতানো বর্ষার একটা গাছের দেড়শো কদম ফুল। ডানে যাবো? চলো যাওয়া যাক। এবার বামে? ঠিক আছে। চলো! বিদায় আহ্বান এমন হবে বুঝিনি। এর আগে কোনদিন বৃশ্চিক হেটে যায় নি আমার মরুভূমির মধ্যপথ ধরে। বল্গাহীন স্বপ্ন চুপটি করে বসেনি কোন সীমানাহীন মানচিত্রের চাতালে। আমি…
দুটি দীর্ঘ কবিতা – অর্ণব রায়
এ ক্লিন ডেথ তারপর এক দুঃখ শেষ হইতে না হইতে অপর দুঃখ আসিল। সে বুঝিল জগতে ঢেউ কাহাকে বলে। বা জগৎরূপী ঢেউ সে বুঝিল। তাহার আতঙ্কের সম্মুখে দ্বিপ্রহরের ন্যায় মুখব্যাদান করিয়া সে গর্জন করিল, ‘চোপ্, চিৎকার করলে জ্যান্ত তুলে নিয়ে যাবো’। তখন তাহার পেছনে আরও তিন-চার লাইনের সেনা ছিল। আবছা অন্ধকার বলে তাদের পড়া যাচ্ছিল…
কবিতাময় অলিন্দে ঝোলা বিকেল – স্বপ্না ভট্টাচার্য্য
আহত শেকলের সুখ কেনার দিনে আমাদের পাম পাম শোক মেঘ পোষা শিকড়ে আ-কারান্ত বিসর্জন অক্সিজেনে পালক আঁকে নীলাম্বরী সুতোয় হে র বালিঢালা গোধূলি কবিতায় পুতুল ঢালে ভেসে ওঠে তিনকোনা ঝুলন বিষণ্ণ ক্যাকাফনির জোছনাহাসি একটা বিকেলও আর ফিরিয়ে দেয়নি
অপারগ – সিদ্ধার্থ সিংহ
বন্যায় সব ভেসে গেছে ক’টা জামাপ্যান্ট ছাড়া কিছুই আনতে পারিনি… ত্রাণের লাইনে দাঁড়িয়ে কথাটা বলেছিল সে। হঠাৎ করে ঘরে আগুন লেগে গেলেকিংবা আচমকা ভূমিকম্প হলেমানুষ কী নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে আসে! কী নিয়ে! ও রকম কোনও দিন যদি আমার জীবনে আসেতা হলে কী কী নেব? কী কী?তার একটা তালিকা তৈরি করে রেখেছিলাম আমি। সেই তালিকার…
একুশে – অনিন্দিতা মিত্র
মাতৃজঠরের মধ্যে গুনগুনিয়ে ওঠে বাউলের একতারার সুর,হাজার হাজার নক্ষত্রের নীল সোহাগ এসে মিশে যায় স্বপ্নভেজা শহিদ মিনারে । পরিযায়ী পাখিরা মেখে নেয় পৌষের ধুপছায়া বিকেলের রোদের নির্যাস,কোপাই নদীর অসমাপ্ত বাঁকে ঘুরে মরে প্রেম ।শিশির হাওয়ার চুম্বনে লেপ্টে থাকা আলোর নুপূরে শুনি মহাকালের পদধ্বনি । মনের জটাজাল ভেদ করে বয়ে চলে অভিমানের চোরাস্রোত, ভাবনার চিরকুটে লিখতে…

